ঢাকা ০৭:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ওষুধের দাম সাধারণের নাগালে রাখতে উৎপাদন ব্যয় কমানোর তাগিদ ইউজিসি চেয়ারম্যানের শিক্ষার মানোন্নয়নে ওবিই কারিকুলামের সঠিক বাস্তবায়ন জরুরি: বাউবি উপাচার্য পুরস্কার উৎসর্গ করে রাফীকে মঞ্চে ডাকলেন তমা মির্জা জুয়া খেলার ভিডিও ভাইরাল, সমালোচনায় বুড়িচং বিএনপি নেতা লা লিগায় গেতাফেকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিল বার্সেলোনা গর্ডনের দ্রুততম গোল ও জেসুস-কুন্দের নৈপুণ্যে বার্সেলোনার টানা অষ্টম জয় চাটমোহরে ৩ উপজেলার সাংবাদিকদের সঙ্গে সংরক্ষিত এমপি রুমার মতবিনিময় জরুরি ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিতে জাতীয় রোডম্যাপ ও বাফার স্টক করছে সরকার আর্সেনাল-চেলসির দাপুটে জয়, হোঁচট খেল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ১৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে যুব উন্নয়নের স্থগিত নিয়োগ পরীক্ষা

ইরানের ওপর মার্কিন বিমান হামলা কেন হঠাৎ বন্ধ করল যুক্তরাষ্ট্র?

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৯:১৭:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬ ৩৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে টানা দুই সপ্তাহ ধরে চলা বিমান হামলার ধারায় হঠাৎ করেই ছন্দপতন ঘটেছে। গত শুক্রবার (২৪ জুলাই) হরমুজ প্রণালিতে তীব্র বোমাবর্ষণের পর যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর বিমান হামলা পরিচালনা বন্ধ করে দেয়। ওয়াশিংটন নতুন করে কোনো আক্রমণ না চালানোয়, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও অবকাঠামো লক্ষ্য করে তেহরানের প্রতিশোধমূলক হামলাও বর্তমানে বন্ধ রয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অস্ত্র সংকট কিংবা গোলাবারুদ কমে যাওয়ার খবর সরাসরি অস্বীকার করেছেন। তবে মার্কিন গণমাধ্যমে উঠে এসেছে যে, দেশটির বিমান প্রতিরক্ষার ইন্টারসেপ্টর বা প্রতিহতকারী অস্ত্রের মজুদ ফুরিয়ে আসার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে, ক্রমবর্ধমান এই পরিস্থিতির মুখে উভয় পক্ষকেই কূটনীতিকে নতুন সুযোগ দেওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক চাপ দেওয়া হচ্ছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি এখনো সংবেদনশীল অবস্থায় রয়েছে। সেখানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা অমান্য করে কয়েকটি জাহাজ প্রবেশের চেষ্টা করলে একটি জাহাজ দুর্ঘটনার শিকার হয় এবং বাকিগুলো ইরানি কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনায় উপসাগরে ফিরে আসে। তবে বাহরাইন, কুয়েত ও জর্ডানে থাকা মার্কিন সামরিক সম্পদ ও অবকাঠামোয় ইরানের তরফ থেকে কোনো পাল্টা হামলা এখন আর দেখা যাচ্ছে না।

যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ-অবরোধ কার্যকর থাকার কথা বললেও, কেন হঠাৎ করে আক্রমণ বন্ধ করা হলো তার কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দেয়নি। এদিকে উপসাগরীয় দেশগুলোর অর্থনীতি এই সংঘাতে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। সামরিক শক্তি দিয়ে একে অপরকে পুরোপুরি দমাতে ব্যর্থ হওয়ায়, উভয় পক্ষই এখন উচ্চ ব্যয়ের মুখে আলোচনা ও কূটনীতির পথ বেছে নেওয়ার তাগিদ অনুভব করছে। বর্তমানে কাতার, মিশর ও পাকিস্তানের মতো আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকারীরা ১০ দিনের একটি যুদ্ধবিরতির নতুন প্রস্তাব নিয়ে কাজ করছেন এবং বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদান চলছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরানের ওপর মার্কিন বিমান হামলা কেন হঠাৎ বন্ধ করল যুক্তরাষ্ট্র?

আপডেট সময় : ০৯:১৭:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে টানা দুই সপ্তাহ ধরে চলা বিমান হামলার ধারায় হঠাৎ করেই ছন্দপতন ঘটেছে। গত শুক্রবার (২৪ জুলাই) হরমুজ প্রণালিতে তীব্র বোমাবর্ষণের পর যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর বিমান হামলা পরিচালনা বন্ধ করে দেয়। ওয়াশিংটন নতুন করে কোনো আক্রমণ না চালানোয়, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও অবকাঠামো লক্ষ্য করে তেহরানের প্রতিশোধমূলক হামলাও বর্তমানে বন্ধ রয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অস্ত্র সংকট কিংবা গোলাবারুদ কমে যাওয়ার খবর সরাসরি অস্বীকার করেছেন। তবে মার্কিন গণমাধ্যমে উঠে এসেছে যে, দেশটির বিমান প্রতিরক্ষার ইন্টারসেপ্টর বা প্রতিহতকারী অস্ত্রের মজুদ ফুরিয়ে আসার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে, ক্রমবর্ধমান এই পরিস্থিতির মুখে উভয় পক্ষকেই কূটনীতিকে নতুন সুযোগ দেওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক চাপ দেওয়া হচ্ছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি এখনো সংবেদনশীল অবস্থায় রয়েছে। সেখানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা অমান্য করে কয়েকটি জাহাজ প্রবেশের চেষ্টা করলে একটি জাহাজ দুর্ঘটনার শিকার হয় এবং বাকিগুলো ইরানি কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনায় উপসাগরে ফিরে আসে। তবে বাহরাইন, কুয়েত ও জর্ডানে থাকা মার্কিন সামরিক সম্পদ ও অবকাঠামোয় ইরানের তরফ থেকে কোনো পাল্টা হামলা এখন আর দেখা যাচ্ছে না।

যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ-অবরোধ কার্যকর থাকার কথা বললেও, কেন হঠাৎ করে আক্রমণ বন্ধ করা হলো তার কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দেয়নি। এদিকে উপসাগরীয় দেশগুলোর অর্থনীতি এই সংঘাতে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। সামরিক শক্তি দিয়ে একে অপরকে পুরোপুরি দমাতে ব্যর্থ হওয়ায়, উভয় পক্ষই এখন উচ্চ ব্যয়ের মুখে আলোচনা ও কূটনীতির পথ বেছে নেওয়ার তাগিদ অনুভব করছে। বর্তমানে কাতার, মিশর ও পাকিস্তানের মতো আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকারীরা ১০ দিনের একটি যুদ্ধবিরতির নতুন প্রস্তাব নিয়ে কাজ করছেন এবং বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদান চলছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor