ঢাকা ১১:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যশোরের চৌগাছায় পুকুরে ডুবে আড়াই বছরের মামা-ভাগিনার মৃত্যু বাংলা কিউআরে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত লেনদেনে প্রণোদনা পীরগাছায় সার ডিলার নিয়োগে কোটি টাকা বাণিজ্যের অভিযোগ, বিএনপি নেতা জড়িত ঢাকার ৩৫ এলাকায় ডেঙ্গুর উচ্চ ঝুঁকি, অক্টোবরে বাড়তে পারে প্রকোপ জানুয়ারিতে সংসদে সংবিধান সংশোধন বিল উত্থাপনের পরিকল্পনা ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে রুশ রাজপুত্রের দেহাবশেষ পাঠানোর নেপথ্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকারসহ ৩ অনুচ্ছেদে গণভোটের প্রস্তাব বিএনপির গাজায় জাতিসংঘের কোনো ভূমিকা নেই, জানাল বোর্ড অব পিস বিসিবির নতুন টুর্নামেন্ট ‘ডি থ্রি ট্রফি’র যাত্রা শুরু নিয়ন্ত্রণহীন এআইয়ে ১০০ কোটি মৃত্যুর শঙ্কা: বিল গেটস

তজুমদ্দিনে মেঘনার তীব্র স্রোতে ট্রলার ডুবি, ৪ জেলে উদ্ধার

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১০:২৪:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার মেঘনা নদীতে তীব্র স্রোতের কবলে পড়ে একটি মাছ ধরার ট্রলার ডুবে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। গত শনিবার দুপুরে চাঁদপুর ইউনিয়নের হাজিকান্দি এলাকার রুহুল আমিন মাঝির মালিকানাধীন ট্রলারটি নদীতে মাছ ধরার সময় এই দুর্ঘটনার শিকার হয়। ট্রলারে থাকা চার জেলে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে প্রাণে বাঁচলেও ডুবে যাওয়া ট্রলারটির কোনো সন্ধান এখনো মেলেনি। এ নিয়ে স্থানীয় জেলে ও ট্রলার মালিকদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

জানা গেছে, ঘটনার দিন দুপুর দেড়টার দিকে মাছ ধরা শেষে ঘাটে ফেরার পথে হঠাৎ নদীর স্রোতের তীব্রতা বৃদ্ধি পায়। এতে ট্রলারটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মুহূর্তের মধ্যে পানির নিচে তলিয়ে যায়। এ সময় ট্রলারে থাকা রুহুল আমিন মাঝি, মো. শাহিন, জসিম উদ্দিন ও নাসির উদ্দিন নিজেদের জীবন বাঁচাতে নদীতে ঝাঁপ দেন। পরবর্তীতে সোনার চর এলাকার অন্য একটি মাছ ধরার ট্রলারের জেলেরা তাদের ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করেন।

ট্রলার ডুবির খবর ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় জেলেরা নদীতে তল্লাশি শুরু করেন। তবে মেঘনার তীব্র স্রোত ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে উদ্ধার তৎপরতা ব্যাহত হচ্ছে এবং এখন পর্যন্ত ট্রলারটির কোনো হদিস পাওয়া যায়নি। ট্রলারের মালিক রুহুল আমিন মাঝি জানান, ট্রলারটি উদ্ধার করা সম্ভব না হলে সেটি নদীর গভীরে আরও দূরে ভেসে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই দুর্ঘটনায় তার প্রায় ১০ লক্ষাধিক টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেছেন।

এদিকে, স্থানীয় জেলেরা জানিয়েছেন যে মেঘনা নদীতে স্রোত বাড়লে ছোট ও মাঝারি আকারের ট্রলারগুলো মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ে। তারা জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কাছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

তজুমদ্দিন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আমির হোসেন এ বিষয়ে জানান, ক্ষতিগ্রস্ত জেলেরা আর্থিক সহায়তার জন্য আবেদন করেছেন। আবেদনটি দ্রুত ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে এবং কোনো বরাদ্দ এলে তা ক্ষতিগ্রস্ত জেলেদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

তজুমদ্দিনে মেঘনার তীব্র স্রোতে ট্রলার ডুবি, ৪ জেলে উদ্ধার

আপডেট সময় : ১০:২৪:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার মেঘনা নদীতে তীব্র স্রোতের কবলে পড়ে একটি মাছ ধরার ট্রলার ডুবে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। গত শনিবার দুপুরে চাঁদপুর ইউনিয়নের হাজিকান্দি এলাকার রুহুল আমিন মাঝির মালিকানাধীন ট্রলারটি নদীতে মাছ ধরার সময় এই দুর্ঘটনার শিকার হয়। ট্রলারে থাকা চার জেলে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে প্রাণে বাঁচলেও ডুবে যাওয়া ট্রলারটির কোনো সন্ধান এখনো মেলেনি। এ নিয়ে স্থানীয় জেলে ও ট্রলার মালিকদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

জানা গেছে, ঘটনার দিন দুপুর দেড়টার দিকে মাছ ধরা শেষে ঘাটে ফেরার পথে হঠাৎ নদীর স্রোতের তীব্রতা বৃদ্ধি পায়। এতে ট্রলারটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মুহূর্তের মধ্যে পানির নিচে তলিয়ে যায়। এ সময় ট্রলারে থাকা রুহুল আমিন মাঝি, মো. শাহিন, জসিম উদ্দিন ও নাসির উদ্দিন নিজেদের জীবন বাঁচাতে নদীতে ঝাঁপ দেন। পরবর্তীতে সোনার চর এলাকার অন্য একটি মাছ ধরার ট্রলারের জেলেরা তাদের ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করেন।

ট্রলার ডুবির খবর ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় জেলেরা নদীতে তল্লাশি শুরু করেন। তবে মেঘনার তীব্র স্রোত ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে উদ্ধার তৎপরতা ব্যাহত হচ্ছে এবং এখন পর্যন্ত ট্রলারটির কোনো হদিস পাওয়া যায়নি। ট্রলারের মালিক রুহুল আমিন মাঝি জানান, ট্রলারটি উদ্ধার করা সম্ভব না হলে সেটি নদীর গভীরে আরও দূরে ভেসে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই দুর্ঘটনায় তার প্রায় ১০ লক্ষাধিক টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেছেন।

এদিকে, স্থানীয় জেলেরা জানিয়েছেন যে মেঘনা নদীতে স্রোত বাড়লে ছোট ও মাঝারি আকারের ট্রলারগুলো মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ে। তারা জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কাছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

তজুমদ্দিন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আমির হোসেন এ বিষয়ে জানান, ক্ষতিগ্রস্ত জেলেরা আর্থিক সহায়তার জন্য আবেদন করেছেন। আবেদনটি দ্রুত ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে এবং কোনো বরাদ্দ এলে তা ক্ষতিগ্রস্ত জেলেদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh