নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের স্বপ্ন নতুন প্রজন্মের হাতে তুলে দিলেন ইলিয়াস কাঞ্চন
- আপডেট সময় : ০৫:৪০:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬ ৩০ বার পড়া হয়েছে

নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন দেশবাসীর কাছে নিজের দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়া চেয়েছেন। বর্তমানে শারীরিকভাবে অসুস্থ এই অভিনেতা শুক্রবার সকালে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে আয়োজিত ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ (নিসচা)-এর ১১তম মহাসমাবেশে উপস্থিত হয়ে এই কথা জানান।
মহাসমাবেশে ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, ৩৩ বছর আগে ব্যক্তিগত জীবনের গভীর বেদনা থেকে তিনি যে আন্দোলনের সূচনা করেছিলেন, তা আজ আর কেবল তাঁর একার নয়; এটি এখন বাংলাদেশের মানুষের আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। তিনি নিজের শারীরিক অবস্থার কথা উল্লেখ করে বলেন, আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাকে দ্রুত সুস্থতা দান করেন এবং আবারও মানুষের পাশে ও নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের সাথে সক্রিয়ভাবে কাজ করার শক্তি দেন।
তিনি আরও বলেন, আমরা একে অপরের প্রতিপক্ষ নই, বরং জীবন রক্ষার সহযোদ্ধা। তিনি উপস্থিত সবার উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আমার স্বপ্ন আপনাদের কাছে দিয়ে দিলাম। আমি না থাকলেও আপনারা নিরাপদ সড়ক বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখবেন।’ এছাড়া সরকার, প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, পরিবহন মালিক-শ্রমিক, প্রকৌশলী, গবেষক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও গণমাধ্যমসহ দেশের সচেতন নাগরিকদের এই আন্দোলনের অংশ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
উল্লেখ্য, যুক্তরাজ্যে ১৫ মাসেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসার পর গত সোমবার ইলিয়াস কাঞ্চন দেশে ফিরেছেন। গত বছরের এপ্রিলে ব্রেন টিউমার ধরা পড়ার পর তিনি লন্ডনে চিকিৎসা নেন। গত বছরের আগস্টে মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে টিউমারের বড় একটি অংশ অপসারণ করা হলেও ঝুঁকির কারণে পুরোপুরি সরানো সম্ভব হয়নি। চিকিৎসকেরা পরবর্তীতে তাঁর ব্রেন ক্যানসারের কথা জানান। অস্ত্রোপচারের পর তিনি লন্ডনের হাসপাতাল ও মেয়ে ইমা ইসলামের বাসায় থেকে চিকিৎসা গ্রহণ করেন। দীর্ঘ এই চিকিৎসায় তিনি তিন ধাপে প্রায় এক শ’র মতো কেমোথেরাপি নিয়েছেন বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।
দ্রুত সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন তিনি।.আজ শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকালে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত নিরাপদ সড়ক চাইয়ের ১১তম মহাসমাবেশে উপস্থিত হয়ে এ কথা বলেন ইলিয়াস কাঞ্চন।ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, ‘৩৩ বছর আগে ব্যক্তিগত জীবনের এক গভীর বেদনাকে আমি মানুষের জীবন রক্ষার আন্দোলনে রূপ দিয়ে
প্রথম ধাপে টানা তিন মাস কেমোথেরাপি নেওয়ার পাশাপাশি দ্বিতীয় ধাপে ওরাল থেরাপি চলে।পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, সপ্তাহে পাঁচ দিন করে ১২ সপ্তাহের চিকিৎসার মধ্যে প্রায় ৬০টির বেশি কেমোথেরাপি নিতে হয়েছে এই অভিনেতাকে।





























