ঢাকা ০৭:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসে সহযোগিতা, হুঁশিয়ারি ইরানের জীবিত থাকতেই নিজের চল্লিশার আয়োজন, দাওয়াত ৬ হাজার মানুষকে নেপালে আকস্মিক বন্যায় ৩২০ ভারতীয় নাগরিক নিখোঁজ আবাসন সংকটে ২০তম এশিয়ান গেমস, বিপাকে আয়োজক জাপান নারীদের স্বাবলম্বী করতে পারলে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ বদলাবে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী কুষ্টিয়ায় পদ্মা নদীতে ফুটবল খেলতে গিয়ে মাদ্রাসাছাত্র নিখোঁজ বীরগঞ্জে বিপুল সার জব্দ, ম্যানেজারকে ৩ মাসের কারাদণ্ড চেলসিতে যোগ দিচ্ছেন বিশ্বকাপজয়ী গোলকিপার এমিলিয়ানো মার্তিনেজ আগামী সোমবার মন্ত্রিসভায় উঠতে পারে নতুন পে-স্কেল খুলনায় বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে সচেতনতার আহ্বান

ফারাক্কার সব গেট খুলে দিতে শুভেন্দুকে বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর ফোন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৫৭:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভারতের বিহার রাজ্যে গঙ্গার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ফারাক্কা ব্যারাজের সব গেট খুলে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী। এই জরুরি অনুরোধ জানাতে তিনি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ফোন করেছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া একটি পোস্টে সম্রাট চৌধুরী জানান, বিহারের বন্যা পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে তিনি শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে কথা বলেছেন এবং ব্যারাজের সব গেট খুলে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন। তার দাবি, গেটগুলো খুলে দিলে গঙ্গার পানির প্রবাহ বাড়বে, যা বিহারের বর্তমান বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করবে। সম্রাট চৌধুরী আরও জানান, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, বিহারের নিরাপত্তা আমাদের কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।

এদিকে, এই ইস্যুটির পাশাপাশি ১৯৯৬ সালের ভারত-বাংলাদেশ গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির বিষয়টিও সামনে এনেছেন বিহারের জনতা দল-ইউনাইটেডের (জেডিইউ) সংসদ সদস্য সঞ্জয় ঝা। তিনি চুক্তিটি নবায়নের ক্ষেত্রে বিহারের স্বার্থ বিবেচনায় নেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

সঞ্জয় ঝা বলেন, আগামী ডিসেম্বরে ১৯৯৬ সালের ওই চুক্তির ৩০ বছর পূর্ণ হতে যাচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, সেই সময়ে চুক্তিটি করার সময় বিহারের স্বার্থ উপেক্ষা করা হয়েছিল। তাই বর্তমান প্রেক্ষাপটে বিহারের স্বার্থ রক্ষা না করে চুক্তি নবায়ন করা উচিত নয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।

ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৫৪টি অভিন্ন নদী রয়েছে। ১৯৯৬ সালের চুক্তির মাধ্যমে শুষ্ক মৌসুমে ফারাক্কা ব্যারাজে পানি বণ্টনের বিষয়টি নির্ধারিত হয়। তবে তিস্তা নদীর পানি বণ্টন নিয়ে দীর্ঘদিনের আলোচনা চললেও এখন পর্যন্ত কোনো সমাধান আসেনি। ২০১১ সালে তিস্তার পানির ৪২ দশমিক ৫ শতাংশ ভারত এবং ৩৭ দশমিক ৫ শতাংশ বাংলাদেশকে দেওয়ার একটি প্রস্তাব আনা হয়েছিল, কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের বিরোধিতার কারণে তা বাস্তবায়িত হয়নি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

ফারাক্কার সব গেট খুলে দিতে শুভেন্দুকে বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর ফোন

আপডেট সময় : ১২:৫৭:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

ভারতের বিহার রাজ্যে গঙ্গার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ফারাক্কা ব্যারাজের সব গেট খুলে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী। এই জরুরি অনুরোধ জানাতে তিনি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ফোন করেছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া একটি পোস্টে সম্রাট চৌধুরী জানান, বিহারের বন্যা পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে তিনি শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে কথা বলেছেন এবং ব্যারাজের সব গেট খুলে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন। তার দাবি, গেটগুলো খুলে দিলে গঙ্গার পানির প্রবাহ বাড়বে, যা বিহারের বর্তমান বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করবে। সম্রাট চৌধুরী আরও জানান, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, বিহারের নিরাপত্তা আমাদের কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।

এদিকে, এই ইস্যুটির পাশাপাশি ১৯৯৬ সালের ভারত-বাংলাদেশ গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির বিষয়টিও সামনে এনেছেন বিহারের জনতা দল-ইউনাইটেডের (জেডিইউ) সংসদ সদস্য সঞ্জয় ঝা। তিনি চুক্তিটি নবায়নের ক্ষেত্রে বিহারের স্বার্থ বিবেচনায় নেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

সঞ্জয় ঝা বলেন, আগামী ডিসেম্বরে ১৯৯৬ সালের ওই চুক্তির ৩০ বছর পূর্ণ হতে যাচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, সেই সময়ে চুক্তিটি করার সময় বিহারের স্বার্থ উপেক্ষা করা হয়েছিল। তাই বর্তমান প্রেক্ষাপটে বিহারের স্বার্থ রক্ষা না করে চুক্তি নবায়ন করা উচিত নয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।

ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৫৪টি অভিন্ন নদী রয়েছে। ১৯৯৬ সালের চুক্তির মাধ্যমে শুষ্ক মৌসুমে ফারাক্কা ব্যারাজে পানি বণ্টনের বিষয়টি নির্ধারিত হয়। তবে তিস্তা নদীর পানি বণ্টন নিয়ে দীর্ঘদিনের আলোচনা চললেও এখন পর্যন্ত কোনো সমাধান আসেনি। ২০১১ সালে তিস্তার পানির ৪২ দশমিক ৫ শতাংশ ভারত এবং ৩৭ দশমিক ৫ শতাংশ বাংলাদেশকে দেওয়ার একটি প্রস্তাব আনা হয়েছিল, কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের বিরোধিতার কারণে তা বাস্তবায়িত হয়নি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh