ঢাকা ০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভারতে সাত মাসে ৪৪ মুসলমান হত্যা, চরম সহিংসতায় ২০২৬ নতুন কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে বিদায়ী বার্তা দিলেন ছাত্রদল সভাপতি রাকিব রোববার কিশোরগঞ্জে প্রধানমন্ত্রী, জেলাজুড়ে সাজ সাজ রব বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্টে মিচেল স্টার্কের অনন্য বিশ্বরেকর্ড বিএনপির রাষ্ট্রপতি প্রার্থী মির্জা ফখরুল, নিশ্চিত হতে যাচ্ছেন দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বাড়াতে যাত্রা শুরু বিআইএসটি টেক্সটাইল ক্লাবের কুষ্টিয়ায় ১৫০ জন ভ্যান ও রিকশা চালককে ছাতা উপহার স্বাবলম্বী হতে সুন্দরবনের ৩১ বাঘ বিধবা পরিবার পেল ছাগল নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে অটোরিকশা চালককে পিস্তল ঠেকিয়ে টাকা ও মোবাইল ছিনতাই তিস্তায় বন্যা শেষে তীব্র ভাঙন, নীলফামারীর নদীপাড়ে চরম আতঙ্ক

প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ১০০ঘর পেয়ে খুশি গৃহহীন পরিবারগুলো

আবু হাসান আপন নবীনগর ব্রাহ্মণবাড়ীয়া উপজেলা প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৩:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ মার্চ ২০২৩ ২৮৭ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ১০০ঘর পেয়ে খুশি গৃহহীন পরিবারগুলো

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর উপজেলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় নির্মিত সেমিপাকা ঘর পেয়ে হাসি ফুটেছে অসহায় ভূমিহীন ও গৃহহীনদের মাঝে। 
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) একরামুল ছিদ্দিকের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহমুদা জাহান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জাকির হোসেন সাদেক, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শিউলি রহমান, নবীনগর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুদ্দিন আনোয়ার, তিন ইউপি চেয়ারম্যান মনির খন্দকার, আল ইমরান, রবিউল আওয়াল রবি, নবীনগর প্রেসক্লাবের সভাপতি শ্যামা প্রসাদ চক্রবর্ত্তী, সাংবাদিক আবু কাউসার, প্রমূখ।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় চতুর্থ পর্যায়ে উপজেলায় ১০০ জন গৃহহীন ও ভূমিহীনকে বিনামূল্যে জমি ও রঙিন টিন দিয়ে আধাপাকা ঘর করে দিচ্ছে সরকার।
ইতোমধ্যে ৬২০টি পরিবারের মধ্যে জমির উপহারের ঘর হস্তান্তর করা হয়েছে। অবশিষ্ট ১০০টি ঘরের নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। তা সুবিধাভোগীদের মধ্যে হস্তান্তর করা হয়। এ প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি পরিবারের জন্য উপহারের ঘরে থাকছে ২টি থাকার কক্ষ, ১টি রান্না ঘর, ১টি করে উন্নত টয়লেট ও ১টি বারান্দা। প্রায় ১ লাখ ৯১ হাজার টাকা ব্যয়ে প্রতিটি ঘর নির্মাণ করা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘরে আশ্রয় পেয়ে আবেগাপ্লুত
নাটঘর ইউনিয়নের মো. আলম তিনি জানান, সারাজীবন অভাব-অনটনের সংসারে শ্রম বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেছেন। পাকাবাড়ি বানানোর চিন্তা কোনোদিন করেননি। তাই বিনামূল্যে জমি ও ঘর পেয়ে তিনি খুশি।
কাইতলা ইউনিয়নের উপকারভোগী নাজমা বেগম বলেন, বিগত কোনো সরকার বিনামূল্যে জায়গাসহ রঙিন টিনে পাকাঘর পাওয়ার এমন স্বপ্ন দেখাতে পারেনি। বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দিয়েছেন। তার জন্য মন থেকে দোয়া করেন তিনি।
কাইতলা উত্তর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আল ইমরান বলেন, জাতির পিতার জন্মশত বার্ষিকীতে তাঁরই সুযোগ্য কন্যা প্রধান্মন্ত্রী শেখ হাসিনা ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে সরকারি খরচে মাথা গোজার আশ্রয়স্থল গড়ে দেয়ার যে প্রতিশ্রুতি করেছিলেন, সেই প্রতিশ্রুতির সুষ্ঠু বাস্তবায়ন করে চলেছেন তিনি। নির্দেশনায় আমার ইউনিয়নে প্রকৃত গৃহহীন ও ভূমিহীনদের তালিকা প্রণয়ন করে নিয়মমাফিক ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। এতে কোনো রকম অনিয়ম হয়নি।
নবীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) একরামুল সিদ্দিক বলেন, ‘মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী যারা ভূমিহীন ও গৃহহীন রয়েছেন তাদেরকে ঘর তৈরি করে দেয়া হচ্ছে।
চতুর্থ পর্যায়ে নবীনগর উপজেলায় ১০০টি ঘর বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। গুণগতমান বজায় রেখে দিকনির্দেশনা অনুযায়ী ঘরগুলোর নির্মাণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। একইসঙ্গে যারা উপকারভোগী আছেন তাদের সাথেও মতবিনিময় করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী গৃহহীনদের একটা মানসম্মত ও টেকসই ঘর নির্মাণ করে দেয়ার জন্য আমরা সবসময় তদারকি করছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের এই ঘরগুলো করতে পেরে আমরা নিজেরাও তৃপ্ত। একটি মানুষও যেন গৃহহীন না থাকে প্রধানমন্ত্রীর এই কথাটি যেদিন তিনি মুখ থেকে যখন বের করেছেন। এরা আগামী দিনে ভালো থাকলেই আমাদের এ কাজে নামাটা স্বার্থক ও সফল হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ১০০ঘর পেয়ে খুশি গৃহহীন পরিবারগুলো

আপডেট সময় : ০৪:৪৩:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ মার্চ ২০২৩

ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর উপজেলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় নির্মিত সেমিপাকা ঘর পেয়ে হাসি ফুটেছে অসহায় ভূমিহীন ও গৃহহীনদের মাঝে। 
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) একরামুল ছিদ্দিকের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহমুদা জাহান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জাকির হোসেন সাদেক, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শিউলি রহমান, নবীনগর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুদ্দিন আনোয়ার, তিন ইউপি চেয়ারম্যান মনির খন্দকার, আল ইমরান, রবিউল আওয়াল রবি, নবীনগর প্রেসক্লাবের সভাপতি শ্যামা প্রসাদ চক্রবর্ত্তী, সাংবাদিক আবু কাউসার, প্রমূখ।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় চতুর্থ পর্যায়ে উপজেলায় ১০০ জন গৃহহীন ও ভূমিহীনকে বিনামূল্যে জমি ও রঙিন টিন দিয়ে আধাপাকা ঘর করে দিচ্ছে সরকার।
ইতোমধ্যে ৬২০টি পরিবারের মধ্যে জমির উপহারের ঘর হস্তান্তর করা হয়েছে। অবশিষ্ট ১০০টি ঘরের নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। তা সুবিধাভোগীদের মধ্যে হস্তান্তর করা হয়। এ প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি পরিবারের জন্য উপহারের ঘরে থাকছে ২টি থাকার কক্ষ, ১টি রান্না ঘর, ১টি করে উন্নত টয়লেট ও ১টি বারান্দা। প্রায় ১ লাখ ৯১ হাজার টাকা ব্যয়ে প্রতিটি ঘর নির্মাণ করা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘরে আশ্রয় পেয়ে আবেগাপ্লুত
নাটঘর ইউনিয়নের মো. আলম তিনি জানান, সারাজীবন অভাব-অনটনের সংসারে শ্রম বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেছেন। পাকাবাড়ি বানানোর চিন্তা কোনোদিন করেননি। তাই বিনামূল্যে জমি ও ঘর পেয়ে তিনি খুশি।
কাইতলা ইউনিয়নের উপকারভোগী নাজমা বেগম বলেন, বিগত কোনো সরকার বিনামূল্যে জায়গাসহ রঙিন টিনে পাকাঘর পাওয়ার এমন স্বপ্ন দেখাতে পারেনি। বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দিয়েছেন। তার জন্য মন থেকে দোয়া করেন তিনি।
কাইতলা উত্তর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আল ইমরান বলেন, জাতির পিতার জন্মশত বার্ষিকীতে তাঁরই সুযোগ্য কন্যা প্রধান্মন্ত্রী শেখ হাসিনা ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে সরকারি খরচে মাথা গোজার আশ্রয়স্থল গড়ে দেয়ার যে প্রতিশ্রুতি করেছিলেন, সেই প্রতিশ্রুতির সুষ্ঠু বাস্তবায়ন করে চলেছেন তিনি। নির্দেশনায় আমার ইউনিয়নে প্রকৃত গৃহহীন ও ভূমিহীনদের তালিকা প্রণয়ন করে নিয়মমাফিক ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। এতে কোনো রকম অনিয়ম হয়নি।
নবীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) একরামুল সিদ্দিক বলেন, ‘মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী যারা ভূমিহীন ও গৃহহীন রয়েছেন তাদেরকে ঘর তৈরি করে দেয়া হচ্ছে।
চতুর্থ পর্যায়ে নবীনগর উপজেলায় ১০০টি ঘর বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। গুণগতমান বজায় রেখে দিকনির্দেশনা অনুযায়ী ঘরগুলোর নির্মাণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। একইসঙ্গে যারা উপকারভোগী আছেন তাদের সাথেও মতবিনিময় করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী গৃহহীনদের একটা মানসম্মত ও টেকসই ঘর নির্মাণ করে দেয়ার জন্য আমরা সবসময় তদারকি করছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের এই ঘরগুলো করতে পেরে আমরা নিজেরাও তৃপ্ত। একটি মানুষও যেন গৃহহীন না থাকে প্রধানমন্ত্রীর এই কথাটি যেদিন তিনি মুখ থেকে যখন বের করেছেন। এরা আগামী দিনে ভালো থাকলেই আমাদের এ কাজে নামাটা স্বার্থক ও সফল হবে।