ঢাকা ১০:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নোবেল ঘোষণার পরই আইসিসিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা রেমিট্যান্স বন্ধের হুমকি দেশবিরোধী ও মানবতাবিরোধী: রুহুল কবির রিজভী সাইবার সুরক্ষা আইন মতপ্রকাশের স্বাধীনতা খর্ব করবে: অধিকার যমুনা নদীতে নিখোঁজের কয়েক ঘণ্টা পর ১০৩ বছরের বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার ভুয়া করোনা সনদ: গ্রানিত শাকার দুই কোটি টাকা জরিমানা মদনে ইউএনওর বাসভবনের পাশে ময়লার স্তূপ, বিলে অনিয়মের অভিযোগ বোরহানউদ্দিনে সার ডিলার নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক, অনিয়মের অভিযোগ জনদাবি পূরণে ৩১ অক্টোবর ১১ দলের লংমার্চ, সফল করার আহ্বান জামায়াতের ভারতে পণ্য রপ্তানির বাধা ও অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি বাংলাদেশের ‘আরেকটু ভালো হতে পারত’, ব্যাটিং ধসে আক্ষেপ ওপেনার সাদমানের

যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন ফি ও বিধিনিষেধের প্রস্তাব

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১১:০২:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



অভিবাসন প্রক্রিয়া আরও কঠোর করার অংশ হিসেবে নতুন এক প্রস্তাব নিয়ে এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (ডিএইচএস)। এই নতুন নিয়মের আওতায়, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা যদি দেশটিতে কাজের প্রশিক্ষণের সুযোগ নিতে চায়, তবে তাদের প্রশিক্ষণ ফি বাবদ মোটা অঙ্কের অর্থ পরিশোধ করতে হবে।

বুধবার প্রকাশিত সরকারি নোটিশ অনুযায়ী, এফ-১ ভিসাধারী কোনো শিক্ষার্থী যদি ‘অপশনাল প্র্যাকটিক্যাল ট্রেনিং’ বা হাতে-কলমে কাজের প্রশিক্ষণ (ওপিটি) নিতে চায়, তবে তাদের অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানকে ৭০ হাজার ডলার পরিশোধ করতে হবে। এছাড়া অতিরিক্ত কোনো কাজের প্রশিক্ষণের প্রয়োজন হলে আরও ৩০ হাজার ডলার ফি হিসেবে দিতে হবে। বর্তমানে এই ওপিটি ফি বাবদ শিক্ষার্থীদের প্রায় ৫০০ ডলার খরচ করতে হয়।

ডিএইচএস জানিয়েছে, এই নতুন ফি চালুর মূল উদ্দেশ্য হলো অভিবাসন ব্যবস্থায় জালিয়াতি রোধ করা, স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানো এবং যুক্তরাষ্ট্রের কর্মীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা। ওপিটি ব্যবস্থার মাধ্যমে বর্তমানে বিদেশি শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার সময় সপ্তাহে সর্বোচ্চ ২০ ঘণ্টা এবং স্নাতক শেষ করার পর নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কাজের প্রশিক্ষণ নিতে পারেন। বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত (স্টেম) বিষয়ের ডিগ্রিধারীরা এই ব্যবস্থায় বিশেষ সুবিধা পেয়ে থাকেন।

অনেক শিক্ষার্থীর কাছে ওপিটি পরবর্তী সময়ে এইচ-১বি ভিসায় চাকরির সুযোগ পাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে ট্রাম্প প্রশাসন ইতোমধ্যেই এইচ-১বি ভিসার ক্ষেত্রেও বাড়তি ফি ও বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। প্রস্তাবিত এই নিয়মটি নিয়ে জনমত যাচাইয়ের জন্য ৩০ দিন সময় দেওয়া হয়েছে। চূড়ান্ত অনুমোদনের পর নিয়মটি কার্যকর করার জন্য আরও ৬০ দিন সময় দেওয়ার কথা জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এছাড়া প্রস্তাবিত এই নিয়মটি নিয়ে দ্রুত আইনি চ্যালেঞ্জ আসার আশঙ্কা রয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন ফি ও বিধিনিষেধের প্রস্তাব

আপডেট সময় : ১১:০২:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

অভিবাসন প্রক্রিয়া আরও কঠোর করার অংশ হিসেবে নতুন এক প্রস্তাব নিয়ে এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (ডিএইচএস)। এই নতুন নিয়মের আওতায়, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা যদি দেশটিতে কাজের প্রশিক্ষণের সুযোগ নিতে চায়, তবে তাদের প্রশিক্ষণ ফি বাবদ মোটা অঙ্কের অর্থ পরিশোধ করতে হবে।

বুধবার প্রকাশিত সরকারি নোটিশ অনুযায়ী, এফ-১ ভিসাধারী কোনো শিক্ষার্থী যদি ‘অপশনাল প্র্যাকটিক্যাল ট্রেনিং’ বা হাতে-কলমে কাজের প্রশিক্ষণ (ওপিটি) নিতে চায়, তবে তাদের অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানকে ৭০ হাজার ডলার পরিশোধ করতে হবে। এছাড়া অতিরিক্ত কোনো কাজের প্রশিক্ষণের প্রয়োজন হলে আরও ৩০ হাজার ডলার ফি হিসেবে দিতে হবে। বর্তমানে এই ওপিটি ফি বাবদ শিক্ষার্থীদের প্রায় ৫০০ ডলার খরচ করতে হয়।

ডিএইচএস জানিয়েছে, এই নতুন ফি চালুর মূল উদ্দেশ্য হলো অভিবাসন ব্যবস্থায় জালিয়াতি রোধ করা, স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানো এবং যুক্তরাষ্ট্রের কর্মীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা। ওপিটি ব্যবস্থার মাধ্যমে বর্তমানে বিদেশি শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার সময় সপ্তাহে সর্বোচ্চ ২০ ঘণ্টা এবং স্নাতক শেষ করার পর নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কাজের প্রশিক্ষণ নিতে পারেন। বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত (স্টেম) বিষয়ের ডিগ্রিধারীরা এই ব্যবস্থায় বিশেষ সুবিধা পেয়ে থাকেন।

অনেক শিক্ষার্থীর কাছে ওপিটি পরবর্তী সময়ে এইচ-১বি ভিসায় চাকরির সুযোগ পাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে ট্রাম্প প্রশাসন ইতোমধ্যেই এইচ-১বি ভিসার ক্ষেত্রেও বাড়তি ফি ও বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। প্রস্তাবিত এই নিয়মটি নিয়ে জনমত যাচাইয়ের জন্য ৩০ দিন সময় দেওয়া হয়েছে। চূড়ান্ত অনুমোদনের পর নিয়মটি কার্যকর করার জন্য আরও ৬০ দিন সময় দেওয়ার কথা জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এছাড়া প্রস্তাবিত এই নিয়মটি নিয়ে দ্রুত আইনি চ্যালেঞ্জ আসার আশঙ্কা রয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh