ঢাকা ০৬:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টেকনাফে পাহাড় থেকে পড়ে মা হাতি গুরুতর আহত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৯:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

কক্সবাজারের টেকনাফে পাহাড় থেকে প্রায় ৩ শ ফুট নিচে পড়ে একটি বন্য মা হাতি গুরুতর আহত হয়েছে। শনিবার দুপুর ১টার দিকে টেকনাফ রেঞ্জের সদর বনবিটের শিয়াল্যাঘোনা এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

টেকনাফ রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. আব্দুর রশীদ জানিয়েছেন, পাহাড়ের অনেক ওপর থেকে নিচে পড়ে যাওয়ায় হাতিটির পেটে এবং পায়ে মারাত্মক আঘাত লেগেছে। কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, আহত মা হাতিটির অবস্থা আশঙ্কাজনক। হাতিটির পেছনের দুই পা ভেঙে গেছে এবং বুক ও পিঠের অংশে গুরুতর জখম হয়েছে।

বর্তমানে বনবিভাগ ও সিপিজি সদস্যরা হাতিটির সার্বক্ষণিক দেখভাল করছেন। প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রচণ্ড বৃষ্টির মধ্যেও বন বিভাগের স্বেচ্ছাসেবকরা গহীন অরণ্যে হাতিটির ওপর নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছেন।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সহায়তায় বনবিভাগ হাতিটির চিকিৎসার উদ্যোগ নিয়েছে। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা এবং ডুলাহাজারা সাফারি পার্কের চিকিৎসকদের একটি যৌথ টিম হাতিটিকে বাঁচানোর জন্য প্রাণপণ চেষ্টা করছেন। এছাড়া চট্টগ্রাম প্রাণিসম্পদ বিভাগের একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন মেডিকেল টিমও টেকনাফের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুন।

আব্দুর রশীদ জানান, হাতিটি প্রায় ৩০০ ফুট ওপর থেকে পড়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

টেকনাফে পাহাড় থেকে পড়ে মা হাতি গুরুতর আহত

আপডেট সময় : ০৪:৪৯:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬
print news

কক্সবাজারের টেকনাফে পাহাড় থেকে প্রায় ৩ শ ফুট নিচে পড়ে একটি বন্য মা হাতি গুরুতর আহত হয়েছে। শনিবার দুপুর ১টার দিকে টেকনাফ রেঞ্জের সদর বনবিটের শিয়াল্যাঘোনা এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

টেকনাফ রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. আব্দুর রশীদ জানিয়েছেন, পাহাড়ের অনেক ওপর থেকে নিচে পড়ে যাওয়ায় হাতিটির পেটে এবং পায়ে মারাত্মক আঘাত লেগেছে। কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, আহত মা হাতিটির অবস্থা আশঙ্কাজনক। হাতিটির পেছনের দুই পা ভেঙে গেছে এবং বুক ও পিঠের অংশে গুরুতর জখম হয়েছে।

বর্তমানে বনবিভাগ ও সিপিজি সদস্যরা হাতিটির সার্বক্ষণিক দেখভাল করছেন। প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রচণ্ড বৃষ্টির মধ্যেও বন বিভাগের স্বেচ্ছাসেবকরা গহীন অরণ্যে হাতিটির ওপর নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছেন।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সহায়তায় বনবিভাগ হাতিটির চিকিৎসার উদ্যোগ নিয়েছে। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা এবং ডুলাহাজারা সাফারি পার্কের চিকিৎসকদের একটি যৌথ টিম হাতিটিকে বাঁচানোর জন্য প্রাণপণ চেষ্টা করছেন। এছাড়া চট্টগ্রাম প্রাণিসম্পদ বিভাগের একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন মেডিকেল টিমও টেকনাফের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুন।

আব্দুর রশীদ জানান, হাতিটি প্রায় ৩০০ ফুট ওপর থেকে পড়েছে।