সহ-পাইলটকে ছুরিকাঘাত, ইসরায়েলগামী বিমানের সৌদি আরবে জরুরি অবতরণ
- আপডেট সময় : ০৯:৪৭:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

দুবাই থেকে ইসরায়েলের উদ্দেশে যাত্রা করা ফ্লাইদুবাইয়ের একটি যাত্রীবাহী উড়োজাহাজের ককপিটে সহ-পাইলটকে ছুরিকাঘাতের চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই ঘটনাকে ‘অত্যন্ত গুরুতর’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি এক ভিডিও বিবৃতিতে জানান, আক্রমণকারী পাইলটকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং সৌদি কর্তৃপক্ষ বর্তমানে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।
ঘটনার বিবরণ দিয়ে নেতানিয়াহু বলেন, উড়োজাহাজটি জর্ডানের আকাশসীমায় থাকার সময় ককপিটে দুই পাইলটের মধ্যে মারামারি শুরু হয়। এক পর্যায়ে এক পাইলট অন্যজনকে ছুরিকাঘাত করেন। ধারণা করা হচ্ছে, আক্রমণকারী পাইলট যাত্রীসহ উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত করার চেষ্টা করেছিলেন। ঘটনার সময় বিমানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঘূর্ণিপাকে পড়ে যায়। ওই সময় একজন ইসরায়েলি যাত্রী এবং একজন ক্রু সদস্য ককপিটে প্রবেশ করে আক্রমণকারী পাইলটকে আটকে ফেলতে সক্ষম হন। তিনি উড়োজাহাজের বিভিন্ন ব্যবস্থা অচল করার চেষ্টাও করেছিলেন বলে জানা গেছে। পরবর্তীতে অন্য ফ্লাইট ক্রুরাও ককপিটে প্রবেশ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
উড়োজাহাজটি ছিনতাইয়ের আশঙ্কায় ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ যুদ্ধবিমান পাঠায়। মারামারির সময় বিমানটি মাত্র দুই মিনিটে প্রায় ১৬ হাজার ফুট নিচে নেমে এসেছিল। বিমানবন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের তথ্য অনুযায়ী, ফ্লাইদুবাইয়ের উড়োজাহাজটি বুধবার স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে। বিমানের ক্যাপ্টেন ও কো-পাইলট উভয়ই আহত হয়েছেন এবং তাঁদের হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ এই ঘটনাকে হামলার চেষ্টা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, হামলাকারীর একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত করা। নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং তাঁদের দ্রুত দেশে ফেরানোর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। একই সঙ্গে, ভবিষ্যতে এ ধরনের সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলায় নিরাপত্তা সংস্থাগুলোকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

























