ঢাকা ০২:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ব্যবসায়ীর সঙ্গে বিয়ের গুঞ্জনে নীরব নায়িকা পূজা চেরী সড়ক ও বাঁধ রক্ষায় বিন্নি ঘাস ব্যবহারের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে কমিটি জ্বালানি সংকট নিরসনে ৯০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবি জামায়াতের শেয়ারবাজারে মার্জিন ঋণের নতুন নীতিমালা ও শর্তাবলী জারি দুই স্ত্রীর হাতাহাতির ঘটনায় জ্ঞান হারালেন মিশরের কোচ হোসাম হাসান মেলান্দহে ইয়াবাসহ কৃষকদল নেতা আটক, দল থেকে বহিষ্কারের পর কারাগারে সোনালের শতকে লঙ্কানদের ২৮৪, ১৭৮ রানের লিডে ভারত ব্যবসায়ীকে বিয়ের গুঞ্জন নিয়ে আলোচনায় চিত্রনায়িকা পূজা চেরি সাতক্ষীরার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হলেন শ্যামনগরের সাফিউল ইসলাম ছাতকে ফিশারি থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার

আগের বিদ্যুৎ বিল চেয়ে বর্তমান বিদ্যুত বিল তুলনা মূলকভাবে বেশী নিচ্ছেন অনেক গ্রহকের অভিযোগ

ফখরুল আলম সাজু ক্রাইম রিপোর্টার ঢাকা:
  • আপডেট সময় : ০৬:২৫:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৫ ৩০১ বার পড়া হয়েছে

আগের বিদ্যুৎ বিল চেয়ে বর্তমান বিদ্যুত বিল তুলনা মূলকভাবে বেশী নিচ্ছেন অনেক গ্রহকের অভিযোগ

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ফখরুল আলম সাজু ক্রাইম রিপোর্টার ঢাকা:

ফেনী জেলা ফুলগাজী উপজেলার পল্লী বিদ্যুৎ প্রহক ঠিকভাবে না পেয়েও বিদ্যুৎ বিলে অতিষ্ঠ ফেনী জেলার ফুলগাজী উপজেলা আমজাদ হাট ইউনিয়ন বাসী, এক মাসের ব্যবধানে ৩ থেকে ৪ গুণ আশ্চর্যজনকভাবে বেশি বিল হওয়ায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী, অভিযোগ জানিয়েও প্রতিকার পাচ্ছেন না গ্রাহকরা, অতিরিক্ত নয় ব্যবহার বাড়ায় বিল বেশি হচ্ছে বলে দাবি এলাকাবাসীদের।

স্থানীয় জনান, এমন কিছু মধ্যবৃও আছে তারা প্রতিদিন আয় করেন ৭০০-৯০০ টাকা, এ আয়ের ওপর চলে সংসার, গত এপ্রিল মাসে ১ হাজার টাকার উপরে বিদ্যুৎ বিল এলেও মে মাসে সেই বিল এসে দাঁড়িবে ৪ হাজার টাকার উপর। অভিযোগ জানালেন ফুলগাজী উপজেলা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে।

শুধু তাই নয় এমন ভূতুড়ে বিলের শিকার উপজেলার অধিকাংশ গ্রাহক, গত মাসের বিল থেকে এক লাফে ৩ থেকে ৪ গুণ বেশি বিল আসায় অসহায় ব্যবহারকারীরা।

সূএে জানা গেছে, ফুলগাজী উপজেলা ৬টি ইউনিয়নের ৮৭টি গ্রামের ৩ লক্ষ গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিলের জন্য মিটার রিডার রয়েছেন।

অভিযোগ আছে, অফিসে বসেই বিদ্যুৎ বিল তৈরি করছেন মিটার রিডাররা। ১ মাসের বিদ্যুৎবিল বকেয়া হলে গ্রাহকের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করছে বিদ্যুৎ বিভাগ, নতুন করে সংযোগ নিতে গ্রাহককে গুণতে হচ্ছে বাড়তি সাড়ে ৮০০-১০০০ টাকা।

ভূতুড়ে বিল নিয়ে একাধিকবার অভিযোগ দিয়ে প্রতিকার পায়না

বিদ্যুৎ ভুক্তভোগী আরো বলেন, কোন মাসে আয় কম হয়, তাই কোন মাসে বিদ্যুৎ বিল দিতে পারি না, কোন মাসে বিদ্যুৎ দিতে না পারলে ভাবি ২ মাসের বিল একসঙ্গে দিব।

কিন্তু গত মাসের থেকে ৪ গুন বিল বেশি আসবে। আমরা মধ্যবৃও পরিবারের মানুষ, এতো বিল কিভাবে দিবো।

হঠাৎ বিদ্যুৎ বিল বেশী আসায় আমাদের কষ্ট হয়, অফিসের লোকজন ইচ্ছেমতো বিল করছে, যার প্রভাব পড়ছে গ্রাহকের ওপর।

ফুলগাজী উপজেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বলেন, প্রচণ্ড গরমে চাহিদার তুলনায় ব্যবহার বাড়ায় বিদ্যুৎবিল বেশি আসছে, কোন বিদ্যুৎ বিল হচ্ছে না।

মিটার রিডাররা বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে মিটার দেখেই বিল করছে। গ্রাহকরা বেশি বেশি ব্যবহার করছে, তাই গতমাসের তুলনায় এ মাসে বিল একটু বেশি হচ্ছে।

পল্লী বিদ্যুৎ গ্রহকের প্রশ্নে জবাব দেন, ২৪ ঘন্টার মধ্যে ঠিকভাবে ২ ঘন্টা ও বিদ্যুৎ থাকেনা তাহলে কিভাবে বিদ্যুৎ বেশী ব্যবহার হচ্ছে এবং বিদ্যৎ বিল বেশী আসবে, ঠিক ভাবে বিদ্যুৎ থাকেনা পল্লী বিদ্যুৎ অফিস এটা উওর কি দিবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

আগের বিদ্যুৎ বিল চেয়ে বর্তমান বিদ্যুত বিল তুলনা মূলকভাবে বেশী নিচ্ছেন অনেক গ্রহকের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৬:২৫:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৫

ফখরুল আলম সাজু ক্রাইম রিপোর্টার ঢাকা:

ফেনী জেলা ফুলগাজী উপজেলার পল্লী বিদ্যুৎ প্রহক ঠিকভাবে না পেয়েও বিদ্যুৎ বিলে অতিষ্ঠ ফেনী জেলার ফুলগাজী উপজেলা আমজাদ হাট ইউনিয়ন বাসী, এক মাসের ব্যবধানে ৩ থেকে ৪ গুণ আশ্চর্যজনকভাবে বেশি বিল হওয়ায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী, অভিযোগ জানিয়েও প্রতিকার পাচ্ছেন না গ্রাহকরা, অতিরিক্ত নয় ব্যবহার বাড়ায় বিল বেশি হচ্ছে বলে দাবি এলাকাবাসীদের।

স্থানীয় জনান, এমন কিছু মধ্যবৃও আছে তারা প্রতিদিন আয় করেন ৭০০-৯০০ টাকা, এ আয়ের ওপর চলে সংসার, গত এপ্রিল মাসে ১ হাজার টাকার উপরে বিদ্যুৎ বিল এলেও মে মাসে সেই বিল এসে দাঁড়িবে ৪ হাজার টাকার উপর। অভিযোগ জানালেন ফুলগাজী উপজেলা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে।

শুধু তাই নয় এমন ভূতুড়ে বিলের শিকার উপজেলার অধিকাংশ গ্রাহক, গত মাসের বিল থেকে এক লাফে ৩ থেকে ৪ গুণ বেশি বিল আসায় অসহায় ব্যবহারকারীরা।

সূএে জানা গেছে, ফুলগাজী উপজেলা ৬টি ইউনিয়নের ৮৭টি গ্রামের ৩ লক্ষ গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিলের জন্য মিটার রিডার রয়েছেন।

অভিযোগ আছে, অফিসে বসেই বিদ্যুৎ বিল তৈরি করছেন মিটার রিডাররা। ১ মাসের বিদ্যুৎবিল বকেয়া হলে গ্রাহকের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করছে বিদ্যুৎ বিভাগ, নতুন করে সংযোগ নিতে গ্রাহককে গুণতে হচ্ছে বাড়তি সাড়ে ৮০০-১০০০ টাকা।

ভূতুড়ে বিল নিয়ে একাধিকবার অভিযোগ দিয়ে প্রতিকার পায়না

বিদ্যুৎ ভুক্তভোগী আরো বলেন, কোন মাসে আয় কম হয়, তাই কোন মাসে বিদ্যুৎ বিল দিতে পারি না, কোন মাসে বিদ্যুৎ দিতে না পারলে ভাবি ২ মাসের বিল একসঙ্গে দিব।

কিন্তু গত মাসের থেকে ৪ গুন বিল বেশি আসবে। আমরা মধ্যবৃও পরিবারের মানুষ, এতো বিল কিভাবে দিবো।

হঠাৎ বিদ্যুৎ বিল বেশী আসায় আমাদের কষ্ট হয়, অফিসের লোকজন ইচ্ছেমতো বিল করছে, যার প্রভাব পড়ছে গ্রাহকের ওপর।

ফুলগাজী উপজেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বলেন, প্রচণ্ড গরমে চাহিদার তুলনায় ব্যবহার বাড়ায় বিদ্যুৎবিল বেশি আসছে, কোন বিদ্যুৎ বিল হচ্ছে না।

মিটার রিডাররা বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে মিটার দেখেই বিল করছে। গ্রাহকরা বেশি বেশি ব্যবহার করছে, তাই গতমাসের তুলনায় এ মাসে বিল একটু বেশি হচ্ছে।

পল্লী বিদ্যুৎ গ্রহকের প্রশ্নে জবাব দেন, ২৪ ঘন্টার মধ্যে ঠিকভাবে ২ ঘন্টা ও বিদ্যুৎ থাকেনা তাহলে কিভাবে বিদ্যুৎ বেশী ব্যবহার হচ্ছে এবং বিদ্যৎ বিল বেশী আসবে, ঠিক ভাবে বিদ্যুৎ থাকেনা পল্লী বিদ্যুৎ অফিস এটা উওর কি দিবে।