ঢাকা ১১:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার করল জেলা প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা বাড়লেও আন্তর্জাতিক বাজারে কমল তেলের দাম চলন্ত সিঁড়ির পাশের কালো ব্রাশ কেন থাকে? জেনে নিন আসল কারণ দেশের ৯ অঞ্চলে ঝড়বৃষ্টির শঙ্কা, কমতে পারে তাপমাত্রা আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখার ফজিলত ও গুরুত্ব ওমানে সাগরে পড়ে নিখোঁজ নোয়াখালীর প্রবাসী আবু ছায়েদ মিসরের বন্দরে মার্কিন ট্যাংকারে ড্রোন হামলা, কঠোর হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা কূটনৈতিক উত্তেজনা: রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার ও তলব পুলিশের ঘিরে ফেলা বাড়ি থেকে ছাদ দিয়ে পালালেন সন্ত্রাসী রায়হান ভারতে কারাভোগ শেষে বেনাপোল দিয়ে ফিরলেন পাঁচ বাংলাদেশি নারী

চলন্ত সিঁড়ির পাশের কালো ব্রাশ কেন থাকে? জেনে নিন আসল কারণ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৮:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

বর্তমান সময়ে শপিং মল, মেট্রো স্টেশন, বিমানবন্দর কিংবা বড় বড় ভবনের চলন্ত সিঁড়ি বা এসকেলেটর ব্যবহার করা খুবই সাধারণ একটি বিষয়। সিঁড়ি ভাঙার ক্লান্তি ছাড়াই এক তলা থেকে অন্য তলায় যাতায়াতের জন্য এটি অত্যন্ত সুবিধাজনক। তবে এসকেলেটরে ওঠার সময় অনেকেই ধাপের দুই পাশে লাগানো কালো ব্রাশের মতো অংশটি লক্ষ্য করেন। অনেকেরই ভুল ধারণা রয়েছে যে, এই ব্রাশগুলো সম্ভবত জুতো পরিষ্কার করার জন্য বসানো হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে এর কাজ সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং এটি এসকেলেটরের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

মূলত চলন্ত সিঁড়ি চলার সময় ধাপের পাশ ও সাইড প্যানেলের মাঝে খুবই সরু একটি ফাঁক তৈরি হয়। এই জায়গাটি দেখতে ছোট মনে হলেও বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। অসাবধানতাবশত কারও ঢিলেঢালা পোশাক, শাড়ি বা ওড়নার অংশ, জুতোর ফিতে কিংবা শিশুদের নরম জুতো ওই ফাঁকে আটকে যেতে পারে। যদি একবার কিছু আটকে যায়, তবে চলন্ত যন্ত্রটি সেই বস্তুকে ভেতরের দিকে টেনে নিতে পারে, যা গুরুতর দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।

প্রযুক্তিগতভাবে এই ব্রাশকে 'স্কার্ট ডিফ্লেকটর' বলা হয়। এটি দুটি প্রধান উপায়ে ব্যবহারকারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। প্রথমত, ব্রাশের শক্ত রোঁয়াগুলো মানুষকে ধাপের একেবারে কিনারায় দাঁড়াতে নিরুৎসাহিত করে, ফলে পোশাক বা জুতোর অংশ বিপজ্জনক ফাঁকের কাছে যাওয়ার ঝুঁকি কমে। দ্বিতীয়ত, এটি সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করে। যদি কারও পা বা পোশাক পাশের দেওয়ালের খুব কাছে চলে আসে, তবে ব্রাশটি তা স্পর্শ করে। সেই খসখসে অনুভূতির কারণে মানুষ স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা ভেতরের দিকে সরে দাঁড়াতে উৎসাহিত হয়।

বিশ্বজুড়েই এসকেলেটরে অসাবধানতার কারণে দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। তাই আধুনিক এসকেলেটরে ধাপের দুই পাশে হলুদ দাগ দেওয়া থাকে, যা নিরাপদ অবস্থানে দাঁড়ানোর নির্দেশনা দেয়। এছাড়া জরুরি পরিস্থিতিতে এসকেলেটর বন্ধ করার জন্য লাল রঙের ইমার্জেন্সি স্টপ বোতামও রাখা হয়। তাই এসকেলেটরে ওঠার সময় সব সময় হলুদ দাগের ভেতরে দাঁড়ান, শিশুদের হাত শক্ত করে ধরে রাখুন এবং ঢিলেঢালা পোশাক বা জুতোর ফিতে যেন ধাপের পাশে না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখুন। পরেরবার এসকেলেটরে উঠে কালো ব্রাশটি দেখলে আর জুতো পরিষ্কারের কথা ভাববেন না, মনে রাখবেন এটি আপনার নিরাপত্তার জন্যই বসানো হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Amader Shomoy

নিউজটি শেয়ার করুন

চলন্ত সিঁড়ির পাশের কালো ব্রাশ কেন থাকে? জেনে নিন আসল কারণ

আপডেট সময় : ০৯:৫৮:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
print news

বর্তমান সময়ে শপিং মল, মেট্রো স্টেশন, বিমানবন্দর কিংবা বড় বড় ভবনের চলন্ত সিঁড়ি বা এসকেলেটর ব্যবহার করা খুবই সাধারণ একটি বিষয়। সিঁড়ি ভাঙার ক্লান্তি ছাড়াই এক তলা থেকে অন্য তলায় যাতায়াতের জন্য এটি অত্যন্ত সুবিধাজনক। তবে এসকেলেটরে ওঠার সময় অনেকেই ধাপের দুই পাশে লাগানো কালো ব্রাশের মতো অংশটি লক্ষ্য করেন। অনেকেরই ভুল ধারণা রয়েছে যে, এই ব্রাশগুলো সম্ভবত জুতো পরিষ্কার করার জন্য বসানো হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে এর কাজ সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং এটি এসকেলেটরের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

মূলত চলন্ত সিঁড়ি চলার সময় ধাপের পাশ ও সাইড প্যানেলের মাঝে খুবই সরু একটি ফাঁক তৈরি হয়। এই জায়গাটি দেখতে ছোট মনে হলেও বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। অসাবধানতাবশত কারও ঢিলেঢালা পোশাক, শাড়ি বা ওড়নার অংশ, জুতোর ফিতে কিংবা শিশুদের নরম জুতো ওই ফাঁকে আটকে যেতে পারে। যদি একবার কিছু আটকে যায়, তবে চলন্ত যন্ত্রটি সেই বস্তুকে ভেতরের দিকে টেনে নিতে পারে, যা গুরুতর দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।

প্রযুক্তিগতভাবে এই ব্রাশকে 'স্কার্ট ডিফ্লেকটর' বলা হয়। এটি দুটি প্রধান উপায়ে ব্যবহারকারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। প্রথমত, ব্রাশের শক্ত রোঁয়াগুলো মানুষকে ধাপের একেবারে কিনারায় দাঁড়াতে নিরুৎসাহিত করে, ফলে পোশাক বা জুতোর অংশ বিপজ্জনক ফাঁকের কাছে যাওয়ার ঝুঁকি কমে। দ্বিতীয়ত, এটি সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করে। যদি কারও পা বা পোশাক পাশের দেওয়ালের খুব কাছে চলে আসে, তবে ব্রাশটি তা স্পর্শ করে। সেই খসখসে অনুভূতির কারণে মানুষ স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা ভেতরের দিকে সরে দাঁড়াতে উৎসাহিত হয়।

বিশ্বজুড়েই এসকেলেটরে অসাবধানতার কারণে দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। তাই আধুনিক এসকেলেটরে ধাপের দুই পাশে হলুদ দাগ দেওয়া থাকে, যা নিরাপদ অবস্থানে দাঁড়ানোর নির্দেশনা দেয়। এছাড়া জরুরি পরিস্থিতিতে এসকেলেটর বন্ধ করার জন্য লাল রঙের ইমার্জেন্সি স্টপ বোতামও রাখা হয়। তাই এসকেলেটরে ওঠার সময় সব সময় হলুদ দাগের ভেতরে দাঁড়ান, শিশুদের হাত শক্ত করে ধরে রাখুন এবং ঢিলেঢালা পোশাক বা জুতোর ফিতে যেন ধাপের পাশে না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখুন। পরেরবার এসকেলেটরে উঠে কালো ব্রাশটি দেখলে আর জুতো পরিষ্কারের কথা ভাববেন না, মনে রাখবেন এটি আপনার নিরাপত্তার জন্যই বসানো হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Amader Shomoy