ঢাকা ০৭:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এশিয়ান গেমসে চীনের একক আধিপত্য, ১০০ স্বর্ণপদক জয় চুয়াডাঙ্গায় ৫০টি অসহায় পরিবারের হাতে নতুন ঘরের চাবি হস্তান্তর বিশ্বমানের পর্যটন শিল্প গড়ে তোলা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী শান্তিগঞ্জে হাওর ও নদী রক্ষা কমিটির সভাপতি জিয়াউর, সম্পাদক রেদুয়ান জাজিরায় পুলিশ দেখে কেক ও মোটরসাইকেল ফেলে পালালো আ.লীগ নেতাকর্মীরা এশিয়ান গেমসের কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ মালয়েশিয়া প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইন গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য হুমকি: বক্তারা শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের বিশেষ অনুদান দিচ্ছে সরকার, আবেদনের নিয়ম ১,৪৯৮টি পর্যটন আকর্ষণ নিয়ে জাতীয় মহাপরিকল্পনা করছে সরকার সিলেট চেম্বারের নির্বাচন বাতিল, নতুন প্রশাসক এজাজ আহমদ

সৌদি আরবের পরমাণু অস্ত্র তৈরির সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়নি মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়ন

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১০:৫৩:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



সৌদি আরব পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দেয়নি—যুক্তরাষ্ট্রের একটি গোপন গোয়েন্দা মূল্যায়নে এমন তথ্য উঠে এসেছে। এই স্পর্শকাতর তথ্যটি সামনে আসার পর সৌদি আরবের সঙ্গে ডনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের পরমাণু সহযোগিতা চুক্তি নিয়ে মার্কিন কংগ্রেসে উদ্বেগ তীব্র আকার ধারণ করেছে। শুক্রবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

মার্কিন কর্মকর্তারা সংবাদমাধ্যমটিকে জানিয়েছেন, সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পাদিত এই গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি পর্যালোচনার সময় আইনপ্রণেতাদের যে গোপন নথি দেওয়া হয়েছিল, তার মধ্যেই এই গোয়েন্দা মূল্যায়নটি ছিল। তবে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আলাদাভাবে আরেকটি মূল্যায়ন দিয়েছে। সেখানে সৌদি আরবের দেওয়া আশ্বাস এবং চুক্তিতে থাকা সুরক্ষা ব্যবস্থার ওপর তুলনামূলক বেশি আস্থা প্রকাশ করা হয়েছে বলে অনলাইন আরটি জানিয়েছে।

গত জুলাই মাসে স্বাক্ষরিত তথাকথিত 'সেকশন ১২৩' চুক্তিটি সৌদি আরবের বেসামরিক পরমাণু প্রকল্পে মার্কিন কোম্পানিগুলোর কয়েক হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগের আইনি ভিত্তি তৈরি করেছে। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, এই চুক্তি পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধের মানদণ্ডকে আরও শক্তিশালী করবে। একই সঙ্গে পরমাণু সহযোগিতার জন্য সৌদি আরব যাতে রাশিয়া বা চীনের দিকে ঝুঁকে না পড়ে, সেটিও নিশ্চিত করবে এই চুক্তি।

তবে এই চুক্তিটি সৌদি আরবের জন্য নিজেদের মাটিতে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার একটি সম্ভাব্য পথ তৈরি করেছে। প্রাথমিকভাবে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের মাত্রা ৫ শতাংশের নিচে রাখার কথা থাকলেও, পরবর্তীতে অতিরিক্ত গবেষণা এবং ওয়াশিংটন ও রিয়াদের লিখিত অনুমোদনের পর তা সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে। ২০ শতাংশ পর্যন্ত সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সরাসরি অস্ত্র তৈরির উপযোগী মাত্রার নিচে থাকে। তবে এর ফলে পরবর্তীতে অস্ত্র তৈরির উপযোগী মাত্রায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করতে যে অতিরিক্ত কাজ প্রয়োজন, তা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।

চুক্তির আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো, এতে সৌদি আরবকে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) 'অ্যাডিশনাল প্রটোকল' গ্রহণের বাধ্যবাধকতা দেওয়া হয়নি। এই প্রটোকলের আওতায় পরিদর্শকরা আরও বিস্তৃতভাবে পরমাণু স্থাপনায় প্রবেশ করতে পারেন এবং ঘোষণার বাইরে কোনো পরমাণু কার্যক্রম চলছে কি না, তা শনাক্তের সুযোগ পান। এর পরিবর্তে ওয়াশিংটন ও রিয়াদ পৃথক একটি দ্বিপক্ষীয় সুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করেছে।

এই চুক্তির বিষয়ে এড মার্কি ও জেফ মার্কির নেতৃত্বে একদল ডেমোক্র্যাট সিনেটর পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে সতর্ক করে বলেছেন, এই চুক্তি শেষ পর্যন্ত রিয়াদকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার এবং সম্ভবত পরমাণু অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা এনে দিতে পারে। সিনেটর মার্কি ওয়াশিংটন পোস্টকে বলেন, সৌদি আরব যেভাবে নিজেদের দেশে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার সুযোগ ধরে রাখার ওপর জোর দিচ্ছে, তাতে তাদের পরমাণু কর্মসূচির উদ্দেশ্য পুরোপুরি বেসামরিক কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

তবে ওয়াশিংটন কোনো সামরিক পরমাণু কর্মসূচি এগিয়ে নিতে সহায়তা করছে—এমন ধারণা প্রত্যাখ্যান করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তারা জানিয়েছে, সৌদি পরমাণু অস্ত্র কর্মসূচিকে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থন করে না এবং ভবিষ্যতেও করবে না। অন্যদিকে, সৌদি আরবের জ্বালানিমন্ত্রী আবদুল আজিজ বিন সালমানও জোর দিয়ে বলেছেন, রিয়াদের পরমাণু কর্মসূচি সম্পূর্ণ 'শান্তিপূর্ণ' হবে এবং 'সর্বোচ্চ মাত্রার দায়িত্বশীলতা ও স্বচ্ছতার' সঙ্গে এটি পরিচালিত হবে।

নতুন এই গোয়েন্দা মূল্যায়নটি সৌদি আরবের পরমাণু উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ে দীর্ঘদিনের উদ্বেগকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। বিশেষ করে ২০১৮ সালে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের দেওয়া একটি বক্তব্যকে এটি আবার সামনে এনেছে। সে সময় তিনি বলেছিলেন, ইরান যদি পরমাণু বোমা তৈরি করে, তবে কোনো সন্দেহ নেই যে আমরাও যত দ্রুত সম্ভব একই পথে এগোব।

মার্কিন আইনপ্রণেতারা সৌদি আরবের এই চুক্তির সঙ্গে ২০১৫ সালের ঐতিহাসিক ইরান পরমাণু চুক্তির তুলনা করছেন। ওই চুক্তিতে ১৫ বছরের জন্য ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের মাত্রা ৩.৬৭ শতাংশে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছিল। ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে ওই চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নেন এই যুক্তিতে যে, ইরানকে পরমাণু বোমা তৈরি থেকে বিরত রাখার জন্য চুক্তিটির শর্ত যথেষ্ট কঠোর ছিল না।

সৌদি আরবের সঙ্গে করা পরমাণু চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে গত ২৪শে আগস্ট কংগ্রেসে জমা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে এটি ৯০ দিনের পর্যালোচনার মধ্যে রয়েছে। মার্কিন আইনপ্রণেতারা চাইলে চুক্তিটি আটকে দেওয়ার উদ্যোগ নিতে পারেন। তবে প্রেসিডেন্টের ভেটো অতিক্রম করতে হলে কংগ্রেসের উভয় কক্ষেই দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রয়োজন হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

সৌদি আরবের পরমাণু অস্ত্র তৈরির সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়নি মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়ন

আপডেট সময় : ১০:৫৩:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সৌদি আরব পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দেয়নি—যুক্তরাষ্ট্রের একটি গোপন গোয়েন্দা মূল্যায়নে এমন তথ্য উঠে এসেছে। এই স্পর্শকাতর তথ্যটি সামনে আসার পর সৌদি আরবের সঙ্গে ডনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের পরমাণু সহযোগিতা চুক্তি নিয়ে মার্কিন কংগ্রেসে উদ্বেগ তীব্র আকার ধারণ করেছে। শুক্রবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

মার্কিন কর্মকর্তারা সংবাদমাধ্যমটিকে জানিয়েছেন, সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পাদিত এই গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি পর্যালোচনার সময় আইনপ্রণেতাদের যে গোপন নথি দেওয়া হয়েছিল, তার মধ্যেই এই গোয়েন্দা মূল্যায়নটি ছিল। তবে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আলাদাভাবে আরেকটি মূল্যায়ন দিয়েছে। সেখানে সৌদি আরবের দেওয়া আশ্বাস এবং চুক্তিতে থাকা সুরক্ষা ব্যবস্থার ওপর তুলনামূলক বেশি আস্থা প্রকাশ করা হয়েছে বলে অনলাইন আরটি জানিয়েছে।

গত জুলাই মাসে স্বাক্ষরিত তথাকথিত 'সেকশন ১২৩' চুক্তিটি সৌদি আরবের বেসামরিক পরমাণু প্রকল্পে মার্কিন কোম্পানিগুলোর কয়েক হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগের আইনি ভিত্তি তৈরি করেছে। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, এই চুক্তি পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধের মানদণ্ডকে আরও শক্তিশালী করবে। একই সঙ্গে পরমাণু সহযোগিতার জন্য সৌদি আরব যাতে রাশিয়া বা চীনের দিকে ঝুঁকে না পড়ে, সেটিও নিশ্চিত করবে এই চুক্তি।

তবে এই চুক্তিটি সৌদি আরবের জন্য নিজেদের মাটিতে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার একটি সম্ভাব্য পথ তৈরি করেছে। প্রাথমিকভাবে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের মাত্রা ৫ শতাংশের নিচে রাখার কথা থাকলেও, পরবর্তীতে অতিরিক্ত গবেষণা এবং ওয়াশিংটন ও রিয়াদের লিখিত অনুমোদনের পর তা সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে। ২০ শতাংশ পর্যন্ত সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সরাসরি অস্ত্র তৈরির উপযোগী মাত্রার নিচে থাকে। তবে এর ফলে পরবর্তীতে অস্ত্র তৈরির উপযোগী মাত্রায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করতে যে অতিরিক্ত কাজ প্রয়োজন, তা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।

চুক্তির আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো, এতে সৌদি আরবকে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) 'অ্যাডিশনাল প্রটোকল' গ্রহণের বাধ্যবাধকতা দেওয়া হয়নি। এই প্রটোকলের আওতায় পরিদর্শকরা আরও বিস্তৃতভাবে পরমাণু স্থাপনায় প্রবেশ করতে পারেন এবং ঘোষণার বাইরে কোনো পরমাণু কার্যক্রম চলছে কি না, তা শনাক্তের সুযোগ পান। এর পরিবর্তে ওয়াশিংটন ও রিয়াদ পৃথক একটি দ্বিপক্ষীয় সুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করেছে।

এই চুক্তির বিষয়ে এড মার্কি ও জেফ মার্কির নেতৃত্বে একদল ডেমোক্র্যাট সিনেটর পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে সতর্ক করে বলেছেন, এই চুক্তি শেষ পর্যন্ত রিয়াদকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার এবং সম্ভবত পরমাণু অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা এনে দিতে পারে। সিনেটর মার্কি ওয়াশিংটন পোস্টকে বলেন, সৌদি আরব যেভাবে নিজেদের দেশে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার সুযোগ ধরে রাখার ওপর জোর দিচ্ছে, তাতে তাদের পরমাণু কর্মসূচির উদ্দেশ্য পুরোপুরি বেসামরিক কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

তবে ওয়াশিংটন কোনো সামরিক পরমাণু কর্মসূচি এগিয়ে নিতে সহায়তা করছে—এমন ধারণা প্রত্যাখ্যান করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তারা জানিয়েছে, সৌদি পরমাণু অস্ত্র কর্মসূচিকে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থন করে না এবং ভবিষ্যতেও করবে না। অন্যদিকে, সৌদি আরবের জ্বালানিমন্ত্রী আবদুল আজিজ বিন সালমানও জোর দিয়ে বলেছেন, রিয়াদের পরমাণু কর্মসূচি সম্পূর্ণ 'শান্তিপূর্ণ' হবে এবং 'সর্বোচ্চ মাত্রার দায়িত্বশীলতা ও স্বচ্ছতার' সঙ্গে এটি পরিচালিত হবে।

নতুন এই গোয়েন্দা মূল্যায়নটি সৌদি আরবের পরমাণু উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ে দীর্ঘদিনের উদ্বেগকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। বিশেষ করে ২০১৮ সালে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের দেওয়া একটি বক্তব্যকে এটি আবার সামনে এনেছে। সে সময় তিনি বলেছিলেন, ইরান যদি পরমাণু বোমা তৈরি করে, তবে কোনো সন্দেহ নেই যে আমরাও যত দ্রুত সম্ভব একই পথে এগোব।

মার্কিন আইনপ্রণেতারা সৌদি আরবের এই চুক্তির সঙ্গে ২০১৫ সালের ঐতিহাসিক ইরান পরমাণু চুক্তির তুলনা করছেন। ওই চুক্তিতে ১৫ বছরের জন্য ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের মাত্রা ৩.৬৭ শতাংশে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছিল। ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে ওই চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নেন এই যুক্তিতে যে, ইরানকে পরমাণু বোমা তৈরি থেকে বিরত রাখার জন্য চুক্তিটির শর্ত যথেষ্ট কঠোর ছিল না।

সৌদি আরবের সঙ্গে করা পরমাণু চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে গত ২৪শে আগস্ট কংগ্রেসে জমা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে এটি ৯০ দিনের পর্যালোচনার মধ্যে রয়েছে। মার্কিন আইনপ্রণেতারা চাইলে চুক্তিটি আটকে দেওয়ার উদ্যোগ নিতে পারেন। তবে প্রেসিডেন্টের ভেটো অতিক্রম করতে হলে কংগ্রেসের উভয় কক্ষেই দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রয়োজন হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin