এসএসসি পুনর্নিরীক্ষণ: নতুন করে জিপিএ-৫ পেলেন ৩ হাজার ৭৯ শিক্ষার্থী
- আপডেট সময় : ১১:২০:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণসহ মূল্যায়নের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়েছে। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির তথ্যমতে, এই প্রক্রিয়ায় ১১টি শিক্ষা বোর্ডে নতুন করে ৩ হাজার ৭৯ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। এছাড়া, ফেল থেকে পাস করেছেন ৪ হাজার ৫৮৫ জন শিক্ষার্থী। সামগ্রিক এই পুনর্নিরীক্ষণ প্রক্রিয়ায় মোট ৫৬ হাজার ২৫৯ জনের উত্তরপত্রের নম্বর পরিবর্তিত হয়েছে এবং ২৭ হাজার ৮৩৬ জন শিক্ষার্থীর জিপিএ বা গ্রেডে পরিবর্তন এসেছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির এক কর্মকর্তা আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শিক্ষার্থীরা সকাল ১০টার পর থেকে নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট এবং কেন্দ্রীয় ওয়েবসাইটের (rescrutiny.eduboardresults.gov.bd) মাধ্যমে ফলাফল জানতে পারছে। এছাড়া, আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে এসএমএসের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে ফলাফল পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যায় ঢাকা বোর্ড শীর্ষে রয়েছে, যেখানে নতুন করে ৯০৬ জন শিক্ষার্থী এই কৃতিত্ব অর্জন করেছে। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে ৭৭৭ জন এবং তৃতীয় অবস্থানে থাকা দিনাজপুর বোর্ডে ২৭৫ জন নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে। এছাড়া কুমিল্লা বোর্ডে ২০৭ জন, যশোরে ১৮২ জন, সিলেটে ১২১ জন, বরিশালে ১১২ জন, চট্টগ্রামে ৮৩ জন এবং রাজশাহী বোর্ডে ৭৭ জন নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে ২৯৩ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ফেল থেকে পাস করেছে ৪৬ জন শিক্ষার্থী।
ফেল থেকে পাস করার হার পর্যালোচনায় দেখা যায়, সাধারণ বোর্ডগুলোর মধ্যে ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড শীর্ষে রয়েছে, যেখানে ১ হাজার ১৮০ জন শিক্ষার্থী পুনরায় মূল্যায়নে উত্তীর্ণ হয়েছে। এরপরেই রয়েছে দিনাজপুর বোর্ড (৮৬৭ জন) এবং যশোর বোর্ড (৩৮০ জন)। এছাড়া ঢাকা বোর্ডে ৩৩৭ জন, কুমিল্লায় ৩৩৬ জন, চট্টগ্রামে ১৯০ জন, সিলেটে ১৮৬ জন, রাজশাহী বোর্ডে ১১১ জন এবং বরিশালে ৭৯ জন ফেল থেকে পাস করেছে। মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে ফেল থেকে পাসের সংখ্যা ২৫৫ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ৬৬৪ জন।
উল্লেখ্য যে, মোট ৪ লাখ ২ হাজার ৫২ জন শিক্ষার্থী ১০ লাখ ৫৬ হাজার ৪৫৮টি উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেছিল।





























