ঢাকা ০৫:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হামের উপসর্গে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১২৭০ জন ঢাকা ও উপকণ্ঠের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা আধুনিকায়নে এডিবির ২০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ গাজীপুরে ট্রাক ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩ জাতিসংঘে এরদোয়ানের ভাষণের সময় মোবাইল ফোনে মগ্ন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট মাগুরায় বেশি দামে সার ও মেয়াদোত্তীর্ণ বীজ বিক্রি, ১ লাখ টাকা জরিমানা গণমাধ্যমে সরকার ও বিরোধী দলের কথা সমান গুরুত্বের দাবি শফিকুর রহমানের কোনো শিশুই শিক্ষার বাইরে থাকবে না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী জাহিদ হোসেন খাগড়াছড়িতে ৭৭৮ শিক্ষার্থীকে শিক্ষাবৃত্তি ও সেলাই মেশিন বিতরণ ট্রাইব্যুনাল অবমাননার মামলায় দুই আইনজীবীর শুনানি ২৬ অক্টোবর বিশ্ববাজারে টানা ছয় দিন কমছে জ্বালানি তেলের দাম

রূপগঞ্জে সংখ্যালঘু পরিবারের বসতঘর ভাঙচুরের প্রতিবাদে মানববন্ধন

মোঃ ইসমাইল হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার:
  • আপডেট সময় : ১১:০৭:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬ ১৮৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি




মোঃ ইসমাইল হোসেন,
স্টাফ রিপোর্টার:

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের কেয়ারিয়া এলাকায় সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলা, বসতঘর ভাঙচুর ও ভূমিদস্যুতার অভিযোগে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে কেয়ারিয়া এলাকায় এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, ভুক্তভোগী প্রকৌশলী পবিত্র চন্দ্র সরকার, স্মৃতি রানী, স্থানীয় বাসিন্দা ও জেলা জিয়া মঞ্চের আহ্বায়ক জজ মিয়া, যুবদল নেতা নাদিম মিয়াসহ ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।

বক্তারা জানান, কেয়ারিয়া মৌজায় দীর্ঘদিন ধরে হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে সহাবস্থান করে আসছেন। বিরোধপূর্ণ জমিটি তাদের পৈতৃক সম্পত্তি দাবি করে তারা বলেন, প্রায় দেড়শ থেকে দুইশ বছর ধরে তাদের পূর্বপুরুষরা ওই জমি ও বসতভিটা ভোগদখল করে আসছেন।

তাদের অভিযোগ, সম্প্রতি বিএনপির নাম ভাঙিয়ে ইউসুফ ও জাহাঙ্গীর নামের দুই ভূমিদস্যু এবং সেনাবাহিনীর এক অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নির্দেশে ১৫০ থেকে ২০০ জন বহিরাগত সন্ত্রাসী তাদের বসতবাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় ঘরবাড়ি ভাঙচুর করা হয় এবং পরিবারের নারীদের সঙ্গে অসদাচরণ করা হয়।

ভুক্তভোগীরা জানান, ঘটনার সময় বাড়ির পুরুষ সদস্যরা কেউ উপস্থিত ছিলেন না। সেই সুযোগে হামলাকারীরা নারীদের ধাক্কাধাক্কি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। তারা বাধা দিতে গেলে হামলাকারীরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে এবং ব্যাপক ভাঙচুর চালায়।
মানববন্ধনে বক্তারা আরও বলেন, জমির প্রকৃত মালিকানা যাচাই না করেই একজন সাবেক সেনা কর্মকর্তা যেভাবে সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে হামলা চালিয়েছেন, তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

এছাড়া বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে ওই অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের জানমাল ও বসতভিটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

রূপগঞ্জে সংখ্যালঘু পরিবারের বসতঘর ভাঙচুরের প্রতিবাদে মানববন্ধন

আপডেট সময় : ১১:০৭:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

মোঃ ইসমাইল হোসেন,
স্টাফ রিপোর্টার:

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের কেয়ারিয়া এলাকায় সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলা, বসতঘর ভাঙচুর ও ভূমিদস্যুতার অভিযোগে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে কেয়ারিয়া এলাকায় এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, ভুক্তভোগী প্রকৌশলী পবিত্র চন্দ্র সরকার, স্মৃতি রানী, স্থানীয় বাসিন্দা ও জেলা জিয়া মঞ্চের আহ্বায়ক জজ মিয়া, যুবদল নেতা নাদিম মিয়াসহ ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।

বক্তারা জানান, কেয়ারিয়া মৌজায় দীর্ঘদিন ধরে হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে সহাবস্থান করে আসছেন। বিরোধপূর্ণ জমিটি তাদের পৈতৃক সম্পত্তি দাবি করে তারা বলেন, প্রায় দেড়শ থেকে দুইশ বছর ধরে তাদের পূর্বপুরুষরা ওই জমি ও বসতভিটা ভোগদখল করে আসছেন।

তাদের অভিযোগ, সম্প্রতি বিএনপির নাম ভাঙিয়ে ইউসুফ ও জাহাঙ্গীর নামের দুই ভূমিদস্যু এবং সেনাবাহিনীর এক অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নির্দেশে ১৫০ থেকে ২০০ জন বহিরাগত সন্ত্রাসী তাদের বসতবাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় ঘরবাড়ি ভাঙচুর করা হয় এবং পরিবারের নারীদের সঙ্গে অসদাচরণ করা হয়।

ভুক্তভোগীরা জানান, ঘটনার সময় বাড়ির পুরুষ সদস্যরা কেউ উপস্থিত ছিলেন না। সেই সুযোগে হামলাকারীরা নারীদের ধাক্কাধাক্কি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। তারা বাধা দিতে গেলে হামলাকারীরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে এবং ব্যাপক ভাঙচুর চালায়।
মানববন্ধনে বক্তারা আরও বলেন, জমির প্রকৃত মালিকানা যাচাই না করেই একজন সাবেক সেনা কর্মকর্তা যেভাবে সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে হামলা চালিয়েছেন, তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

এছাড়া বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে ওই অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের জানমাল ও বসতভিটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা।