ঢাকা ০১:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার মার্কেটিং সমিতির নির্বাচন সভাপতি নুরুল আফছার-সাধারন সম্পাদক কামরুল হাসান সোহেল এএসআই (নিরস্ত্র) পদে নিয়োগ-২০২৬ এর লক্ষ্যে প্রার্থীদের শারীরিক মাপ ও কাগজপত্র যাচাইকরণ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণপাড়ায় গোয়াল ঘর থেকে গাঁজা উদ্বার গ্রেফতার-২ আমজাদ হাটে ডাকাতের হাতে গৃহবধূ হত্যা এলাকায় চাঞ্চল্য আন্তর্জাতিক মাদক বিরোধী দিবস উপলক্ষ্যে বেগমগঞ্জে মাদক বিরোধী র‍্যালি অনুষ্ঠিত আরপিএমপি তাজহাট থানার অভিযানে চোরাই মালামাল সহ চোর গ্রেফতার পানি বেড়েছে তিস্তায়, খুলে দেওয়া হয়েছে জলকপাট কক্সবাজার বিপুল ইয়াবা সহ আটক স্বামী-স্ত্রী ফেনীতে ডাকাতির প্রস্তুতি কালে ডাকাত গ্রেফতার-৭ গাইবান্ধায় সাইফুল্লাহ বারী হত্যার প্রতিবাদে রংপুরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত

বন্দরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৮, আশঙ্কাজনক ২ জন ঢাকায় ভর্তি

মোঃ ইসমাইল হোসেন,স্টাফ রিপোর্টার,
  • আপডেট সময় : ০৯:২৯:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ জুন ২০২৫ ২৪৬ বার পড়া হয়েছে

বন্দরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৮, আশঙ্কাজনক ২ জন ঢাকায় ভর্তি

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

মোঃ ইসমাইল হোসেন,স্টাফ রিপোর্টার,

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২০ জুন) রাতে উপজেলার ২২ নম্বর ওয়ার্ডের শাহি মসজিদ এলাকায় ঘটে যাওয়া এ সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত আটজন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুইজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে রনি-জাফর গ্রুপ এবং বাবু-মেহেদী গ্রুপ এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের জন্য পৃথকভাবে শক্তি প্রদর্শন করে আসছিল। উভয়পক্ষই সাবেক কাউন্সিলর হান্নান সরকারের আশ্রয়ে রয়েছে বলে একাধিক সূত্রে দাবি করা হয়। শুক্রবার বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত বন্দর অটোরিকশা স্ট্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে উভয়পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রসহ মুখোমুখি হয় এবং ব্যাপক সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

সংঘর্ষে আহতদের নাম-পরিচয় জানা না গেলেও স্থানীয়রা জানান, দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়, যার জেরে অন্তত আটজন আহত হন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় দুজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ বিষয়ে বন্দর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, “আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে।”

এদিকে, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও মহানগর বিএনপি নেতা হান্নান সরকার বলেন, “এই দুগ্রুপ আমার লোক নয়। তারা মূলত যুবলীগ নেতা খান মাসুদের অনুসারী। এলাকায় প্রভাব বিস্তার নিয়েই তারা সংঘর্ষে জড়িয়েছে। তবে ঘটনাটি আমার এলাকায় হওয়ায় অনেকে আমাকে দায়ী করতে চাইছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

বন্দরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৮, আশঙ্কাজনক ২ জন ঢাকায় ভর্তি

আপডেট সময় : ০৯:২৯:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ জুন ২০২৫
print news

মোঃ ইসমাইল হোসেন,স্টাফ রিপোর্টার,

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২০ জুন) রাতে উপজেলার ২২ নম্বর ওয়ার্ডের শাহি মসজিদ এলাকায় ঘটে যাওয়া এ সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত আটজন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুইজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে রনি-জাফর গ্রুপ এবং বাবু-মেহেদী গ্রুপ এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের জন্য পৃথকভাবে শক্তি প্রদর্শন করে আসছিল। উভয়পক্ষই সাবেক কাউন্সিলর হান্নান সরকারের আশ্রয়ে রয়েছে বলে একাধিক সূত্রে দাবি করা হয়। শুক্রবার বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত বন্দর অটোরিকশা স্ট্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে উভয়পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রসহ মুখোমুখি হয় এবং ব্যাপক সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

সংঘর্ষে আহতদের নাম-পরিচয় জানা না গেলেও স্থানীয়রা জানান, দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়, যার জেরে অন্তত আটজন আহত হন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় দুজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ বিষয়ে বন্দর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, “আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে।”

এদিকে, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও মহানগর বিএনপি নেতা হান্নান সরকার বলেন, “এই দুগ্রুপ আমার লোক নয়। তারা মূলত যুবলীগ নেতা খান মাসুদের অনুসারী। এলাকায় প্রভাব বিস্তার নিয়েই তারা সংঘর্ষে জড়িয়েছে। তবে ঘটনাটি আমার এলাকায় হওয়ায় অনেকে আমাকে দায়ী করতে চাইছে।