ঢাকা ১২:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইবির সাদ্দাম হলের একই কক্ষের তিন বন্ধু হলেন সিভিল জজ যুক্তরাষ্ট্রের চাপের কাছে নতি স্বীকার করবে না ইরান: পেজেশকিয়ান নিউইয়র্কে গেটস ফাউন্ডেশনের সিইও মার্ক সুজম্যানের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক মাদারগঞ্জে অনিয়মের দায়ে দুই ফার্মেসিকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা নেত্রকোনা-১ আসনের সাবেক এমপি মোশতাক আহমেদ রুহী গ্রেপ্তার নিউ ইয়র্কে নামছে না নেতানিয়াহুর উড়োজাহাজ মূল্যস্ফীতির চাপে নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রাখল কেন্দ্রীয় ব্যাংক টাকায় আন্তর্জাতিক লেনদেন সহজ করতে নতুন নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের পাকিস্তান–চীন নতুন সীমান্ত চুক্তি নিয়ে ভারতের তীব্র প্রতিক্রিয়া গুলশানে ককটেল বিস্ফোরণ মামলায় ১৫ আসামির ৩ দিনের রিমান্ড

শিক্ষকদের এআই প্রশিক্ষণে ইউনেস্কোর সহযোগিতা চাইলেন শিক্ষামন্ত্রী মিলন

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১১:২০:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



শ্রেণিকক্ষে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে শিক্ষকদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এই লক্ষ্যে গৃহীত বিভিন্ন কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য তিনি ইউনেস্কোর সহযোগিতা কামনা করেছেন।

ফ্রান্সের প্যারিসে ইউনেস্কো আয়োজিত ‘ডিজিটাল লার্নিং উইক’-এর অংশ হিসেবে ‘টিচার্স অ্যাট দ্য সেন্টার: এজেন্সি, কম্পিটেন্সিজ অ্যান্ড দ্য টিচার-স্টুডেন্ট রিলেশনশিপ’ শীর্ষক একটি প্ল্যানারি সেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন। গত বুধবার অনুষ্ঠিত এই সেশনের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন ইউনেস্কোর টিচার ডেভেলপমেন্ট সেকশনের প্রধান কার্লোস ভার্গাস।

শিক্ষামন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, বর্তমান সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার এড়িয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। বিশ্বজুড়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে এআইয়ের ব্যবহার ক্রমাগত বাড়ছে এবং বাংলাদেশও এই বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। শ্রেণিকক্ষে এর সঠিক ও কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে শিক্ষকদের প্রশিক্ষিত করা জরুরি। এই লক্ষ্যে দেশে ইতিমধ্যে ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ এবং ‘মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম’ সহ বেশ কিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব কর্মসূচি সফল করতে ইউনেস্কোর কার্যকর অংশীদারিত্ব প্রয়োজন বলে তিনি জানান।

ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন দেশের বিশাল জনসংখ্যাকে মূল সম্পদ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এই জনগোষ্ঠীকে দক্ষ জনসম্পদে রূপান্তর করা ছাড়া দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। আর সে কারণেই দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিকীকরণ করা হচ্ছে। বিশ্ববাজারে দক্ষ পেশাজীবীদের ব্যাপক চাহিদার কথা তুলে ধরে তিনি কারিগরি শিক্ষার ওপর জোর দেওয়ার আহ্বান জানান।

তিনি আরও বলেন, প্রবাসী কর্মীরা বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। তাদের যথাযথভাবে দক্ষ করে বিদেশে পাঠানো সম্ভব হলে দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে। এ কারণে কারিগরি শিক্ষার পাশাপাশি উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার ওপরও সমান গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আন্তর্জাতিক যোগাযোগে দক্ষতার জন্য বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি তৃতীয় একটি ভাষা শেখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। একই সঙ্গে বৈশ্বিক যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম হিসেবে ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা অর্জনের প্রয়োজনীয়তাও তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

শিক্ষকদের এআই প্রশিক্ষণে ইউনেস্কোর সহযোগিতা চাইলেন শিক্ষামন্ত্রী মিলন

আপডেট সময় : ১১:২০:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শ্রেণিকক্ষে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে শিক্ষকদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এই লক্ষ্যে গৃহীত বিভিন্ন কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য তিনি ইউনেস্কোর সহযোগিতা কামনা করেছেন।

ফ্রান্সের প্যারিসে ইউনেস্কো আয়োজিত ‘ডিজিটাল লার্নিং উইক’-এর অংশ হিসেবে ‘টিচার্স অ্যাট দ্য সেন্টার: এজেন্সি, কম্পিটেন্সিজ অ্যান্ড দ্য টিচার-স্টুডেন্ট রিলেশনশিপ’ শীর্ষক একটি প্ল্যানারি সেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন। গত বুধবার অনুষ্ঠিত এই সেশনের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন ইউনেস্কোর টিচার ডেভেলপমেন্ট সেকশনের প্রধান কার্লোস ভার্গাস।

শিক্ষামন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, বর্তমান সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার এড়িয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। বিশ্বজুড়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে এআইয়ের ব্যবহার ক্রমাগত বাড়ছে এবং বাংলাদেশও এই বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। শ্রেণিকক্ষে এর সঠিক ও কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে শিক্ষকদের প্রশিক্ষিত করা জরুরি। এই লক্ষ্যে দেশে ইতিমধ্যে ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ এবং ‘মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম’ সহ বেশ কিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব কর্মসূচি সফল করতে ইউনেস্কোর কার্যকর অংশীদারিত্ব প্রয়োজন বলে তিনি জানান।

ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন দেশের বিশাল জনসংখ্যাকে মূল সম্পদ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এই জনগোষ্ঠীকে দক্ষ জনসম্পদে রূপান্তর করা ছাড়া দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। আর সে কারণেই দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিকীকরণ করা হচ্ছে। বিশ্ববাজারে দক্ষ পেশাজীবীদের ব্যাপক চাহিদার কথা তুলে ধরে তিনি কারিগরি শিক্ষার ওপর জোর দেওয়ার আহ্বান জানান।

তিনি আরও বলেন, প্রবাসী কর্মীরা বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। তাদের যথাযথভাবে দক্ষ করে বিদেশে পাঠানো সম্ভব হলে দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে। এ কারণে কারিগরি শিক্ষার পাশাপাশি উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার ওপরও সমান গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আন্তর্জাতিক যোগাযোগে দক্ষতার জন্য বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি তৃতীয় একটি ভাষা শেখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। একই সঙ্গে বৈশ্বিক যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম হিসেবে ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা অর্জনের প্রয়োজনীয়তাও তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin