ঢাকা ০১:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় বাস ভাড়া পুনর্নির্ধারণ করল সরকার সার চাইতে গিয়ে ৮ দিন জেল খাটলেন কুড়িগ্রামের দুই কৃষক ঘুষের দুই লাখ টাকাসহ পাহাড়তলী সাব-রেজিস্ট্রার ও দুই কর্মচারী আটক সম্পূর্ণ ভিন্ন আঙ্গিকে আসছে ‘দ্য ব্যাটম্যান পার্ট টু’ কৃষি মন্ত্রণালয়ে বিতর্কিত কর্মকর্তাদের ‘আমলনামা’ পর্যালোচনা শুরু এশিয়ান গেমস কাবাডিতে ভারতের কাছে বড় ব্যবধানে হারল বাংলাদেশ মুকসুদপুরে বাসের ধাক্কায় পথচারী নিহত সরকারি দরপত্রে ২০ বছরের ‘সুযোগবঞ্চিত’দের জন্য নতুন সুযোগ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আয়োজিত নৈশভোজে সস্ত্রীক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টাওয়ার হ্যামলেটসে স্কুল পোশাকের অনুদান বৃদ্ধি, সুবিধা পাবে আরও বেশি পরিবার

মুদ্রাস্ফীতির বাজারে টিকে থাকতে খরচ ও সঞ্চয়ে সচেতনতা জরুরি

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১২:০৯:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



দেশে বর্তমানে মুদ্রাস্ফীতির হার ৯ শতাংশের বেশি। এর অর্থ হলো, এ বছর যে জিনিসের দাম ১০০ টাকা, আগামী বছর তা ১০৯ টাকার বেশি হবে। একদিকে আয় কমছে, অন্যদিকে বাড়ছে ব্যয়। এমন পরিস্থিতিতে বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দা ও দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত ঘোরাঘুরি, নিয়মিত রেস্টুরেন্টে খাওয়া এবং দামি পোশাক কেনার মতো বিলাসিতা কমানো প্রয়োজন। অযথা যেসব খরচ এড়িয়ে চলা সম্ভব, তা বাদ দিতে হবে।

আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আয়কে তিন ভাগে ভাগ করা যেতে পারে। যার ৫০ শতাংশ পরিবারের খরচ, ২০ শতাংশ পরিবারের বাইরের জরুরি ব্যয় এবং বাকি ৩০ শতাংশ সঞ্চয় ও বিনিয়োগের জন্য রাখা উচিত। দীর্ঘমেয়াদে অতিরিক্ত খরচের অভ্যাস কেবল আর্থিক নয়, মানসিক সমস্যারও কারণ হতে পারে। লেখক নিজের অভিজ্ঞতা থেকে জানান, একসময় তিনি ক্রেডিট কার্ডে প্রতি মাসে ১৫ থেকে ২৫ হাজার টাকা শুধু রেস্টুরেন্টেই খরচ করতেন, যা ছিল একটি বাজে অভ্যাস।

বর্তমানে তিনি একটি বিশেষ নীতি মেনে চলেন। যদি খরচের নতুন কোনো খাত তৈরি হয়, তবে সেই খরচের জন্য বাড়তি আয়ের উৎস তৈরির চেষ্টা করেন। যদি তা সম্ভব না হয়, তবে সেই খরচ এড়িয়ে চলেন। বিদ্যমান আয় থেকে নতুন কোনো বিলাসিতায় খরচ করা বোকামি। উদাহরণস্বরূপ, গাড়ি কেনার ক্ষেত্রেও তিনি একই যুক্তি দেন। একটি গাড়ি মানে মাসে লক্ষাধিক টাকার খরচ। তাই বাড়তি এক লক্ষ টাকা আয়ের পথ তৈরি করার পরই গাড়ি কেনা যৌক্তিক, অন্যথায় তা হাতি পোষার সমান।

সঞ্চয় ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকা জরুরি। বাংলাদেশে বর্তমানে ব্যাংকের সর্বোচ্চ সুদের হার ৭ শতাংশ, যেখানে মুদ্রাস্ফীতির হার ৯ শতাংশ। অর্থাৎ ব্যাংকে টাকা রাখলে প্রকৃত অর্থে তা কমে যায়। তাই হালাল ও লাভজনক বিনিয়োগের দিকে নজর দেওয়া প্রয়োজন, যেখানে মুনাফার হার মুদ্রাস্ফীতির চেয়ে কয়েক শতাংশ বেশি হবে। আগামী দিনগুলোতে টিকে থাকতে হলে কৃপণতা নয়, বরং হিসাবি হওয়া জরুরি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

মুদ্রাস্ফীতির বাজারে টিকে থাকতে খরচ ও সঞ্চয়ে সচেতনতা জরুরি

আপডেট সময় : ১২:০৯:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশে বর্তমানে মুদ্রাস্ফীতির হার ৯ শতাংশের বেশি। এর অর্থ হলো, এ বছর যে জিনিসের দাম ১০০ টাকা, আগামী বছর তা ১০৯ টাকার বেশি হবে। একদিকে আয় কমছে, অন্যদিকে বাড়ছে ব্যয়। এমন পরিস্থিতিতে বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দা ও দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত ঘোরাঘুরি, নিয়মিত রেস্টুরেন্টে খাওয়া এবং দামি পোশাক কেনার মতো বিলাসিতা কমানো প্রয়োজন। অযথা যেসব খরচ এড়িয়ে চলা সম্ভব, তা বাদ দিতে হবে।

আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আয়কে তিন ভাগে ভাগ করা যেতে পারে। যার ৫০ শতাংশ পরিবারের খরচ, ২০ শতাংশ পরিবারের বাইরের জরুরি ব্যয় এবং বাকি ৩০ শতাংশ সঞ্চয় ও বিনিয়োগের জন্য রাখা উচিত। দীর্ঘমেয়াদে অতিরিক্ত খরচের অভ্যাস কেবল আর্থিক নয়, মানসিক সমস্যারও কারণ হতে পারে। লেখক নিজের অভিজ্ঞতা থেকে জানান, একসময় তিনি ক্রেডিট কার্ডে প্রতি মাসে ১৫ থেকে ২৫ হাজার টাকা শুধু রেস্টুরেন্টেই খরচ করতেন, যা ছিল একটি বাজে অভ্যাস।

বর্তমানে তিনি একটি বিশেষ নীতি মেনে চলেন। যদি খরচের নতুন কোনো খাত তৈরি হয়, তবে সেই খরচের জন্য বাড়তি আয়ের উৎস তৈরির চেষ্টা করেন। যদি তা সম্ভব না হয়, তবে সেই খরচ এড়িয়ে চলেন। বিদ্যমান আয় থেকে নতুন কোনো বিলাসিতায় খরচ করা বোকামি। উদাহরণস্বরূপ, গাড়ি কেনার ক্ষেত্রেও তিনি একই যুক্তি দেন। একটি গাড়ি মানে মাসে লক্ষাধিক টাকার খরচ। তাই বাড়তি এক লক্ষ টাকা আয়ের পথ তৈরি করার পরই গাড়ি কেনা যৌক্তিক, অন্যথায় তা হাতি পোষার সমান।

সঞ্চয় ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকা জরুরি। বাংলাদেশে বর্তমানে ব্যাংকের সর্বোচ্চ সুদের হার ৭ শতাংশ, যেখানে মুদ্রাস্ফীতির হার ৯ শতাংশ। অর্থাৎ ব্যাংকে টাকা রাখলে প্রকৃত অর্থে তা কমে যায়। তাই হালাল ও লাভজনক বিনিয়োগের দিকে নজর দেওয়া প্রয়োজন, যেখানে মুনাফার হার মুদ্রাস্ফীতির চেয়ে কয়েক শতাংশ বেশি হবে। আগামী দিনগুলোতে টিকে থাকতে হলে কৃপণতা নয়, বরং হিসাবি হওয়া জরুরি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh