ঢাকা ০৫:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘে এরদোয়ানের ভাষণের সময় মোবাইল ফোনে মগ্ন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট মাগুরায় বেশি দামে সার ও মেয়াদোত্তীর্ণ বীজ বিক্রি, ১ লাখ টাকা জরিমানা গণমাধ্যমে সরকার ও বিরোধী দলের কথা সমান গুরুত্বের দাবি শফিকুর রহমানের কোনো শিশুই শিক্ষার বাইরে থাকবে না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী জাহিদ হোসেন খাগড়াছড়িতে ৭৭৮ শিক্ষার্থীকে শিক্ষাবৃত্তি ও সেলাই মেশিন বিতরণ ট্রাইব্যুনাল অবমাননার মামলায় দুই আইনজীবীর শুনানি ২৬ অক্টোবর বিশ্ববাজারে টানা ছয় দিন কমছে জ্বালানি তেলের দাম গ্রিনল্যান্ড নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের ঐতিহাসিক ত্রিপক্ষীয় চুক্তি অক্টোবরে একদিনের ছুটি নিলেই মিলবে টানা পাঁচ দিনের ছুটি হোমনায় মোবাইল চার্জ দিতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে শিক্ষকের মৃত্যু

নায়করাজের মৃত্যুবার্ষিকীতে কেন নেই চলচ্চিত্রাঙ্গনের কোনো বিশেষ আয়োজন?

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০১:০০:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ঢাকাই সিনেমার কিংবদন্তি অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাক পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন নয় বছর আগে। আজ তার মৃত্যুবার্ষিকী হলেও চলচ্চিত্রাঙ্গনে তাকে ঘিরে নেই কোনো বিশেষ আয়োজন। এমনকি চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির পক্ষ থেকেও কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি।

শিল্পী সমিতির এমন নীরবতার কারণ জানতে চাইলে সাধারণ সম্পাদক জয় চৌধুরী বলেন, আমরা এর আগেও সমিতির প্রয়াত সদস্যদের নিয়ে এককভাবে মিলাদের আয়োজন করেছি। তবে দেখা গেছে, দাওয়াত দেওয়া সত্ত্বেও অনেকে সেই আয়োজনে আসতে আগ্রহী নন। তাই গত বছর থেকে আমরা বিশেষভাবে একটি দিন ধার্য করে প্রয়াত শিল্পীদের পরিবারকে আমন্ত্রণ জানিয়ে সম্মিলিতভাবে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করছি। এবারও সেই পরিকল্পনা রয়েছে, তবে এককভাবে কোনো উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনা নেই।

অন্যদিকে, চলচ্চিত্রাঙ্গনে কোনো আয়োজন না থাকলেও পারিবারিকভাবে নায়করাজকে স্মরণ করা হচ্ছে। রাজ্জাকের ছোট ছেলে অভিনেতা খালিদ হোসেন সম্রাট জানান, বাবার প্রয়াণের নয়টি বছর পেরিয়ে গেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ইন্ডাস্ট্রি বা চলচ্চিত্র পরিবার আমার বাবাকে মনে রাখল কি রাখল না, তা নিয়ে আগে মন খারাপ হতো। কিন্তু এখন আর এসব নিয়ে ভাবি না। আমরা শুধু সবার কাছে আমার বাবার জন্য দোয়া চাই।

উল্লেখ্য, নায়করাজ রাজ্জাক ১৯৪২ সালের ২৩ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার টালিগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি প্রায় ৩০০ সিনেমায় অভিনয় করেছেন। এছাড়া প্রায় ১৬টি সিনেমা পরিচালনা ও প্রযোজনা করেছেন তিনি। শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হিসেবে তিনি পাঁচবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন। ২০১৩ সালে তাকে আজীবন সম্মাননা এবং ২০১৫ সালে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

নায়করাজের মৃত্যুবার্ষিকীতে কেন নেই চলচ্চিত্রাঙ্গনের কোনো বিশেষ আয়োজন?

আপডেট সময় : ০১:০০:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

ঢাকাই সিনেমার কিংবদন্তি অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাক পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন নয় বছর আগে। আজ তার মৃত্যুবার্ষিকী হলেও চলচ্চিত্রাঙ্গনে তাকে ঘিরে নেই কোনো বিশেষ আয়োজন। এমনকি চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির পক্ষ থেকেও কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি।

শিল্পী সমিতির এমন নীরবতার কারণ জানতে চাইলে সাধারণ সম্পাদক জয় চৌধুরী বলেন, আমরা এর আগেও সমিতির প্রয়াত সদস্যদের নিয়ে এককভাবে মিলাদের আয়োজন করেছি। তবে দেখা গেছে, দাওয়াত দেওয়া সত্ত্বেও অনেকে সেই আয়োজনে আসতে আগ্রহী নন। তাই গত বছর থেকে আমরা বিশেষভাবে একটি দিন ধার্য করে প্রয়াত শিল্পীদের পরিবারকে আমন্ত্রণ জানিয়ে সম্মিলিতভাবে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করছি। এবারও সেই পরিকল্পনা রয়েছে, তবে এককভাবে কোনো উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনা নেই।

অন্যদিকে, চলচ্চিত্রাঙ্গনে কোনো আয়োজন না থাকলেও পারিবারিকভাবে নায়করাজকে স্মরণ করা হচ্ছে। রাজ্জাকের ছোট ছেলে অভিনেতা খালিদ হোসেন সম্রাট জানান, বাবার প্রয়াণের নয়টি বছর পেরিয়ে গেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ইন্ডাস্ট্রি বা চলচ্চিত্র পরিবার আমার বাবাকে মনে রাখল কি রাখল না, তা নিয়ে আগে মন খারাপ হতো। কিন্তু এখন আর এসব নিয়ে ভাবি না। আমরা শুধু সবার কাছে আমার বাবার জন্য দোয়া চাই।

উল্লেখ্য, নায়করাজ রাজ্জাক ১৯৪২ সালের ২৩ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার টালিগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি প্রায় ৩০০ সিনেমায় অভিনয় করেছেন। এছাড়া প্রায় ১৬টি সিনেমা পরিচালনা ও প্রযোজনা করেছেন তিনি। শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হিসেবে তিনি পাঁচবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন। ২০১৩ সালে তাকে আজীবন সম্মাননা এবং ২০১৫ সালে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh