ঢাকা ০৮:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মেসির বিদায়ী ম্যাচের টিকিট বিক্রির নতুন সময়সূচি ঘোষণা নোয়াখালীতে নিম্নমানের সেতু নির্মাণ, দুই প্রকৌশলীর কৈফিয়ত তলব নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে আগাম আলু চাষে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন বরিশালে বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ সাবেক সাত এমপি ও তাদের স্বজনদের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা আপা আর ফিরে আসবে না, খুনিদের ছাড় নেই: তথ্য প্রতিমন্ত্রী বারিধারায় গাড়িচাপা: কিশোর চালক আজান আলী শরীফ অবশেষে গ্রেপ্তার সম্ভাবনা থেকে সংকটে গণঅধিকার পরিষদ: রাজনীতির মাঠে টিকে থাকার লড়াই মাস্টার্স পরীক্ষার আগেই বিচারক হলেন ইবির রাজু আহমেদ শাল্লায় বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় সৌদি আরবকে সামরিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি তুরস্কের

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১০:৫২:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতিদের চলমান হামলার মুখে সৌদি আরবের সামরিক প্রয়োজনে পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছে তুরস্ক। তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান জানিয়েছেন, গত মাসে স্বাক্ষরিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় তুরস্ক ও পাকিস্তান জোটের অপর সদস্য সৌদি আরবকে সাহায্য করতে প্রস্তুত রয়েছে।

তুর্কি সম্প্রচারমাধ্যম এনটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হাকান ফিদান বলেন, সৌদি আরবের আঞ্চলিক অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্বের ওপর মারাত্মক হামলা চালানো হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের চুক্তিতে এক জোটবদ্ধ সমঝোতা রয়েছে। এই ইস্যুতে আমরা দৃঢ় সংহতি প্রকাশ করছি। তাদের কিছু প্রযুক্তিগত বিষয়সহ নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে সামরিক প্রয়োজন থাকতে পারে, যেগুলো পূরণে আমাদের কোনো আপত্তি থাকবে না।’

মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা চালানো হলে তা তিন দেশের ওপরই হামলা হিসেবে গণ্য করা হবে। তবে এই সহায়তা প্রদানের সুনির্দিষ্ট রূপরেখা এখনো বিধি হিসেবে লিপিবদ্ধ করা হয়নি। হাকান ফিদান স্পষ্ট করেছেন যে, এই জোটটি বিদ্যমান অন্য কোনো জোটকে প্রতিস্থাপন করার জন্য নয় এবং এটি অন্যান্য দেশের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।

এদিকে, ইয়েমেনের সবচেয়ে জনবহুল অঞ্চল নিয়ন্ত্রণকারী হুতিরা জুলাই মাসে রিয়াদের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ ঘোষণার পর থেকেই সৌদি আরবে হামলা বাড়িয়ে দিয়েছে। এসব হামলায় সৌদি শহর, জ্বালানি অবকাঠামো ও জাহাজগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে, যা লোহিত সাগর রুটসহ বৈশ্বিক তেল সরবরাহকে হুমকির মুখে ফেলেছে। শনিবারও হুতিরা রিয়াদের ‘সংবেদনশীল’ স্থানগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দাবি করেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুতিদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সৌদি আরবের সামরিক সহায়তার আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছেন। হাকান ফিদান এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘সৌদি আরব এই সংঘাতের অংশ হতে না চাওয়া সত্ত্বেও তাদের যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের অন্তর্ভুক্ত করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’ তিনি আরও জানান, যুদ্ধ অবসানের জন্য সব পক্ষকে নতুন প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

অন্যদিকে, মক্কা চুক্তির অংশীদার পাকিস্তান জানিয়েছে যে, সৌদি আরবে হুতিদের হামলার জবাবে এখন পর্যন্ত কোনো সামরিক পদক্ষেপের বিষয়ে আলোচনা হয়নি। তবে ইসলামাবাদ জানিয়েছে, সময় এলে তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় সৌদি আরবকে সামরিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি তুরস্কের

আপডেট সময় : ১০:৫২:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতিদের চলমান হামলার মুখে সৌদি আরবের সামরিক প্রয়োজনে পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছে তুরস্ক। তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান জানিয়েছেন, গত মাসে স্বাক্ষরিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় তুরস্ক ও পাকিস্তান জোটের অপর সদস্য সৌদি আরবকে সাহায্য করতে প্রস্তুত রয়েছে।

তুর্কি সম্প্রচারমাধ্যম এনটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হাকান ফিদান বলেন, সৌদি আরবের আঞ্চলিক অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্বের ওপর মারাত্মক হামলা চালানো হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের চুক্তিতে এক জোটবদ্ধ সমঝোতা রয়েছে। এই ইস্যুতে আমরা দৃঢ় সংহতি প্রকাশ করছি। তাদের কিছু প্রযুক্তিগত বিষয়সহ নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে সামরিক প্রয়োজন থাকতে পারে, যেগুলো পূরণে আমাদের কোনো আপত্তি থাকবে না।’

মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা চালানো হলে তা তিন দেশের ওপরই হামলা হিসেবে গণ্য করা হবে। তবে এই সহায়তা প্রদানের সুনির্দিষ্ট রূপরেখা এখনো বিধি হিসেবে লিপিবদ্ধ করা হয়নি। হাকান ফিদান স্পষ্ট করেছেন যে, এই জোটটি বিদ্যমান অন্য কোনো জোটকে প্রতিস্থাপন করার জন্য নয় এবং এটি অন্যান্য দেশের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।

এদিকে, ইয়েমেনের সবচেয়ে জনবহুল অঞ্চল নিয়ন্ত্রণকারী হুতিরা জুলাই মাসে রিয়াদের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ ঘোষণার পর থেকেই সৌদি আরবে হামলা বাড়িয়ে দিয়েছে। এসব হামলায় সৌদি শহর, জ্বালানি অবকাঠামো ও জাহাজগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে, যা লোহিত সাগর রুটসহ বৈশ্বিক তেল সরবরাহকে হুমকির মুখে ফেলেছে। শনিবারও হুতিরা রিয়াদের ‘সংবেদনশীল’ স্থানগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দাবি করেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুতিদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সৌদি আরবের সামরিক সহায়তার আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছেন। হাকান ফিদান এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘সৌদি আরব এই সংঘাতের অংশ হতে না চাওয়া সত্ত্বেও তাদের যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের অন্তর্ভুক্ত করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’ তিনি আরও জানান, যুদ্ধ অবসানের জন্য সব পক্ষকে নতুন প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

অন্যদিকে, মক্কা চুক্তির অংশীদার পাকিস্তান জানিয়েছে যে, সৌদি আরবে হুতিদের হামলার জবাবে এখন পর্যন্ত কোনো সামরিক পদক্ষেপের বিষয়ে আলোচনা হয়নি। তবে ইসলামাবাদ জানিয়েছে, সময় এলে তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh