বাঁশখালী ও পেকুয়ায় বন্যাদুর্গতদের পাশে মাইজভাণ্ডারী ট্রাস্ট

- আপডেট সময় : ০৮:৫২:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত বাঁশখালী ও পেকুয়া উপজেলার ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে হযরত সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী ট্রাস্ট। ট্রাস্টের ম্যানেজিং ট্রাস্টি ও চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি)-এর চেয়ারম্যান হযরত শাহ সুফি সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারীর আর্থিক সহায়তা ও নির্দেশনায় এই ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
সোমবার (২৭ জুলাই) দিনব্যাপী এই কার্যক্রমে খানখানাবাদ মাদ্রাসা থেকে শুরু করে পার্শ্ববর্তী দুইটি ইউনিয়ন এবং ষাট গড়তলা ও মিনজিরি পাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ঘর পুনর্নির্মাণের জন্য ঢেউটিন ও নির্মাণসামগ্রী প্রদান করা হয়। পাশাপাশি এসব পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে ট্রাস্টের মহাসচিব, চট্টগ্রাম কর আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও বিএসপি কো-চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট কাজী মহসিন চৌধুরী বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় দায়িত্ব। তিনি বলেন, মানবসেবাই সর্বোত্তম ইবাদত। তিনি সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, শিল্পপ্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকে বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে দুর্গত এলাকায় বিশুদ্ধ পানি, জরুরি চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ নিশ্চিত করতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও চিকিৎসকদের সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি। তার মতে, সময়োপযোগী চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা গেলে বন্যা-পরবর্তী রোগব্যাধির ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।
অনুষ্ঠানে ট্রাস্টের পরিচালনা পরিষদের সদস্য কাজী মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, আনজুমানে রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভাণ্ডারীয়ার চট্টগ্রাম জেলা ও মহানগর আহ্বায়ক খলিফা আহমদ উল্লাহ কুদ্দুস, বিএসপি চট্টগ্রাম জেলা সাধারণ সম্পাদক মো. জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া, শাহজাদা মিজানুর রহমান সানজরী, পাবেল মাহমুদ, নূর মোহাম্মদ, ইউপি সদস্য লিয়াকত আলী, হাফেজ মো. কেরামত আলীসহ ট্রাস্ট ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয়রা এই মানবিক উদ্যোগের প্রশংসা করে জানান, দুর্যোগ-পরবর্তী পুনর্বাসনে এই সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সোমবার (২৭ জুলাই) -২০২৬, দিনব্যাপী ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ঘর পুনর্নির্মাণের জন্য ঢেউটিন, নির্মাণসামগ্রী, নগদ অর্থ ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।



























