ঢাকা ০৫:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বেলাবোতে ভোটকেন্দ্র পুনর্বহালের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ নতুন সিনেমা ‘কানাভুলা প্যারাডক্স’ নিয়ে বড় পর্দায় সাবিলা নূর আশাশুনিতে কুড়িকাহুনিয়া বেড়িবাঁধ ধসে ১০-১২ গ্রাম প্লাবনের আশঙ্কা নেদারল্যান্ডসের কর্মীদের কূটনৈতিক মর্যাদা বাতিল, ইসরাইলি রাষ্ট্রদূতকে তলব বিষ দিয়ে মাছ শিকারের অভিযোগ: সুন্দরবনের ৪ জেলে কারাগারে ছেলের ১০ বছরে পদার্পণ: জয়কে নিয়ে কক্সবাজারে উড়াল দিলেন অপু বিশ্বাস ঠাকুরগাঁওয়ে উপনির্বাচন ঘিরে বিএনপির বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত পাকিস্তানের অনুমতি না পাওয়ায় রূপপুরের ইউরেনিয়াম সরবরাহে বিলম্ব যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনায় ইরানের দর-কষাকষির অবস্থান দুর্বল হবে: আইনপ্রণেতা সিরাজগঞ্জ বিএনপিতে অচলাবস্থা নিরসনে তারেক রহমানকে খোলা চিঠি

বিনা সুদে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ডিজিটাল ঋণের উদ্যোগ বাংলাদেশ ব্যাংকের

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১২:৩৫:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩০ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



প্রয়োজনীয় খরচ মেটাতে গ্রাহকদের জন্য বিনা সুদে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত স্বল্পমেয়াদি ডিজিটাল ঋণের নতুন ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ‘ই-পেমেন্ট ক্রেডিট’ নামের এই বিশেষ সুবিধাটি আগামী রোববার (৫ সেপ্টেম্বর) চালু হতে পারে বলে জানা গেছে।

এই ঋণের অর্থ দিয়ে গ্রাহকেরা বিদ্যুৎ ও গ্যাসসহ বিভিন্ন ইউটিলিটি বিল পরিশোধ, মোবাইল রিচার্জ, শিক্ষা ও চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে পারবেন। এছাড়া ভ্রমণ খরচ, কর ও সরকারি সেবার ফি, ঋণ বা আমানতের কিস্তি এবং বিমার প্রিমিয়াম পরিশোধেও এই সুবিধা ব্যবহার করা যাবে। প্রাথমিকভাবে ব্যাংকগুলো অন্তত ছয় মাস পরীক্ষামূলকভাবে (পাইলট) এই কার্যক্রম পরিচালনা করবে। পাইলট প্রকল্পের ফলাফল পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন সাপেক্ষে এটি বাণিজ্যিকভাবে চালু করা হবে।

তবে এই ঋণের অর্থ কোনোভাবেই নগদে তোলা যাবে না। এমনকি গ্রাহকের ব্যাংক হিসাব বা মোবাইল আর্থিক সেবার (এমএফএস) ওয়ালেটেও এই টাকা জমা করা যাবে না। অনুমোদিত ঋণের টাকা সরাসরি ডিজিটাল পেমেন্ট চ্যানেলের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট বিলদাতা বা সেবাদাতাকে পরিশোধ করতে হবে।

ঋণ পরিশোধের জন্য গ্রাহকেরা ৭, ১৫ ও ৩০ দিনের মেয়াদ পাবেন। এই ঋণে কোনো সুদ নেওয়া হবে না, তবে ব্যাংকগুলো নির্ধারিত সেবা ফি কাটবে। ৫০ থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত ঋণের ক্ষেত্রে ৭ দিনের জন্য সর্বোচ্চ ৩ টাকা, ১৫ দিনের জন্য ৪ টাকা এবং ৩০ দিনের জন্য ৬ টাকা সেবা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে, ৭ হাজার ১ টাকা থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণের ক্ষেত্রে সেবা ফি হবে ৭ দিনের জন্য সর্বোচ্চ ৩৫ টাকা, ১৫ দিনের জন্য ৭০ টাকা এবং ৩০ দিনের জন্য ১৩০ টাকা।

নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ঋণ পরিশোধ করলে কোনো অতিরিক্ত সুদ বা আগাম পরিশোধের ফি দিতে হবে না। তবে মেয়াদ পার হওয়ার পর পরিশোধ করলে জরিমানা করা হতে পারে, যা সংশ্লিষ্ট ঋণের দৈনিক সেবা ফির বেশি হবে না। পুরো প্রক্রিয়াটি—গ্রাহক নিবন্ধন, ঋণ অনুমোদন, অর্থ প্রদান ও ফেরত নেওয়া—ডিজিটালভাবে সম্পন্ন করতে হবে। লেনদেনের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ওটিপি (এককালীন পাসওয়ার্ড), দুই স্তরের বা একাধিক স্তরের নিরাপত্তা যাচাই পদ্ধতি ব্যবহার করতে হবে।

এই কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ব্যাংকগুলো মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস, পেমেন্ট সেবা প্রদানকারী এবং ফিনটেক প্রতিষ্ঠানের সাথে অংশীদারত্ব করতে পারবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক আশা করছে, এই উদ্যোগের ফলে দেশে ডিজিটাল পেমেন্টের ব্যবহার বৃদ্ধির পাশাপাশি সাধারণ মানুষ জরুরি প্রয়োজনে সহজেই ছোট অঙ্কের ঋণ সুবিধা পাবেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

বিনা সুদে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ডিজিটাল ঋণের উদ্যোগ বাংলাদেশ ব্যাংকের

আপডেট সময় : ১২:৩৫:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রয়োজনীয় খরচ মেটাতে গ্রাহকদের জন্য বিনা সুদে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত স্বল্পমেয়াদি ডিজিটাল ঋণের নতুন ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ‘ই-পেমেন্ট ক্রেডিট’ নামের এই বিশেষ সুবিধাটি আগামী রোববার (৫ সেপ্টেম্বর) চালু হতে পারে বলে জানা গেছে।

এই ঋণের অর্থ দিয়ে গ্রাহকেরা বিদ্যুৎ ও গ্যাসসহ বিভিন্ন ইউটিলিটি বিল পরিশোধ, মোবাইল রিচার্জ, শিক্ষা ও চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে পারবেন। এছাড়া ভ্রমণ খরচ, কর ও সরকারি সেবার ফি, ঋণ বা আমানতের কিস্তি এবং বিমার প্রিমিয়াম পরিশোধেও এই সুবিধা ব্যবহার করা যাবে। প্রাথমিকভাবে ব্যাংকগুলো অন্তত ছয় মাস পরীক্ষামূলকভাবে (পাইলট) এই কার্যক্রম পরিচালনা করবে। পাইলট প্রকল্পের ফলাফল পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন সাপেক্ষে এটি বাণিজ্যিকভাবে চালু করা হবে।

তবে এই ঋণের অর্থ কোনোভাবেই নগদে তোলা যাবে না। এমনকি গ্রাহকের ব্যাংক হিসাব বা মোবাইল আর্থিক সেবার (এমএফএস) ওয়ালেটেও এই টাকা জমা করা যাবে না। অনুমোদিত ঋণের টাকা সরাসরি ডিজিটাল পেমেন্ট চ্যানেলের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট বিলদাতা বা সেবাদাতাকে পরিশোধ করতে হবে।

ঋণ পরিশোধের জন্য গ্রাহকেরা ৭, ১৫ ও ৩০ দিনের মেয়াদ পাবেন। এই ঋণে কোনো সুদ নেওয়া হবে না, তবে ব্যাংকগুলো নির্ধারিত সেবা ফি কাটবে। ৫০ থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত ঋণের ক্ষেত্রে ৭ দিনের জন্য সর্বোচ্চ ৩ টাকা, ১৫ দিনের জন্য ৪ টাকা এবং ৩০ দিনের জন্য ৬ টাকা সেবা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে, ৭ হাজার ১ টাকা থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণের ক্ষেত্রে সেবা ফি হবে ৭ দিনের জন্য সর্বোচ্চ ৩৫ টাকা, ১৫ দিনের জন্য ৭০ টাকা এবং ৩০ দিনের জন্য ১৩০ টাকা।

নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ঋণ পরিশোধ করলে কোনো অতিরিক্ত সুদ বা আগাম পরিশোধের ফি দিতে হবে না। তবে মেয়াদ পার হওয়ার পর পরিশোধ করলে জরিমানা করা হতে পারে, যা সংশ্লিষ্ট ঋণের দৈনিক সেবা ফির বেশি হবে না। পুরো প্রক্রিয়াটি—গ্রাহক নিবন্ধন, ঋণ অনুমোদন, অর্থ প্রদান ও ফেরত নেওয়া—ডিজিটালভাবে সম্পন্ন করতে হবে। লেনদেনের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ওটিপি (এককালীন পাসওয়ার্ড), দুই স্তরের বা একাধিক স্তরের নিরাপত্তা যাচাই পদ্ধতি ব্যবহার করতে হবে।

এই কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ব্যাংকগুলো মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস, পেমেন্ট সেবা প্রদানকারী এবং ফিনটেক প্রতিষ্ঠানের সাথে অংশীদারত্ব করতে পারবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক আশা করছে, এই উদ্যোগের ফলে দেশে ডিজিটাল পেমেন্টের ব্যবহার বৃদ্ধির পাশাপাশি সাধারণ মানুষ জরুরি প্রয়োজনে সহজেই ছোট অঙ্কের ঋণ সুবিধা পাবেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh