ঢাকা ০৩:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাবেক এসবি প্রধান মনিরুল ও পরিবারের ৮৩ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের ২০২৭ সালের সভাপতি হচ্ছে পাকিস্তান অস্তিত্বের সংকটে সিরাজগঞ্জের ঐতিহাসিক বারুহাস ইমামবাড়ি ও তিন গম্বুজ মসজিদ গুলশানে অবৈধ মদের কারবার, ২৪৪ লিটার মদ ও বিয়ারসহ আটক ১ কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী যৌথ অভিযানে আটক ৫১৯ মাদারীপুরের শিবচরে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বিএনপি নেতা নিহত রাজধানীর ছয় রুটে একক কোম্পানির বাস চালুর সিদ্ধান্ত নেত্রকোনায় দুর্বৃত্তের গুলিতে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান নিহত রিয়াদের কিং খালিদ বিমানবন্দরে হুতিদের ২০ হামলায় নিহত ১৭ যুক্তরাষ্ট্রে স্কুলে বন্দুকধারীর হামলা, নিহত ৩ শিশু ও শিক্ষক

ইউক্রেনে বেসামরিক প্রাণহানি বাড়ছে, গভীর উদ্বেগ প্রকাশ জাতিসংঘের

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৬:০৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬ ১৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইউক্রেন যুদ্ধে গত জুলাই মাসে বেসামরিক নাগরিক হতাহতের সংখ্যা আগের মাসের তুলনায় প্রায় ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা মে ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। জাতিসংঘের মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুলাই মাসে অন্তত ৪৩৭ জন বেসামরিক লোক প্রাণ হারিয়েছেন এবং ২ হাজার ৬১০ জন আহত হয়েছেন। এই সংখ্যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৭০ শতাংশ বেশি।

জাতিসংঘের মতে, দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন এবং গাইডেড গ্লাইড বোমার সাহায্যে যুদ্ধক্ষেত্রের বহু দূরের শহরগুলোতে রাশিয়ার তীব্র হামলার কারণেই এই বিপর্যয় ঘটেছে। দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের আঘাতই এসব মৃত্যুর প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এছাড়া ফ্রন্টলাইনের কাছাকাছি শহরগুলোতে ক্ষুদ্র ড্রোনের মাধ্যমে বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলা চালানো হচ্ছে, যাকে স্থানীয়রা শিকার হিসেবে আখ্যায়িত করছেন।

সবচেয়ে বেশি ৫৪ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন রাজধানী কিয়েভে। এর পরপরই রয়েছে খারসন ও জাপোরিজিয়া। নিহতদের মধ্যে ১৭ জন শিশু রয়েছে, যা এপ্রিল ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে চার বছরেরও বেশি সময়ে মোট ১৬,০০০-এর বেশি বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন, যার অধিকাংশ ইউক্রেনীয়।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি যুক্তরাষ্ট্রের কাছে জরুরি সহায়তার আকুতি জানিয়েছেন। তিনি বিশেষ করে দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধে পেট্রিয়েট ব্যবস্থার ঘাটতির কথা উল্লেখ করেছেন।

এদিকে কৃষ্ণসাগরে বাণিজ্য জাহাজে হামলা বন্ধ ও সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি নিয়ে তুরস্কের মধ্যস্থতার গুঞ্জন উঠলেও তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে মস্কো। রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাকারোভা ইউক্রেনের বিরুদ্ধে সমুদ্রপথে ‘সন্ত্রাসী কার্যকলাপের’ অভিযোগ এনেছেন। তিনি বলেন, এ ধরনের ‘অর্ধেক পদক্ষেপ বা সাময়িক বিরতি’ কিয়েভকে কেবল পুনর্গঠনের সুযোগ দেবে, যার কোনো ভিত্তি রাশিয়ার কাছে নেই। এছাড়া ২০২২-২৩ সালের বাতিল হওয়া কৃষ্ণসাগর শস্য চুক্তিতে ফিরে যাওয়ার সম্ভাবনাও তিনি খারিজ করে দিয়েছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Amader Shomoy

নিউজটি শেয়ার করুন

ইউক্রেনে বেসামরিক প্রাণহানি বাড়ছে, গভীর উদ্বেগ প্রকাশ জাতিসংঘের

আপডেট সময় : ০৬:০৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬

ইউক্রেন যুদ্ধে গত জুলাই মাসে বেসামরিক নাগরিক হতাহতের সংখ্যা আগের মাসের তুলনায় প্রায় ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা মে ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। জাতিসংঘের মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুলাই মাসে অন্তত ৪৩৭ জন বেসামরিক লোক প্রাণ হারিয়েছেন এবং ২ হাজার ৬১০ জন আহত হয়েছেন। এই সংখ্যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৭০ শতাংশ বেশি।

জাতিসংঘের মতে, দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন এবং গাইডেড গ্লাইড বোমার সাহায্যে যুদ্ধক্ষেত্রের বহু দূরের শহরগুলোতে রাশিয়ার তীব্র হামলার কারণেই এই বিপর্যয় ঘটেছে। দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের আঘাতই এসব মৃত্যুর প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এছাড়া ফ্রন্টলাইনের কাছাকাছি শহরগুলোতে ক্ষুদ্র ড্রোনের মাধ্যমে বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলা চালানো হচ্ছে, যাকে স্থানীয়রা শিকার হিসেবে আখ্যায়িত করছেন।

সবচেয়ে বেশি ৫৪ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন রাজধানী কিয়েভে। এর পরপরই রয়েছে খারসন ও জাপোরিজিয়া। নিহতদের মধ্যে ১৭ জন শিশু রয়েছে, যা এপ্রিল ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে চার বছরেরও বেশি সময়ে মোট ১৬,০০০-এর বেশি বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন, যার অধিকাংশ ইউক্রেনীয়।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি যুক্তরাষ্ট্রের কাছে জরুরি সহায়তার আকুতি জানিয়েছেন। তিনি বিশেষ করে দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধে পেট্রিয়েট ব্যবস্থার ঘাটতির কথা উল্লেখ করেছেন।

এদিকে কৃষ্ণসাগরে বাণিজ্য জাহাজে হামলা বন্ধ ও সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি নিয়ে তুরস্কের মধ্যস্থতার গুঞ্জন উঠলেও তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে মস্কো। রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাকারোভা ইউক্রেনের বিরুদ্ধে সমুদ্রপথে ‘সন্ত্রাসী কার্যকলাপের’ অভিযোগ এনেছেন। তিনি বলেন, এ ধরনের ‘অর্ধেক পদক্ষেপ বা সাময়িক বিরতি’ কিয়েভকে কেবল পুনর্গঠনের সুযোগ দেবে, যার কোনো ভিত্তি রাশিয়ার কাছে নেই। এছাড়া ২০২২-২৩ সালের বাতিল হওয়া কৃষ্ণসাগর শস্য চুক্তিতে ফিরে যাওয়ার সম্ভাবনাও তিনি খারিজ করে দিয়েছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Amader Shomoy