ঢাকা ০৬:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ক্ষমতার পাঁচ মাসে কেন হতাশ পশ্চিমবঙ্গের মানুষ, কী বলছে পরিস্থিতি মাদরাসা প্রধানদের ইআইআইএনভিত্তিক সিম কার্ড সচল রাখার নির্দেশ পাংশায় প্রবাসীর স্ত্রী রুনা হত্যায় প্রধান আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত হামের উপসর্গে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১২৭০ জন ঢাকা ও উপকণ্ঠের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা আধুনিকায়নে এডিবির ২০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ গাজীপুরে ট্রাক ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩ জাতিসংঘে এরদোয়ানের ভাষণের সময় মোবাইল ফোনে মগ্ন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট মাগুরায় বেশি দামে সার ও মেয়াদোত্তীর্ণ বীজ বিক্রি, ১ লাখ টাকা জরিমানা গণমাধ্যমে সরকার ও বিরোধী দলের কথা সমান গুরুত্বের দাবি শফিকুর রহমানের

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন শুরু ২ সেপ্টেম্বর, ক্লাস ২৩ সেপ্টেম্বর

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০১:৩২:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



আসন্ন শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন গ্রহণ এবং ক্লাস শুরুর সময়সূচি এগিয়ে আনা হয়েছে। শিক্ষা বোর্ডগুলোর নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, আগামী ২ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে, যা চলবে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করার পর ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ক্লাস শুরুর পরিকল্পনা করা হয়েছে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের একজন উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই সময়সূচিটি অনুমোদনের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে এবং বৃহস্পতিবারের মধ্যেই মন্ত্রণালয় থেকে চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর আগে ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে আবেদন গ্রহণ এবং ১২ নভেম্বর থেকে ক্লাস শুরুর পরিকল্পনা ছিল।

এবারও এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হবে। কোনো ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে না। শিক্ষার্থীদের ফলাফল, পছন্দক্রম এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোটা বিবেচনায় নিয়ে ভর্তির জন্য মনোনয়ন দেওয়া হবে। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কারিগরি সহায়তায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ড এই কেন্দ্রীয় ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করে, যার আওতায় দেশের প্রায় সব কলেজ ও মাদ্রাসা অন্তর্ভুক্ত। তবে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর ভর্তি প্রক্রিয়া ভিন্ন এবং ঢাকার নটর ডেম কলেজের মতো কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেও আলাদা নিয়ম প্রযোজ্য।

আবেদনের সময়সীমা অনুযায়ী, ২ সেপ্টেম্বর থেকে ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পছন্দক্রম দিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। যারা ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেছেন, তাদেরও এই সময়ের মধ্যে আবেদন করতে হবে। তবে পুনর্নিরীক্ষণে যাদের ফল পরিবর্তন হবে, তাদের জন্য পুনরায় আবেদনের সুযোগ থাকবে। শিক্ষা বোর্ডগুলোর প্রস্তাব অনুযায়ী, ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর পুনর্নিরীক্ষণে ফল পরিবর্তন হওয়া শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। এরপর যাচাই-বাছাই শেষে ২০, ২১ ও ২২ সেপ্টেম্বর ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন হবে এবং ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ক্লাস শুরু হবে। যারা এই প্রক্রিয়ায় কোনো প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ পাবেন না বা নির্ধারিত সময়ে আবেদন করতে পারবেন না, তাদের জন্য ২৩ সেপ্টেম্বরের পর আবেদনের সুযোগ রাখা হবে।

চলতি বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য ৪ লাখের বেশি পরীক্ষার্থী প্রায় ১৩ লাখ আবেদন করেছে, যার মধ্যে ১০ লাখ ৫৬ হাজারের বেশি আবেদন লিখিত এবং ২ লাখ ৩১ হাজারের বেশি আবেদন ব্যবহারিক পরীক্ষার খাতার জন্য। গত ১০ আগস্ট প্রকাশিত এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে ১১টি শিক্ষা বোর্ডে পাস করেছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন শিক্ষার্থী, যেখানে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন। সারা দেশে একাদশ শ্রেণিতে প্রায় ২৫ লাখ আসন থাকলেও, ভালো মানের প্রতিষ্ঠানে আসন সীমিত হওয়ায় জিপিএ-৫ পাওয়া সব শিক্ষার্থী তাদের পছন্দের কলেজে ভর্তির সুযোগ পাবে না। এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী। এছাড়া শিক্ষা বিভাগ ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা জানুয়ারির পরিবর্তে মার্চে নেওয়ার বিষয়েও চিন্তাভাবনা করছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন শুরু ২ সেপ্টেম্বর, ক্লাস ২৩ সেপ্টেম্বর

আপডেট সময় : ০১:৩২:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

আসন্ন শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন গ্রহণ এবং ক্লাস শুরুর সময়সূচি এগিয়ে আনা হয়েছে। শিক্ষা বোর্ডগুলোর নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, আগামী ২ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে, যা চলবে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করার পর ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ক্লাস শুরুর পরিকল্পনা করা হয়েছে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের একজন উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই সময়সূচিটি অনুমোদনের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে এবং বৃহস্পতিবারের মধ্যেই মন্ত্রণালয় থেকে চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর আগে ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে আবেদন গ্রহণ এবং ১২ নভেম্বর থেকে ক্লাস শুরুর পরিকল্পনা ছিল।

এবারও এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হবে। কোনো ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে না। শিক্ষার্থীদের ফলাফল, পছন্দক্রম এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোটা বিবেচনায় নিয়ে ভর্তির জন্য মনোনয়ন দেওয়া হবে। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কারিগরি সহায়তায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ড এই কেন্দ্রীয় ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করে, যার আওতায় দেশের প্রায় সব কলেজ ও মাদ্রাসা অন্তর্ভুক্ত। তবে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর ভর্তি প্রক্রিয়া ভিন্ন এবং ঢাকার নটর ডেম কলেজের মতো কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেও আলাদা নিয়ম প্রযোজ্য।

আবেদনের সময়সীমা অনুযায়ী, ২ সেপ্টেম্বর থেকে ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পছন্দক্রম দিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। যারা ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেছেন, তাদেরও এই সময়ের মধ্যে আবেদন করতে হবে। তবে পুনর্নিরীক্ষণে যাদের ফল পরিবর্তন হবে, তাদের জন্য পুনরায় আবেদনের সুযোগ থাকবে। শিক্ষা বোর্ডগুলোর প্রস্তাব অনুযায়ী, ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর পুনর্নিরীক্ষণে ফল পরিবর্তন হওয়া শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। এরপর যাচাই-বাছাই শেষে ২০, ২১ ও ২২ সেপ্টেম্বর ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন হবে এবং ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ক্লাস শুরু হবে। যারা এই প্রক্রিয়ায় কোনো প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ পাবেন না বা নির্ধারিত সময়ে আবেদন করতে পারবেন না, তাদের জন্য ২৩ সেপ্টেম্বরের পর আবেদনের সুযোগ রাখা হবে।

চলতি বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য ৪ লাখের বেশি পরীক্ষার্থী প্রায় ১৩ লাখ আবেদন করেছে, যার মধ্যে ১০ লাখ ৫৬ হাজারের বেশি আবেদন লিখিত এবং ২ লাখ ৩১ হাজারের বেশি আবেদন ব্যবহারিক পরীক্ষার খাতার জন্য। গত ১০ আগস্ট প্রকাশিত এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে ১১টি শিক্ষা বোর্ডে পাস করেছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন শিক্ষার্থী, যেখানে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন। সারা দেশে একাদশ শ্রেণিতে প্রায় ২৫ লাখ আসন থাকলেও, ভালো মানের প্রতিষ্ঠানে আসন সীমিত হওয়ায় জিপিএ-৫ পাওয়া সব শিক্ষার্থী তাদের পছন্দের কলেজে ভর্তির সুযোগ পাবে না। এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী। এছাড়া শিক্ষা বিভাগ ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা জানুয়ারির পরিবর্তে মার্চে নেওয়ার বিষয়েও চিন্তাভাবনা করছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo