ঢাকা ০৫:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেখ হাসিনার ফেরা ও আত্মসমর্পণ নিয়ে যা জানালেন চিফ প্রসিকিউটর

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০৪:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ও ভারতের সরকারের পারস্পরিক সমঝোতা ছাড়া দেশে এসে সরাসরি আত্মসমর্পণ করতে পারবেন না। রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এমনটাই জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে বিমানবন্দরেই তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হবে।

চিফ প্রসিকিউটর আরও জানান, শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারত সরকারের নিয়ন্ত্রণে নির্বাসিত অবস্থায় রয়েছেন। একজন সাধারণ নাগরিকের মতো তিনি ইচ্ছা করলেই বাংলাদেশে ফিরে আসতে পারবেন না। তাকে দেশে আসতে হলে বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের মধ্যে কূটনৈতিক ও আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে আসতে হবে। তবে দেশে পা রাখামাত্রই আইনি প্রক্রিয়ায় তাকে গ্রেপ্তার করা হবে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম জানান, ২০১৩ সালের ৫ মে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের মামলার তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ২১ জুলাই এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হবে।

এ ছাড়াও ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত নৃশংসতা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনাসহ ট্রাইব্যুনালে চলমান প্রধান ১০টি মামলার তদন্তও এখন শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এসব মামলার তদন্ত প্রতিবেদন খুব শিগগিরই ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

শেখ হাসিনার ফেরা ও আত্মসমর্পণ নিয়ে যা জানালেন চিফ প্রসিকিউটর

আপডেট সময় : ০৪:০৪:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬
print news

ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ও ভারতের সরকারের পারস্পরিক সমঝোতা ছাড়া দেশে এসে সরাসরি আত্মসমর্পণ করতে পারবেন না। রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এমনটাই জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে বিমানবন্দরেই তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হবে।

চিফ প্রসিকিউটর আরও জানান, শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারত সরকারের নিয়ন্ত্রণে নির্বাসিত অবস্থায় রয়েছেন। একজন সাধারণ নাগরিকের মতো তিনি ইচ্ছা করলেই বাংলাদেশে ফিরে আসতে পারবেন না। তাকে দেশে আসতে হলে বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের মধ্যে কূটনৈতিক ও আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে আসতে হবে। তবে দেশে পা রাখামাত্রই আইনি প্রক্রিয়ায় তাকে গ্রেপ্তার করা হবে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম জানান, ২০১৩ সালের ৫ মে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের মামলার তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ২১ জুলাই এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হবে।

এ ছাড়াও ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত নৃশংসতা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনাসহ ট্রাইব্যুনালে চলমান প্রধান ১০টি মামলার তদন্তও এখন শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এসব মামলার তদন্ত প্রতিবেদন খুব শিগগিরই ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।