জ্বালানি সংকটে পোশাক কারখানা বন্ধের তথ্য সঠিক নয়: বিজিএমইএ
- আপডেট সময় : ০৮:১০:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ জানিয়েছে, জ্বালানি সংকটের কারণে গত দুই মাসে দেশে কোনো পোশাক কারখানা বন্ধ হয়নি। বৃহস্পতিবার রাজধানীর উত্তরায় বিজিএমইএ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সভাপতি মাহমুদ হাসান খান এ তথ্য জানান। বাটেক্সপো আয়োজন, নতুন বাজার অনুসন্ধান এবং পোশাকশিল্পের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরতে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
মাহমুদ হাসান খান বলেন, জ্বালানি সংকটে কারখানাগুলোর উৎপাদন কিছুটা ব্যাহত হলেও বন্ধ হওয়ার মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি। একটি কারখানা বন্ধ হওয়ার প্রক্রিয়াটি দীর্ঘমেয়াদী এবং এর পেছনে ক্রয়াদেশ ও শ্রমিকদের দায়বদ্ধতার মতো বিষয়গুলো জড়িত থাকে। তাই মাত্র দুই মাসের সংকটের কারণে কোনো কারখানা বন্ধ হয়েছে—এমন দাবি সঠিক নয়। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, সংকট যদি দীর্ঘায়িত হয়, তবে উৎপাদন কমে গিয়ে ভবিষ্যতে কারখানা বন্ধ হওয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে।
গত সাত দিনের তুলনায় বর্তমানে কারখানাগুলোতে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। দীর্ঘমেয়াদী সমাধানের লক্ষ্যে তিনি শিল্প খাতে গ্যাস সরবরাহ বাড়াতে আরও দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন এবং স্থলভিত্তিক এলএনজি সংরক্ষণাগার নির্মাণের প্রস্তাব দেন। এছাড়া তেলভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি এবং গ্যাসের অপচয় রোধ করে শিল্পকারখানায় তা সরবরাহের পরামর্শ দেন বিজিএমইএ সভাপতি।
রপ্তানি পরিস্থিতির বিষয়ে তিনি জানান, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাস অর্থাৎ জুলাই ও আগস্টে সামগ্রিক রপ্তানি ৫ দশমিক ১২ শতাংশ বেড়েছে। তবে গত বছরের আগস্টে রপ্তানি কম থাকায় এবার প্রবৃদ্ধির হার বেশি দেখা যাচ্ছে। সংবাদ সম্মেলনে গাজীপুর ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের স্বাস্থ্যসুরক্ষার জন্য হাসপাতাল নির্মাণের লক্ষ্যে সরকারের কাছে জমি বরাদ্দের দাবিও জানানো হয়। এছাড়া বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ তিন বছর পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন চলতি মাসেই জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে অনুমোদিত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।




























