ঢাকা ০৭:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মেসির বিদায়ী ম্যাচের টিকিট বিক্রির নতুন সময়সূচি ঘোষণা নোয়াখালীতে নিম্নমানের সেতু নির্মাণ, দুই প্রকৌশলীর কৈফিয়ত তলব নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে আগাম আলু চাষে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন বরিশালে বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ সাবেক সাত এমপি ও তাদের স্বজনদের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা আপা আর ফিরে আসবে না, খুনিদের ছাড় নেই: তথ্য প্রতিমন্ত্রী বারিধারায় গাড়িচাপা: কিশোর চালক আজান আলী শরীফ অবশেষে গ্রেপ্তার সম্ভাবনা থেকে সংকটে গণঅধিকার পরিষদ: রাজনীতির মাঠে টিকে থাকার লড়াই মাস্টার্স পরীক্ষার আগেই বিচারক হলেন ইবির রাজু আহমেদ শাল্লায় বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

বিদেশি ড্রোনে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করল ট্রাম্প প্রশাসন

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৭:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



চীনের ড্রোন শিল্পকে প্রতিহত করা এবং যুক্তরাষ্ট্রে দেশীয় ড্রোন উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে বিদেশি ড্রোনের ওপর ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) থেকে কার্যকর হওয়া এই নতুন নীতি অনুযায়ী, ৫৫ পাউন্ড বা প্রায় ২৫ কেজির বেশি ওজনের এবং থার্মাল ইমেজিং প্রযুক্তি ব্যবহারকারী ড্রোনগুলোর ক্ষেত্রে ১০০ শতাংশ শুল্ক প্রযোজ্য হবে। এছাড়া তুলনামূলক ছোট ড্রোনের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক নির্ধারণ করা হয়েছে, যার একটি বড় অংশ চীনে তৈরি হয়।

এর আগে বাণিজ্য বিভাগের এক তদন্তে বিদেশি ড্রোন ও যন্ত্রাংশের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতাকে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, ড্রোন প্রযুক্তির ক্ষেত্রে চীনের ওপর আমেরিকার নির্ভরতা অবশ্যই কাটাতে হবে। বিশ্বের ৭০ শতাংশেরও বেশি বাণিজ্যিক ড্রোন চীনের শেনজেনভিত্তিক ‘ডিজেআই’ কোম্পানি তৈরি করে থাকে।

তবে এই পদক্ষেপের সমালোচনা করেছেন অনেকে। ক্লিভল্যান্ডের ‘লেক কাউন্টি ড্রোন ইউনিট’-এর প্রধান স্কট ম্লাকার বলেন, এটি জাতীয় নিরাপত্তা নয়, বরং এক ধরনের সংরক্ষণবাদ। তিনি জানান, পুলিশ ও ফায়ার ফাইটাররা রাতে নিখোঁজ শিশু বা অপরাধীদের সন্ধানে থার্মাল ড্রোন ব্যবহার করেন। এই শুল্কের ফলে সামাজিক গোষ্ঠীগুলোর কাছে ড্রোন প্রযুক্তি নাগালের বাইরে চলে যাবে এবং মার্কিন প্রস্তুতকারকদের লবিংয়ের কারণেই মূলত এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রশাসনের এই নীতি মিত্র দেশগুলোর ক্ষেত্রেও কিছুটা প্রভাব ফেলছে। যদিও মিত্র দেশগুলোতে তৈরি ড্রোনে কিছুটা ছাড় দেওয়া হয়েছে, তবুও তারা পুরোপুরি রেহাই পাচ্ছে না। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, সুইজারল্যান্ড এবং তাইওয়ানে উৎপাদিত ড্রোনের ওপর ১৫ শতাংশ এবং ব্রিটেনে তৈরি ড্রোনের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক ধার্য করা হয়েছে।

এদিকে ফেডারেল কমিউনিকেশনস কমিশন (এফসিসি) থার্মাল ইমেজিং ও এরোসল স্প্রে করার মতো সাধারণ প্রযুক্তি ব্যবহার করা ড্রোনগুলোকে ‘সামরিক গ্রেড’ হিসেবে পুনর্শ্রেণিভুক্ত করার প্রস্তাব করেছে। শিল্প বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি কার্যকর হলে হাজার হাজার মার্কিন ব্যবসা ও জননিরাপত্তা কর্মকর্তাদের ব্যবহৃত ড্রোনের ওপর কার্যত একটি পেছনের তারিখ থেকে নিষেধাজ্ঞা বা রেট্রোঅ্যাক্টিভ ব্যান আরোপের শামিল হবে। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জ্যেষ্ঠ দুই ছেলেরও যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন শিল্পের সঙ্গে ব্যবসায়িক যোগাযোগ রয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

বিদেশি ড্রোনে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করল ট্রাম্প প্রশাসন

আপডেট সময় : ০৮:৫৭:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চীনের ড্রোন শিল্পকে প্রতিহত করা এবং যুক্তরাষ্ট্রে দেশীয় ড্রোন উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে বিদেশি ড্রোনের ওপর ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) থেকে কার্যকর হওয়া এই নতুন নীতি অনুযায়ী, ৫৫ পাউন্ড বা প্রায় ২৫ কেজির বেশি ওজনের এবং থার্মাল ইমেজিং প্রযুক্তি ব্যবহারকারী ড্রোনগুলোর ক্ষেত্রে ১০০ শতাংশ শুল্ক প্রযোজ্য হবে। এছাড়া তুলনামূলক ছোট ড্রোনের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক নির্ধারণ করা হয়েছে, যার একটি বড় অংশ চীনে তৈরি হয়।

এর আগে বাণিজ্য বিভাগের এক তদন্তে বিদেশি ড্রোন ও যন্ত্রাংশের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতাকে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, ড্রোন প্রযুক্তির ক্ষেত্রে চীনের ওপর আমেরিকার নির্ভরতা অবশ্যই কাটাতে হবে। বিশ্বের ৭০ শতাংশেরও বেশি বাণিজ্যিক ড্রোন চীনের শেনজেনভিত্তিক ‘ডিজেআই’ কোম্পানি তৈরি করে থাকে।

তবে এই পদক্ষেপের সমালোচনা করেছেন অনেকে। ক্লিভল্যান্ডের ‘লেক কাউন্টি ড্রোন ইউনিট’-এর প্রধান স্কট ম্লাকার বলেন, এটি জাতীয় নিরাপত্তা নয়, বরং এক ধরনের সংরক্ষণবাদ। তিনি জানান, পুলিশ ও ফায়ার ফাইটাররা রাতে নিখোঁজ শিশু বা অপরাধীদের সন্ধানে থার্মাল ড্রোন ব্যবহার করেন। এই শুল্কের ফলে সামাজিক গোষ্ঠীগুলোর কাছে ড্রোন প্রযুক্তি নাগালের বাইরে চলে যাবে এবং মার্কিন প্রস্তুতকারকদের লবিংয়ের কারণেই মূলত এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রশাসনের এই নীতি মিত্র দেশগুলোর ক্ষেত্রেও কিছুটা প্রভাব ফেলছে। যদিও মিত্র দেশগুলোতে তৈরি ড্রোনে কিছুটা ছাড় দেওয়া হয়েছে, তবুও তারা পুরোপুরি রেহাই পাচ্ছে না। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, সুইজারল্যান্ড এবং তাইওয়ানে উৎপাদিত ড্রোনের ওপর ১৫ শতাংশ এবং ব্রিটেনে তৈরি ড্রোনের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক ধার্য করা হয়েছে।

এদিকে ফেডারেল কমিউনিকেশনস কমিশন (এফসিসি) থার্মাল ইমেজিং ও এরোসল স্প্রে করার মতো সাধারণ প্রযুক্তি ব্যবহার করা ড্রোনগুলোকে ‘সামরিক গ্রেড’ হিসেবে পুনর্শ্রেণিভুক্ত করার প্রস্তাব করেছে। শিল্প বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি কার্যকর হলে হাজার হাজার মার্কিন ব্যবসা ও জননিরাপত্তা কর্মকর্তাদের ব্যবহৃত ড্রোনের ওপর কার্যত একটি পেছনের তারিখ থেকে নিষেধাজ্ঞা বা রেট্রোঅ্যাক্টিভ ব্যান আরোপের শামিল হবে। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জ্যেষ্ঠ দুই ছেলেরও যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন শিল্পের সঙ্গে ব্যবসায়িক যোগাযোগ রয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh