ঢাকার বড় সমস্যা যানজট ও হকার অব্যবস্থাপনা: ডিএসসিসি প্রশাসক
- আপডেট সময় : ০৭:৩৯:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

রাজধানী ঢাকার প্রধান সমস্যাগুলোর মধ্যে যানজট এবং রাস্তায় হকারদের অব্যবস্থাপনাকে অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম। তিনি মনে করেন, বিশেষ করে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে সড়কে রিকশা ও হকারের সংখ্যা অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়ায় ঢাকার সড়ক ব্যবস্থাপনা প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। সম্প্রতি একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।
মো. আব্দুস সালাম, যিনি বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা পরিষদের একজন সদস্যও, দায়িত্ব নেওয়ার পর নিজের প্রথম অগ্রাধিকারের কথা জানান। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন অবহেলিত এবং অকার্যকর অবস্থায় ছিল। প্রতিষ্ঠানটি কার্যকরভাবে পরিচালিত হচ্ছিল না। তাই দায়িত্ব গ্রহণের পর তাঁর প্রধান লক্ষ্য ছিল প্রতিষ্ঠানটিকে একটি সক্রিয়, কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক সংস্থায় রূপান্তর করা। একই সঙ্গে জনগণের দৈনন্দিন নাগরিক সেবাগুলো যাতে দ্রুত ও যথাযথভাবে নিশ্চিত করা যায়, সেই চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
নগরবাসীর মৌলিক সমস্যাগুলো সমাধানের ওপর জোর দিয়ে প্রশাসক বলেন, মশার উপদ্রব কমানো, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, জলাবদ্ধতা দূরীকরণ এবং সড়কবাতি সচল রাখার মতো বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, শুধু সিটি করপোরেশনের একার পক্ষে ঢাকার সব নাগরিক সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়। এ জন্য নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে নগরবাসীর দায়িত্বশীল ভূমিকা, অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি।
নাগরিকদের অভিযোগ ও মতামত জানানোর সুযোগ সম্পর্কে তিনি উল্লেখ করেন, এলাকাভিত্তিক গণশুনানির ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি নাগরিকরা সরাসরি সিটি করপোরেশন কার্যালয়ে এসেও অভিযোগ জানাতে পারেন। এছাড়া দ্রুত অভিযোগ জানানোর জন্য একটি বিশেষ অ্যাপ চালু করা হয়েছে, যার মাধ্যমে নগরের যেকোনো সমস্যার কথা দ্রুত জানানো যায়। গণমাধ্যমে কোনো নাগরিক সমস্যার খবর প্রকাশিত হলে তা তাৎক্ষণিকভাবে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়, যদিও সব সমস্যার সমাধান সবসময় তাৎক্ষণিকভাবে করা সম্ভব হয় না।
নিজের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যাশা অনুযায়ী ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনকে একটি ‘গ্রিন সিটি, ক্লিন সিটি’ বা সবুজ ও পরিচ্ছন্ন শহর হিসেবে গড়ে তোলাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে শহর পরিষ্কার ও সবুজ রাখতে সিটি করপোরেশনের পাশাপাশি নাগরিকদেরও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।





























