ঢাকা ০৪:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তাইওয়ানকে চাপে রাখতে চীনের ‘গ্রে জোন’ কৌশল চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে সৌদিতে ৫৯ বিদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর চোয়ালের অস্ত্রোপচারের চার দিন পরেই জিমে ফিরেছেন দিবু মার্তিনেস কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বাড়ছে হাম ও ডেঙ্গু রোগী মাটিরাঙ্গায় দুর্গোৎসব শেষে পাহাড় পরিচ্ছন্নতায় তরুণদের প্রশংসনীয় উদ্যোগ আমতলীতে হেলপারের চালনায় বাস উল্টে ২৯ যাত্রী আহত সাজেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সশস্ত্র গোষ্ঠীর গোলাগুলি তোতলামি রোগ নয়, ভ্রান্ত ধারণা দূর করার আহ্বান পটিয়ায় চালককে অজ্ঞান করে ১৬ লাখ টাকার চিনি ছিনতাইয়ের অভিযোগ অতিরিক্ত এআই ব্যবহারে কি মানুষের স্মৃতিশক্তি কমছে, কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা

কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বাড়ছে হাম ও ডেঙ্গু রোগী

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৩:৫১:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কুষ্টিয়া জেলা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় হাম ও ডেঙ্গু রোগের প্রকোপ অব্যাহত রয়েছে। এর ফলে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এই দুই রোগে আক্রান্ত রোগীর চাপ বাড়ছে। তবে প্রতিদিন নতুন রোগী ভর্তির পাশাপাশি সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার হারও বেশ আশাব্যঞ্জক।

হাসপাতালটির সর্বশেষ দাপ্তরিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে সেখানে হাম ও ডেঙ্গু আক্রান্ত মোট ৯২ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. মো. আকুল উদ্দিন ও ভারপ্রাপ্ত পরিসংখ্যানবিদ সাব্বির হাসান খান এই হালনাগাদ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, গত ২৪ ঘণ্টায় এই হাসপাতালে হাম বা ডেঙ্গুতে আক্রান্ত কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি।

প্রতিবেদন বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ২১ অক্টোবর সকাল ৮টা থেকে ২২ অক্টোবর সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ১২ জন নতুন হাম আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে আগে ভর্তি থাকা ৫৪ জন রোগীর মধ্যে ১৮ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। বর্তমানে হাসপাতালে মোট ৪৮ জন হাম রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

অন্যদিকে ডেঙ্গু রোগীদের ক্ষেত্রেও বাড়তি চাপ সামলাতে হচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১৭ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। আগের দিন হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ছিল ৫১ জন। বর্তমানে ডেঙ্গু ওয়ার্ডে ৪৪ জন রোগী চিকিৎসাধীন আছেন এবং গত ২৪ ঘণ্টায় ২৪ জন রোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

পরিস্থিতি নিয়ে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. মো. আকুল উদ্দিন বলেন, ঋতু পরিবর্তন এবং স্থানীয় পরিবেশগত কারণে হাম ও ডেঙ্গুর সার্বিক চাপ কিছুটা বেশি রয়েছে। চিকিৎসাধীন রোগীদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং হাসপাতালের পক্ষ থেকে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। একই সাথে শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বাড়ছে হাম ও ডেঙ্গু রোগী

আপডেট সময় : ০৩:৫১:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

কুষ্টিয়া জেলা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় হাম ও ডেঙ্গু রোগের প্রকোপ অব্যাহত রয়েছে। এর ফলে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এই দুই রোগে আক্রান্ত রোগীর চাপ বাড়ছে। তবে প্রতিদিন নতুন রোগী ভর্তির পাশাপাশি সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার হারও বেশ আশাব্যঞ্জক।

হাসপাতালটির সর্বশেষ দাপ্তরিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে সেখানে হাম ও ডেঙ্গু আক্রান্ত মোট ৯২ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. মো. আকুল উদ্দিন ও ভারপ্রাপ্ত পরিসংখ্যানবিদ সাব্বির হাসান খান এই হালনাগাদ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, গত ২৪ ঘণ্টায় এই হাসপাতালে হাম বা ডেঙ্গুতে আক্রান্ত কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি।

প্রতিবেদন বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ২১ অক্টোবর সকাল ৮টা থেকে ২২ অক্টোবর সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ১২ জন নতুন হাম আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে আগে ভর্তি থাকা ৫৪ জন রোগীর মধ্যে ১৮ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। বর্তমানে হাসপাতালে মোট ৪৮ জন হাম রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

অন্যদিকে ডেঙ্গু রোগীদের ক্ষেত্রেও বাড়তি চাপ সামলাতে হচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১৭ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। আগের দিন হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ছিল ৫১ জন। বর্তমানে ডেঙ্গু ওয়ার্ডে ৪৪ জন রোগী চিকিৎসাধীন আছেন এবং গত ২৪ ঘণ্টায় ২৪ জন রোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

পরিস্থিতি নিয়ে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. মো. আকুল উদ্দিন বলেন, ঋতু পরিবর্তন এবং স্থানীয় পরিবেশগত কারণে হাম ও ডেঙ্গুর সার্বিক চাপ কিছুটা বেশি রয়েছে। চিকিৎসাধীন রোগীদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং হাসপাতালের পক্ষ থেকে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। একই সাথে শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin