ইসলামি বক্তা মিছবাহর ‘১০ নম্বর স্ত্রী’ হতে চান টিকটকার অ্যাথিনা মীম
- আপডেট সময় : ০৬:৫২:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে

ইসলামি বক্তা মাওলানা হাবিবুর রহমান মিছবাহর ‘১০ নম্বর স্ত্রী’ হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়েছেন আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর অ্যাথিনা তাবাসসুম মীম। গত শনিবার (২২ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া তার এই পোস্টটি মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায়।
ফেসবুক পোস্টে মীম লিখেছেন, ‘আমি কি ১০ নম্বর বউ হতে পারি? জীবনে বহু টিকটক করেছি, এখন আপনাকে বিয়ে করে যদি জান্নাতে যেতে পারি। জান্নাতে যাওয়ার সুযোগটা করে দেন প্লিজ।’ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ওই পোস্টে ১ হাজার ৬০০-এর বেশি প্রতিক্রিয়া এবং ৪০৯টি মন্তব্য জমা পড়েছে। এছাড়া পোস্টটি শেয়ার হয়েছে ২২ বার।
মীমের এই পোস্টে নেটিজেনদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। এইচ এম আনাস আব্দুল্লাহ নামে একজন মন্তব্য করেছেন, ‘টিকটক করলে কি জাহান্নামি নাকি?’ অন্যদিকে রাব্বি হাসান নামের আরেকজন লিখেছেন, ‘আপনি এত দুষ্টু কেন?’ এছাড়া আরও অনেকেই নানা ধরনের মন্তব্য করেছেন।
এদিকে টিকটকার মীমের এই পোস্টের পর ৩১৩ প্রোপার্টিজের চেয়ারম্যান ও ইসলামি বক্তা হাবিবুর রহমান মিছবাহর ব্যক্তিগত জীবন ও একাধিক বিয়ের বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। সম্প্রতি যৌতুক দাবির অভিযোগে তার বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গত ২০ আগস্ট মিছবাহর বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের যৌতুক নিরোধ আইনের ৩ ধারায় মামলাটি করেন তার পঞ্চম স্ত্রী মোসা. হুমায়রা জান্নাত। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয়ের সূত্র ধরে ২০২০ সালের ৪ মে হুমায়রা জান্নাতের সঙ্গে মিছবাহর বিয়ে হয়। তাঁদের সংসারে ২০২৫ সালের ২১ জানুয়ারি ‘আফরাদ মিছবাহ’ নামে এক পুত্রসন্তানের জন্ম হয়।
মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, বিয়ের সময় মিছবাহ তার আগের চারটি বিয়ের তথ্য সম্পূর্ণ গোপন করেছিলেন। পরবর্তীতে হুমায়রা জানতে পারেন যে, তাকে ছাড়াও মিছবাহ মোট ৯টি বিয়ে করেছেন। তবে এসব বিয়ের কোনোটিরই কাবিননামা বা বিবাহ নিবন্ধন করা হয়নি।
বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এ বি এম ইবরাহিম খলিল জানান, হুমায়রা জান্নাত হচ্ছেন মিছবাহর পঞ্চম স্ত্রী। এরপর তিনি আরও চারটি বিয়ে করেছেন, যার ফলে তার মোট নয়টি বিয়ের তথ্য পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে মিছবাহর বিরুদ্ধে একাধিক নারীর সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগও রয়েছে বলে দাবি করেন এই আইনজীবী।




























