ঢাকা ০৮:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জুলাই আন্দোলনে জবির মিছিলের অপেক্ষায় থাকতাম: নাহিদ ইসলাম বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নে জাপানের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ: রেলপথ মন্ত্রী ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৫১২ দেশে হাম ও উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮২৮ প্রথম আলো অনলাইন: দিনের আলোচিত পাঁচটি খবর ৩৬ দিন সাগরে ভেসে থাকা শ্রীলঙ্কান বাবা-ছেলেকে উদ্ধার করলেন বাংলাদেশি জেলেরা বিয়ের ক্ষেত্রে ‘কবুল’ ছাড়াও যে ৫ শব্দে বৈধ হয় সম্পর্ক জ্বালানি ও বিনিয়োগ বাড়াতে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া প্রধানমন্ত্রীর ফোনালাপ রাজশাহীর পদ্মায় নৌকাডুবি: বাবা ও ছেলে নিখোঁজ রামুর ঝটিকা মিছিলে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা, আসামি ৩১ জন

রূপগঞ্জে সংখ্যালঘু পরিবারের বসতঘর ভাঙচুরের প্রতিবাদে মানববন্ধন

মোঃ ইসমাইল হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার:
  • আপডেট সময় : ১১:০৭:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬ ১৪৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

মোঃ ইসমাইল হোসেন,
স্টাফ রিপোর্টার:

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের কেয়ারিয়া এলাকায় সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলা, বসতঘর ভাঙচুর ও ভূমিদস্যুতার অভিযোগে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে কেয়ারিয়া এলাকায় এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, ভুক্তভোগী প্রকৌশলী পবিত্র চন্দ্র সরকার, স্মৃতি রানী, স্থানীয় বাসিন্দা ও জেলা জিয়া মঞ্চের আহ্বায়ক জজ মিয়া, যুবদল নেতা নাদিম মিয়াসহ ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।

বক্তারা জানান, কেয়ারিয়া মৌজায় দীর্ঘদিন ধরে হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে সহাবস্থান করে আসছেন। বিরোধপূর্ণ জমিটি তাদের পৈতৃক সম্পত্তি দাবি করে তারা বলেন, প্রায় দেড়শ থেকে দুইশ বছর ধরে তাদের পূর্বপুরুষরা ওই জমি ও বসতভিটা ভোগদখল করে আসছেন।

তাদের অভিযোগ, সম্প্রতি বিএনপির নাম ভাঙিয়ে ইউসুফ ও জাহাঙ্গীর নামের দুই ভূমিদস্যু এবং সেনাবাহিনীর এক অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নির্দেশে ১৫০ থেকে ২০০ জন বহিরাগত সন্ত্রাসী তাদের বসতবাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় ঘরবাড়ি ভাঙচুর করা হয় এবং পরিবারের নারীদের সঙ্গে অসদাচরণ করা হয়।

ভুক্তভোগীরা জানান, ঘটনার সময় বাড়ির পুরুষ সদস্যরা কেউ উপস্থিত ছিলেন না। সেই সুযোগে হামলাকারীরা নারীদের ধাক্কাধাক্কি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। তারা বাধা দিতে গেলে হামলাকারীরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে এবং ব্যাপক ভাঙচুর চালায়।
মানববন্ধনে বক্তারা আরও বলেন, জমির প্রকৃত মালিকানা যাচাই না করেই একজন সাবেক সেনা কর্মকর্তা যেভাবে সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে হামলা চালিয়েছেন, তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

এছাড়া বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে ওই অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের জানমাল ও বসতভিটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

রূপগঞ্জে সংখ্যালঘু পরিবারের বসতঘর ভাঙচুরের প্রতিবাদে মানববন্ধন

আপডেট সময় : ১১:০৭:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
print news

মোঃ ইসমাইল হোসেন,
স্টাফ রিপোর্টার:

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের কেয়ারিয়া এলাকায় সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলা, বসতঘর ভাঙচুর ও ভূমিদস্যুতার অভিযোগে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে কেয়ারিয়া এলাকায় এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, ভুক্তভোগী প্রকৌশলী পবিত্র চন্দ্র সরকার, স্মৃতি রানী, স্থানীয় বাসিন্দা ও জেলা জিয়া মঞ্চের আহ্বায়ক জজ মিয়া, যুবদল নেতা নাদিম মিয়াসহ ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।

বক্তারা জানান, কেয়ারিয়া মৌজায় দীর্ঘদিন ধরে হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে সহাবস্থান করে আসছেন। বিরোধপূর্ণ জমিটি তাদের পৈতৃক সম্পত্তি দাবি করে তারা বলেন, প্রায় দেড়শ থেকে দুইশ বছর ধরে তাদের পূর্বপুরুষরা ওই জমি ও বসতভিটা ভোগদখল করে আসছেন।

তাদের অভিযোগ, সম্প্রতি বিএনপির নাম ভাঙিয়ে ইউসুফ ও জাহাঙ্গীর নামের দুই ভূমিদস্যু এবং সেনাবাহিনীর এক অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নির্দেশে ১৫০ থেকে ২০০ জন বহিরাগত সন্ত্রাসী তাদের বসতবাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় ঘরবাড়ি ভাঙচুর করা হয় এবং পরিবারের নারীদের সঙ্গে অসদাচরণ করা হয়।

ভুক্তভোগীরা জানান, ঘটনার সময় বাড়ির পুরুষ সদস্যরা কেউ উপস্থিত ছিলেন না। সেই সুযোগে হামলাকারীরা নারীদের ধাক্কাধাক্কি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। তারা বাধা দিতে গেলে হামলাকারীরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে এবং ব্যাপক ভাঙচুর চালায়।
মানববন্ধনে বক্তারা আরও বলেন, জমির প্রকৃত মালিকানা যাচাই না করেই একজন সাবেক সেনা কর্মকর্তা যেভাবে সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে হামলা চালিয়েছেন, তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

এছাড়া বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে ওই অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের জানমাল ও বসতভিটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা।