চোয়ালের অস্ত্রোপচারের চার দিন পরেই জিমে ফিরেছেন দিবু মার্তিনেস
- আপডেট সময় : ০৩:৫৪:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে

চোয়ালের চোট সামলে চোটের চার দিনের মাথায় জিমে পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শুরু করেছেন আর্জেন্টিনা ও চেলসির তারকা গোলরক্ষক এমিলিয়ানো ‘দিবু’ মার্তিনেস। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামের স্টোরিতে শরীরচর্চার একটি ভিডিও প্রকাশ করে ভক্তদের নিজের শারীরিক সুস্থতার উন্নতির বার্তা দিয়েছেন এই বিশ্বজয়ী তারকা।
লিভারপুলের হিল ডিকিনসন স্টেডিয়ামে চেলসি ও এভারটনের মধ্যকার ম্যাচে প্রতিপক্ষ ফুটবলারের সঙ্গে সংঘর্ষে চোয়ালে মারাত্মক চোট পান মার্তিনেস। দুর্ঘটনার পরপরই মাঠ ছাড়তে হয় তাকে। পরবর্তীতে তার চোয়ালের হাড়ে চিড় ধরা পড়ায় চিকিৎসকেরা সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করেন। অস্ত্রোপচার শেষ হওয়ার চার দিন পরই পুনর্বাসনের প্রাথমিক ধাপে নিজের শারীরিক সক্ষমতা ধরে রাখতে জিমে স্থির সাইকেলে কসরত করতে দেখা গেছে তাকে।
তবে জিমে ফিরে শরীরচর্চা শুরু করলেও এখনই প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে ফেরার কোনো সম্ভাবনা নেই মার্তিনেসের। চোয়ালের হাড়ের চোট পুরোপুরি সেরে উঠতে কয়েক সপ্তাহ সময় লেগে যেতে পারে। এছাড়া গোলরক্ষক হিসেবে খেলার সময় মাঠে বারবার শারীরিক সংঘর্ষের ঝুঁকি থাকায় তার মাঠে নামার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করছেন চিকিৎসকেরা।
মার্তিনেস মাঠের বাইরে থাকায় জাতীয় দল আর্জেন্টিনার বিকল্প গোলরক্ষক নির্বাচন নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। কোচ লিওনেল স্কালোনির স্কোয়াডে তার জায়গায় বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে জেরোনিমো রুলি, হুয়ান মুসো ও সান্তিয়াগো বেলত্রানকে। পাশাপাশি পূর্বে জাতীয় দলে ডাক পাওয়া ওয়াল্টার বেনিতেসও স্কালোনির ভাবনায় রয়েছেন।
এই বিকল্পগুলোর মধ্যে ৩৪ বছর বয়সী জেরোনিমো রুলিকে দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে রাখা হচ্ছে। এস্তুদিয়ান্তেসের যুব দল থেকে উঠে আসা এই গোলরক্ষক গত ৩ অক্টোবর মনুমেন্তালে বুরকিনা ফাসোর বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ৭-০ গোলের বড় জয়ের শেষ দিকে মার্তিনেসের বদলি হয়ে নেমেছিলেন। এর আগে গত বিশ্বকাপের পূর্বে আইসল্যান্ডের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে ৩-০ ব্যবধানের জয়েও আর্জেন্টিনার শুরুর একাদশে খেলেছিলেন রুলি।
অবশ্য ক্লাব ফুটবলে ম্যানচেস্টার সিটিতে যোগ দেওয়ার পর নিয়মিত মাঠে নামার তেমন সুযোগ পাননি রুলি। গত ১৭ সেপ্টেম্বর লিগ কাপের ম্যাচে নরউইচ সিটির বিরুদ্ধে ৫-০ গোলের জয়ের ম্যাচটিই ছিল সিটির জার্সিতে তার একমাত্র ম্যাচ। ফলে জাতীয় দলের মূল একাদশে কাকে সুযোগ দেওয়া হবে, সেক্ষেত্রে ম্যাচ ফিটনেস ও নিয়মিত খেলার অভিজ্ঞতা বড় নিয়ামক হয়ে উঠতে পারে।




























