ঢাকা ০৪:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সিলেট মহানগর বিএনপির তৃণমূল গোছাতে নতুন উদ্যোগ চাঁদাবাজি ঠেকাতে মোড়ে মোড়ে ‘ভিক্ষার বাক্স’ বসানোর ডাক হাসনাত ও পাটওয়ারীর পাবলো নেরুদা ও গার্সিয়া লোরকার বন্ধুত্ব এবং এক ট্র্যাজিক বিদায় আবুল মনসুর আহমদের চিন্তাধারা নিয়ে নতুন বইয়ের প্রকাশনা জরিমানা-নিষেধাজ্ঞার পরও ফিলিস্তিনি শিশুদের স্মরণে অটল এনএফএল খেলোয়াড় টাইব্রেকারে উত্তর কোরিয়াকে হারিয়ে অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপ জিতল স্পেন মরিয়মের মৃত্যু: রিমান্ড শেষে কারাগারে এমপি গাজী নজরুল ইসলাম নিউগিনি আবাসন প্রকল্পে হামলা ও লুটপাট: গ্রেপ্তার ৫ মেসির সঙ্গে আলিঙ্গনের সেই মুহূর্তে কী বলেছিলেন লামিন ইয়ামাল আইফোনের লোভে অপ্রতিমকে হত্যার পরিকল্পনা ছিল এক সপ্তাহ আগে

কে-পপের নতুন মহোৎসব ‘ফ্যানোমেনন’ নিয়ে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আগ্রহ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৯:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬ ৩১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



কে-পপের বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তা ও কোরিয়ান সংস্কৃতিকে আরও বড় পরিসরে তুলে ধরতে দক্ষিণ কোরিয়ার চারটি শীর্ষ বিনোদন প্রতিষ্ঠান—হাইব, এসএম এন্টারটেইনমেন্ট, জেওয়াইপি এন্টারটেইনমেন্ট এবং ওয়াইজি এন্টারটেইনমেন্ট—একজোট হয়েছে। তারা যৌথভাবে ‘ফ্যানোমেনন’ নামের একটি বিশাল সংগীত উৎসব আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছে, যা দক্ষিণ কোরিয়ার নিজস্ব ‘কোচেলা’ হিসেবে পরিচিতি পাবে। ১১ দিনব্যাপী এই উৎসবটি কেবল সংগীতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া হ্যালিউ বা কোরিয়ান সংস্কৃতির ঢেউ উদ্‌যাপন করাই হবে এর অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

আয়োজকদের পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ‘ফ্যানোমেনন’ উৎসবটি ২০২৭ সালের ২ থেকে ১২ ডিসেম্বর দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে অনুষ্ঠিত হবে। উৎসবের মূল অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণী পর্বটি হবে চ্যাংদং এলাকায় নির্মাণাধীন নতুন সিউল অ্যারেনায়। তবে উৎসবের পরিধি কেবল সিউলেই সীমাবদ্ধ থাকছে না; গয়াংয়ের কিনটেক্স-এ বিভিন্ন প্রদর্শনী ও অতিরিক্ত আয়োজন থাকবে। সেখানে গেমিং, ওয়েবটুন, সৌন্দর্যচর্চা ও খাবারের মতো কোরিয়ান সংস্কৃতির নানা দিক তুলে ধরা হবে, যা উৎসবটিকে একাধিক শহরজুড়ে বিস্তৃত করবে।

‘ফ্যানোমেনন’ নামটির উৎপত্তি হয়েছে ‘ফ্যান’ ও ‘ফেনোমেনন’—এই দুই শব্দ থেকে, যা বিশ্বজুড়ে হ্যালিউ সংস্কৃতির বিস্তারে ভক্তদের অসামান্য ভূমিকার প্রতিফলন। এই উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ হলো এর পুরস্কার অনুষ্ঠান, যেখানে প্রথাগত ধারার বাইরে গিয়ে পুরস্কারের কেন্দ্রবিন্দুতে রাখা হয়েছে ভক্ত বা ফ্যানডমকে। শিল্পীরা এখানে তাঁদের ভক্তদের পক্ষ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করবেন। এছাড়া একটি বিশেষ কমিটি ১০টি নির্বাচিত ফ্যান কমিউনিটিকে মূল্যায়ন করে সবচেয়ে নিবেদিত ফ্যানবেসকে ‘ফ্যানডেমোনিয়াম’ খেতাব প্রদান করবে। যদিও ফ্যানডম বাছাইয়ের সুনির্দিষ্ট মানদণ্ড এখনো জানানো হয়নি, তবে ধারণা করা হচ্ছে ভারতীয় কে-পপ ভক্তরাও এই তালিকায় স্থান পেতে পারেন।

সিউলের ন্যাশনাল মিউজিয়াম অব মডার্ন অ্যান্ড কনটেম্পোরারি আর্টে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই উদ্যোগের বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের সমর্থনপুষ্ট এই আয়োজনে দেশটির জনপ্রিয় সংস্কৃতি বিনিময়বিষয়ক প্রেসিডেন্সিয়াল কমিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। কমিটির সহসভাপতি এবং জেওয়াইপি এন্টারটেইনমেন্টের প্রতিষ্ঠাতা জেওয়াই পার্ক সংস্কৃতিমন্ত্রী চে হুই-ইয়ংয়ের সঙ্গে যৌথভাবে এই উদ্যোগের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। জেওয়াই পার্ক জানান, কোরিয়ান সংস্কৃতির বর্তমান ব্যাপক জনপ্রিয়তা কাজে লাগিয়ে এর দীর্ঘমেয়াদি ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করাই এই উৎসবের মূল লক্ষ্য। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের তরুণ ভক্তদের এক জায়গায় এনে সংগীত ও সংস্কৃতির প্রতি ভালোবাসার বন্ধন আরও সুদৃঢ় করাই ‘ফ্যানোমেনন’-এর অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

কে-পপের নতুন মহোৎসব ‘ফ্যানোমেনন’ নিয়ে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আগ্রহ

আপডেট সময় : ০৮:৪৯:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

কে-পপের বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তা ও কোরিয়ান সংস্কৃতিকে আরও বড় পরিসরে তুলে ধরতে দক্ষিণ কোরিয়ার চারটি শীর্ষ বিনোদন প্রতিষ্ঠান—হাইব, এসএম এন্টারটেইনমেন্ট, জেওয়াইপি এন্টারটেইনমেন্ট এবং ওয়াইজি এন্টারটেইনমেন্ট—একজোট হয়েছে। তারা যৌথভাবে ‘ফ্যানোমেনন’ নামের একটি বিশাল সংগীত উৎসব আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছে, যা দক্ষিণ কোরিয়ার নিজস্ব ‘কোচেলা’ হিসেবে পরিচিতি পাবে। ১১ দিনব্যাপী এই উৎসবটি কেবল সংগীতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া হ্যালিউ বা কোরিয়ান সংস্কৃতির ঢেউ উদ্‌যাপন করাই হবে এর অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

আয়োজকদের পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ‘ফ্যানোমেনন’ উৎসবটি ২০২৭ সালের ২ থেকে ১২ ডিসেম্বর দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে অনুষ্ঠিত হবে। উৎসবের মূল অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণী পর্বটি হবে চ্যাংদং এলাকায় নির্মাণাধীন নতুন সিউল অ্যারেনায়। তবে উৎসবের পরিধি কেবল সিউলেই সীমাবদ্ধ থাকছে না; গয়াংয়ের কিনটেক্স-এ বিভিন্ন প্রদর্শনী ও অতিরিক্ত আয়োজন থাকবে। সেখানে গেমিং, ওয়েবটুন, সৌন্দর্যচর্চা ও খাবারের মতো কোরিয়ান সংস্কৃতির নানা দিক তুলে ধরা হবে, যা উৎসবটিকে একাধিক শহরজুড়ে বিস্তৃত করবে।

‘ফ্যানোমেনন’ নামটির উৎপত্তি হয়েছে ‘ফ্যান’ ও ‘ফেনোমেনন’—এই দুই শব্দ থেকে, যা বিশ্বজুড়ে হ্যালিউ সংস্কৃতির বিস্তারে ভক্তদের অসামান্য ভূমিকার প্রতিফলন। এই উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ হলো এর পুরস্কার অনুষ্ঠান, যেখানে প্রথাগত ধারার বাইরে গিয়ে পুরস্কারের কেন্দ্রবিন্দুতে রাখা হয়েছে ভক্ত বা ফ্যানডমকে। শিল্পীরা এখানে তাঁদের ভক্তদের পক্ষ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করবেন। এছাড়া একটি বিশেষ কমিটি ১০টি নির্বাচিত ফ্যান কমিউনিটিকে মূল্যায়ন করে সবচেয়ে নিবেদিত ফ্যানবেসকে ‘ফ্যানডেমোনিয়াম’ খেতাব প্রদান করবে। যদিও ফ্যানডম বাছাইয়ের সুনির্দিষ্ট মানদণ্ড এখনো জানানো হয়নি, তবে ধারণা করা হচ্ছে ভারতীয় কে-পপ ভক্তরাও এই তালিকায় স্থান পেতে পারেন।

সিউলের ন্যাশনাল মিউজিয়াম অব মডার্ন অ্যান্ড কনটেম্পোরারি আর্টে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই উদ্যোগের বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের সমর্থনপুষ্ট এই আয়োজনে দেশটির জনপ্রিয় সংস্কৃতি বিনিময়বিষয়ক প্রেসিডেন্সিয়াল কমিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। কমিটির সহসভাপতি এবং জেওয়াইপি এন্টারটেইনমেন্টের প্রতিষ্ঠাতা জেওয়াই পার্ক সংস্কৃতিমন্ত্রী চে হুই-ইয়ংয়ের সঙ্গে যৌথভাবে এই উদ্যোগের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। জেওয়াই পার্ক জানান, কোরিয়ান সংস্কৃতির বর্তমান ব্যাপক জনপ্রিয়তা কাজে লাগিয়ে এর দীর্ঘমেয়াদি ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করাই এই উৎসবের মূল লক্ষ্য। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের তরুণ ভক্তদের এক জায়গায় এনে সংগীত ও সংস্কৃতির প্রতি ভালোবাসার বন্ধন আরও সুদৃঢ় করাই ‘ফ্যানোমেনন’-এর অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin