ঢাকা ০৯:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাংবাদিকদের নিয়োগপত্র ও পরিচয়পত্র দেওয়া বাধ্যতামূলক: প্রেস কাউন্সিল ঢাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে একদিনে গ্রেপ্তার ৪৬৫, মামলা ৭৩ কয়রার যোগাযোগ সংকট কাটাতে ৬০ কিলোমিটার সড়ক উন্নয়নের উদ্যোগ দেশে ২ কোটি শিশুকে হাম-রুবেলা টিকা, লক্ষ্য আরও ৩৫ লাখ সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থানে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দাবি ভাঙ্গুড়ায় নৈশ প্রহরী পদে চাকরি দেওয়ার নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগ সিসিটিভিতে ধরা পড়ল প্রিজন ভ্যান থেকে পিচ্চি রাজার পালানোর দৃশ্য বাংলাদেশ সফরে আসছেন জাতিসংঘের বিশেষ র‍্যাপোর্টিয়ার ফরিদা শহীদ মনোযোগের রাশ কার হাতে, আপনার নাকি ফোনের স্ক্রিনের? যুক্তরাষ্ট্রে ফায়ারিং স্কোয়াডে কার্যকর হবে সাবেক মেজরের মৃত্যুদণ্ড

মনপুরায় সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ইউএনও আবু মুছার বিরুদ্ধে

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১১:২৫:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬ ১২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ভোলার মনপুরায় জাতীয় শিশু-কিশোর প্রতিযোগিতা ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ উপলক্ষ্যে বরাদ্দকৃত ১ লাখ টাকা আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি মো. আবু মুছার বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গনসহ বিভিন্ন মহলে তীব্র সমালোচনা ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্যসচিব অধ্যক্ষ মাহবুবুল আলম শাহীন এবং সদস্য হোসেন হাওলাদার এই বরাদ্দের অর্থের পূর্ণাঙ্গ হিসাব জনসমক্ষে প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন। একইসঙ্গে তারা একটি নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন। অধ্যক্ষ মাহবুবুল আলম শাহীন অভিযোগ করেন, ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ আয়োজনের বিষয়ে ইউএনও মো. আবু মুছা তার সঙ্গে কোনো প্রকার যোগাযোগ করেননি। তিনি অভিযোগ করেন যে, ইউএনও সম্পূর্ণ নিজ উদ্যোগে সরকারি অর্থ উত্তোলন করেছেন এবং এই অর্থ কীভাবে ব্যয় করা হয়েছে, তা কেবল তিনিই বলতে পারবেন।

ক্রীড়া সংস্থার সদস্য হোসেন হাওলাদার জানান, নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে ফুটবল ও ব্যাডমিন্টন খেলায় অংশগ্রহণকারী ২৭ জন খেলোয়াড়ের ভোলা যাতায়াতের জন্য ইউএনও মাত্র ২৬ হাজার টাকা প্রদান করেছেন। এর বাইরে বাকি টাকা কীভাবে ব্যয় করা হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি অবগত নন।

ভোলা জেলা ক্রীড়া সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, কেন্দ্রীয়ভাবে প্রতিটি উপজেলায় ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ আয়োজনের জন্য ১ লাখ টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। এর বাইরে জেলা ক্রীড়া সংস্থা থেকে অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড়দের যাতায়াত, থাকা ও খাওয়ার খরচ বাবদ আরও ২৬ হাজার টাকা দেওয়া হয়। সব মিলিয়ে মনপুরায় মোট ১ লাখ ২৬ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। ভোলা জেলা ক্রীড়া কার্যালয়ের উপপরিচালক সাইদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সরকারিভাবে ১ লাখ টাকা এবং যাতায়াত ও খাওয়া-দাওয়ার জন্য জেলা থেকে আরও ২৬ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল।

এদিকে, নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবু মুছা। তিনি দাবি করেন, জেলা থেকে যে ২৬ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল, তা নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের প্রচারণার কাজে ব্যয় হয়েছে। তবে সরকারিভাবে বরাদ্দ দেওয়া ১ লাখ টাকা কীভাবে ব্যয় হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। ভোলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. শামীম রহমান জানিয়েছেন, এই অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

মনপুরায় সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ইউএনও আবু মুছার বিরুদ্ধে

আপডেট সময় : ১১:২৫:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

ভোলার মনপুরায় জাতীয় শিশু-কিশোর প্রতিযোগিতা ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ উপলক্ষ্যে বরাদ্দকৃত ১ লাখ টাকা আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি মো. আবু মুছার বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গনসহ বিভিন্ন মহলে তীব্র সমালোচনা ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্যসচিব অধ্যক্ষ মাহবুবুল আলম শাহীন এবং সদস্য হোসেন হাওলাদার এই বরাদ্দের অর্থের পূর্ণাঙ্গ হিসাব জনসমক্ষে প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন। একইসঙ্গে তারা একটি নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন। অধ্যক্ষ মাহবুবুল আলম শাহীন অভিযোগ করেন, ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ আয়োজনের বিষয়ে ইউএনও মো. আবু মুছা তার সঙ্গে কোনো প্রকার যোগাযোগ করেননি। তিনি অভিযোগ করেন যে, ইউএনও সম্পূর্ণ নিজ উদ্যোগে সরকারি অর্থ উত্তোলন করেছেন এবং এই অর্থ কীভাবে ব্যয় করা হয়েছে, তা কেবল তিনিই বলতে পারবেন।

ক্রীড়া সংস্থার সদস্য হোসেন হাওলাদার জানান, নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে ফুটবল ও ব্যাডমিন্টন খেলায় অংশগ্রহণকারী ২৭ জন খেলোয়াড়ের ভোলা যাতায়াতের জন্য ইউএনও মাত্র ২৬ হাজার টাকা প্রদান করেছেন। এর বাইরে বাকি টাকা কীভাবে ব্যয় করা হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি অবগত নন।

ভোলা জেলা ক্রীড়া সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, কেন্দ্রীয়ভাবে প্রতিটি উপজেলায় ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ আয়োজনের জন্য ১ লাখ টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। এর বাইরে জেলা ক্রীড়া সংস্থা থেকে অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড়দের যাতায়াত, থাকা ও খাওয়ার খরচ বাবদ আরও ২৬ হাজার টাকা দেওয়া হয়। সব মিলিয়ে মনপুরায় মোট ১ লাখ ২৬ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। ভোলা জেলা ক্রীড়া কার্যালয়ের উপপরিচালক সাইদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সরকারিভাবে ১ লাখ টাকা এবং যাতায়াত ও খাওয়া-দাওয়ার জন্য জেলা থেকে আরও ২৬ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল।

এদিকে, নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবু মুছা। তিনি দাবি করেন, জেলা থেকে যে ২৬ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল, তা নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের প্রচারণার কাজে ব্যয় হয়েছে। তবে সরকারিভাবে বরাদ্দ দেওয়া ১ লাখ টাকা কীভাবে ব্যয় হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। ভোলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. শামীম রহমান জানিয়েছেন, এই অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh