ঢাকা ০৯:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৯/১১-কে ‘সন্ত্রাসী হামলা’ না বলার নির্দেশ নিয়ে সিবিসির সমালোচনা ৭০ লাখ টাকায় নির্মিত অতিথিশালা, ১৪ বছরেও পর্যটকশূন্য হালান্ড ও চেরকির জোড়া গোল, ক্রিস্টাল প্যালেসকে ৪-১ ব্যবধানে ওড়াল ম্যানসিটি অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে মেটার নতুন নিয়ম জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আইরিন খান মৌলভীবাজারের সবুজে সোনালি চন্দ্রপ্রভার হলুদ উৎসব সরকারি কলেজে শিক্ষক সংকট ও শিক্ষার মানোন্নয়নের চ্যালেঞ্জ উদ্বোধনের পরই অচল অন্তর্বর্তী সরকারের নাগরিক সেবাকেন্দ্র, ৪টিতেই তালা স্বাস্থ্য খাতের আমূল সংস্কারে স্বাস্থ্য কমিশন গঠনের প্রস্তাব ১১ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত

দেশে পোস্টগ্র্যাজুয়েট বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪৯:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশের উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনী কার্যক্রমকে বিশ্বমানের করে গড়ে তুলতে উন্নত বিশ্বের আদলে একটি পোস্টগ্র্যাজুয়েট বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। সাভারের ব্র্যাক সিডিএমে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী ‘ভিসি’স ডায়ালগ’র সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে অনেক বিশ্ববিদ্যালয় থাকলেও দেশে এখন পর্যন্ত কোনো পোস্টগ্র্যাজুয়েট বিশ্ববিদ্যালয় নেই। অথচ প্রতিবেশী দেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এমন প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেখানে উচ্চতর গবেষণা পরিচালিত হয় এবং বাংলাদেশের অনেক শিক্ষার্থী সেখানে ভর্তি হন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, গবেষণা ও উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে একটি পোস্টগ্র্যাজুয়েট বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তিনি আরও বলেন, সরকার উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষাব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। শিক্ষা খাতে বাজেট বরাদ্দ জিডিপির ২ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে আগামী বছর ৩ শতাংশ এবং পর্যায়ক্রমে ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। চাকরির বাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রম আধুনিকায়ন এবং নতুন বিভাগ খোলার ক্ষেত্রে কর্মসংস্থানকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান জানান তিনি।

মানহীন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় চিহ্নিত করতে ইউজিসিকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের স্বার্থে সরকার এখনই কোনো প্রতিষ্ঠান বন্ধের মতো কঠোর সিদ্ধান্তে যায়নি, তবে বর্তমান সরকার নতুন কোনো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন দেয়নি। মানসম্মত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পিএইচডি প্রোগ্রাম চালুর বিষয়ে ইউজিসিকে উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে। এছাড়া গবেষণার অবকাঠামো উন্নয়নে পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষাবাজারে বাংলাদেশের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে বিদেশি শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করার মতো পরিবেশ তৈরির পরামর্শ দেন তিনি। শিক্ষামন্ত্রী রিসার্চ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ও’ লেভেল ও ‘এ’ লেভেল উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ভর্তির হার কম হওয়ার কারণ চিহ্নিত করারও পরামর্শ দেন।

ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল ফোরকান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম, সরকারি কর্ম কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. জেড এন তাহমিদা বেগম এবং ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার।

ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, সরকারের অগ্রাধিকারমূলক খাতের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে উচ্চশিক্ষাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে ইউজিসি কাজ করছে। উচ্চশিক্ষার চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করে পাঁচ বছর মেয়াদি একটি কৌশলপত্রের খসড়া তৈরি করা হয়েছে, যা অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে চূড়ান্ত করা হবে। তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের বাস্তব কর্মপরিবেশের সঙ্গে পরিচিত করতে বাধ্যতামূলক ইন্টার্নশিপ চালু করা হবে এবং এক্ষেত্রে ইউজিসি সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করবে। ইন্টার্নশিপের সময় শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা দেয়ার ব্যবস্থাও রাখা হবে।

সংলাপের দ্বিতীয় দিনে পাঠ্যক্রম সংস্কার, শিক্ষার্থী সহায়তা ও কর্মসংস্থানযোগ্যতা, আর্থিক ও ক্রয় ব্যবস্থাপনা, উচ্চশিক্ষার রূপান্তরে হিট প্রকল্পের ভূমিকা এবং উচ্চশিক্ষার কৌশলগত পরিকল্পনা নিয়ে চারটি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। অধিবেশনগুলোতে ইউজিসি চেয়ারম্যান ছাড়াও ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. মাছুমা হাবিব, অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন, অধ্যাপক মো. মেহেদী হাসান খান, অধ্যাপক ড. মো. আসলাম হোসেন এবং অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ চৌধুরী সভাপতি ও আলোচক হিসেবে অংশ নেন। উন্মুক্ত আলোচনায় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭১ জন ভিসি এবং হিট প্রকল্প ও বাংলাদেশ রিসার্চ অ্যান্ড এডুকেশন নেটওয়ার্কের সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন।

আন্তর্জাতিক শিক্ষাবাজারে বাংলাদেশের সম্ভাবনা তুলে ধরে তিনি বলেন, যুক্তরাজ্য তাদের ৩৫ বিলিয়ন ডলারের শিক্ষাবাজার ৪০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার পরিকল্পনা করছে। বিদেশি শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করেই তারা এ বাজার গড়ে তুলেছে। বাংলাদেশকেও বিদেশি শিক্ষার্থীদের আকর্ষণ করার মতো মানসম্মত শিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে। তিনি রিসার

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

দেশে পোস্টগ্র্যাজুয়েট বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট সময় : ১০:৪৯:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

দেশের উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনী কার্যক্রমকে বিশ্বমানের করে গড়ে তুলতে উন্নত বিশ্বের আদলে একটি পোস্টগ্র্যাজুয়েট বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। সাভারের ব্র্যাক সিডিএমে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী ‘ভিসি’স ডায়ালগ’র সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে অনেক বিশ্ববিদ্যালয় থাকলেও দেশে এখন পর্যন্ত কোনো পোস্টগ্র্যাজুয়েট বিশ্ববিদ্যালয় নেই। অথচ প্রতিবেশী দেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এমন প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেখানে উচ্চতর গবেষণা পরিচালিত হয় এবং বাংলাদেশের অনেক শিক্ষার্থী সেখানে ভর্তি হন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, গবেষণা ও উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে একটি পোস্টগ্র্যাজুয়েট বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তিনি আরও বলেন, সরকার উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষাব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। শিক্ষা খাতে বাজেট বরাদ্দ জিডিপির ২ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে আগামী বছর ৩ শতাংশ এবং পর্যায়ক্রমে ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। চাকরির বাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রম আধুনিকায়ন এবং নতুন বিভাগ খোলার ক্ষেত্রে কর্মসংস্থানকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান জানান তিনি।

মানহীন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় চিহ্নিত করতে ইউজিসিকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের স্বার্থে সরকার এখনই কোনো প্রতিষ্ঠান বন্ধের মতো কঠোর সিদ্ধান্তে যায়নি, তবে বর্তমান সরকার নতুন কোনো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন দেয়নি। মানসম্মত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পিএইচডি প্রোগ্রাম চালুর বিষয়ে ইউজিসিকে উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে। এছাড়া গবেষণার অবকাঠামো উন্নয়নে পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষাবাজারে বাংলাদেশের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে বিদেশি শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করার মতো পরিবেশ তৈরির পরামর্শ দেন তিনি। শিক্ষামন্ত্রী রিসার্চ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ও’ লেভেল ও ‘এ’ লেভেল উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ভর্তির হার কম হওয়ার কারণ চিহ্নিত করারও পরামর্শ দেন।

ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল ফোরকান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম, সরকারি কর্ম কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. জেড এন তাহমিদা বেগম এবং ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার।

ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, সরকারের অগ্রাধিকারমূলক খাতের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে উচ্চশিক্ষাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে ইউজিসি কাজ করছে। উচ্চশিক্ষার চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করে পাঁচ বছর মেয়াদি একটি কৌশলপত্রের খসড়া তৈরি করা হয়েছে, যা অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে চূড়ান্ত করা হবে। তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের বাস্তব কর্মপরিবেশের সঙ্গে পরিচিত করতে বাধ্যতামূলক ইন্টার্নশিপ চালু করা হবে এবং এক্ষেত্রে ইউজিসি সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করবে। ইন্টার্নশিপের সময় শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা দেয়ার ব্যবস্থাও রাখা হবে।

সংলাপের দ্বিতীয় দিনে পাঠ্যক্রম সংস্কার, শিক্ষার্থী সহায়তা ও কর্মসংস্থানযোগ্যতা, আর্থিক ও ক্রয় ব্যবস্থাপনা, উচ্চশিক্ষার রূপান্তরে হিট প্রকল্পের ভূমিকা এবং উচ্চশিক্ষার কৌশলগত পরিকল্পনা নিয়ে চারটি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। অধিবেশনগুলোতে ইউজিসি চেয়ারম্যান ছাড়াও ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. মাছুমা হাবিব, অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন, অধ্যাপক মো. মেহেদী হাসান খান, অধ্যাপক ড. মো. আসলাম হোসেন এবং অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ চৌধুরী সভাপতি ও আলোচক হিসেবে অংশ নেন। উন্মুক্ত আলোচনায় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭১ জন ভিসি এবং হিট প্রকল্প ও বাংলাদেশ রিসার্চ অ্যান্ড এডুকেশন নেটওয়ার্কের সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন।

আন্তর্জাতিক শিক্ষাবাজারে বাংলাদেশের সম্ভাবনা তুলে ধরে তিনি বলেন, যুক্তরাজ্য তাদের ৩৫ বিলিয়ন ডলারের শিক্ষাবাজার ৪০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার পরিকল্পনা করছে। বিদেশি শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করেই তারা এ বাজার গড়ে তুলেছে। বাংলাদেশকেও বিদেশি শিক্ষার্থীদের আকর্ষণ করার মতো মানসম্মত শিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে। তিনি রিসার

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin