ঢাকা ০৩:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সোবহানার সেঞ্চুরি, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের রেকর্ড সংগ্রহ ৫ বছর পর ন্যান্সি ও জাহিদ নিরবের দ্বৈত গান ‘দিওয়ানা দিল’ তুরস্কে পর্যটকবাহী বাস ও টো ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত ১১, আহত ২৭ পিরোজপুরে ডেঙ্গু ও কিশোর গ্যাং দমনে প্রতিমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা জাতীয় ক্রিকেট লিগে একদিনে পাঁচ ব্যাটারের সেঞ্চুরি দিল্লির রাজপথে প্রতিবাদের ভূত যেভাবে মোদি সরকারকে তাড়া করছে দুর্গাপূজায় নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টা রুখতে সজাগ থাকার আহ্বান রিজভীর আয়াসসহ চারজনের বিরুদ্ধে যেসব ধারায় মামলা, রিমান্ডের আদেশ চাঁদপুরে জেলেদের ৫ টন চাল জব্দ, তদন্ত কমিটি গঠন নতুন রেকর্ডের হাতছানি হানসি ফ্লিকের বার্সেলোনার সামনে

আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখার ফজিলত ও গুরুত্ব

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৯:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬ ৩৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ইসলামে আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা এবং তাদের নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়া অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ একটি আমল। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ মুমিনদের রক্তসম্পর্কিত আত্মীয়দের বিষয়ে বিশেষভাবে সতর্ক করে দিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা সতর্ক থাকো রক্তসম্পর্কিত আত্মীয়দের ব্যাপারে। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের পর্যবেক্ষক।’ (সুরা নিসা: ১)।

আমাদের প্রিয় নবীজি (সা.)-ও তার উম্মতদের আত্মীয়তার বন্ধন অটুট রাখার ব্যাপারে কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহকে ও শেষ দিনে বিশ্বাস রাখে, সে যেন তার রক্তের সম্পর্ক বজায় রাখে।’ (বোখারি: ৬১৩৮)। আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করার পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ। যারা আত্মীয়দের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখে না, মহান আল্লাহ তাদের সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করে দেন। এ বিষয়ে রাসুলুল্লাহ (সা.) এরশাদ করেছেন, ‘জ্ঞাতিবন্ধন আরশে ঝুলন্ত আছে এবং সে বলছে, যে আমাকে অবিচ্ছিন্ন রাখবে, আল্লাহ তার সম্পর্ক তাঁর সঙ্গে অবিচ্ছিন্ন রাখবেন। আর যে আমাকে বিচ্ছিন্ন করবে, আল্লাহ তার সম্পর্ক তাঁর সঙ্গে বিচ্ছিন্ন করবেন।’ (রিয়াদুস সালেহিন: ৩২৮)।

তাই প্রত্যেক মুমিনের দায়িত্ব হলো আত্মীয়দের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা, তাদের খোঁজখবর নেওয়া এবং নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী তাদের সহযোগিতা করা। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ মা-বাবার পরেই নিকট আত্মীয়দের সঙ্গে সদ্ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়েছেন। এরশাদ হয়েছে, ‘তোমরা ইবাদাত করো আল্লাহর, তাঁর সঙ্গে কোনো কিছুকে শরিক কোরো না। আর সদ্ব্যবহার করো বাবা-মায়ের সঙ্গে, নিকট আত্মীয়ের সঙ্গে, এতিম, মিসকিন, নিকট প্রতিবেশী, অনাত্মীয় প্রতিবেশী, পার্শ্ববর্তী সাথি, মুসাফির এবং তোমাদের মালিকানাভুক্ত দাস-দাসীদের সঙ্গে। নিশ্চয়ই আল্লাহ পছন্দ করেন না তাদের যারা দাম্ভিক, অহংকারী।’ (সুরা নিসা: ৩৬)।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখার ফজিলত ও গুরুত্ব

আপডেট সময় : ০৮:৫৯:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

ইসলামে আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা এবং তাদের নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়া অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ একটি আমল। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ মুমিনদের রক্তসম্পর্কিত আত্মীয়দের বিষয়ে বিশেষভাবে সতর্ক করে দিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা সতর্ক থাকো রক্তসম্পর্কিত আত্মীয়দের ব্যাপারে। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের পর্যবেক্ষক।’ (সুরা নিসা: ১)।

আমাদের প্রিয় নবীজি (সা.)-ও তার উম্মতদের আত্মীয়তার বন্ধন অটুট রাখার ব্যাপারে কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহকে ও শেষ দিনে বিশ্বাস রাখে, সে যেন তার রক্তের সম্পর্ক বজায় রাখে।’ (বোখারি: ৬১৩৮)। আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করার পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ। যারা আত্মীয়দের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখে না, মহান আল্লাহ তাদের সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করে দেন। এ বিষয়ে রাসুলুল্লাহ (সা.) এরশাদ করেছেন, ‘জ্ঞাতিবন্ধন আরশে ঝুলন্ত আছে এবং সে বলছে, যে আমাকে অবিচ্ছিন্ন রাখবে, আল্লাহ তার সম্পর্ক তাঁর সঙ্গে অবিচ্ছিন্ন রাখবেন। আর যে আমাকে বিচ্ছিন্ন করবে, আল্লাহ তার সম্পর্ক তাঁর সঙ্গে বিচ্ছিন্ন করবেন।’ (রিয়াদুস সালেহিন: ৩২৮)।

তাই প্রত্যেক মুমিনের দায়িত্ব হলো আত্মীয়দের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা, তাদের খোঁজখবর নেওয়া এবং নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী তাদের সহযোগিতা করা। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ মা-বাবার পরেই নিকট আত্মীয়দের সঙ্গে সদ্ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়েছেন। এরশাদ হয়েছে, ‘তোমরা ইবাদাত করো আল্লাহর, তাঁর সঙ্গে কোনো কিছুকে শরিক কোরো না। আর সদ্ব্যবহার করো বাবা-মায়ের সঙ্গে, নিকট আত্মীয়ের সঙ্গে, এতিম, মিসকিন, নিকট প্রতিবেশী, অনাত্মীয় প্রতিবেশী, পার্শ্ববর্তী সাথি, মুসাফির এবং তোমাদের মালিকানাভুক্ত দাস-দাসীদের সঙ্গে। নিশ্চয়ই আল্লাহ পছন্দ করেন না তাদের যারা দাম্ভিক, অহংকারী।’ (সুরা নিসা: ৩৬)।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh