ঢাকা ০৪:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

নরসিংদীর নাছিমা কাদির মোল্লা স্কুলের ৩৮২ শিক্ষার্থীর সবাই জিপিএ-৫

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২৪:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

নরসিংদীর নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যান্ড হোমস এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে আবারও ঈর্ষণীয় সাফল্য অর্জন করেছে। এ বছর প্রতিষ্ঠানটি থেকে ৩৮২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে, যার প্রত্যেকেই জিপিএ-৫ পাওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। সোমবার দুপুরে অনলাইনে ফলাফল প্রকাশের পর বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আনন্দের জোয়ার বয়ে যায়।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এবার বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৩৭৬ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে ৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। শতভাগ পাসের পাশাপাশি সবার জিপিএ-৫ পাওয়ার এই ধারাবাহিক সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বিদ্যালয়ের সভাপতি আবদুল কাদির মোল্লা এবং প্রতিষ্ঠাতা মিসেস নাছিমা মোল্লা।

প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘদিনের সাফল্যের ধারাবাহিকতা পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ২০১৭, ২০২২ ও ২০২৫ সালে তারা শতভাগ পাসের পাশাপাশি শতভাগ জিপিএ-৫ পাওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করেছে। এছাড়া ২০২৪ সালে ২৯৪ জনের মধ্যে ২৯৩ জন, ২০২৩ সালে ২৭৮ জনের মধ্যে ২৭০ জন, ২০২১ সালে ২৪৭ জনের মধ্যে ২৩৭ জন এবং ২০২০ সালে ২১৪ জনের মধ্যে ২০০ জন জিপিএ-৫ পেয়েছিল। ২০১৯ সালে ১৭১ জনের মধ্যে ১৬৮ জন এবং ২০১৮ সালে ১৩৯ জনের মধ্যে ১৩৭ জন জিপিএ-৫ অর্জন করে।

বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী তাজরিয়ান হোসেন মুন জানান, তার এই সাফল্যের পেছনে বাবা-মা ও শিক্ষকদের পরিশ্রম রয়েছে। নিয়মিত ক্লাস করা এবং কোনো পরীক্ষা বা মডেল টেস্ট বাদ না দেওয়ায় চর্চাটা খুব ভালো হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও থার্মেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান আবদুল কাদির মোল্লা বলেন, মফস্বল শহরে মানসম্মত শিক্ষা প্রদানের অঙ্গীকার নিয়ে তারা এই প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলেন। তিনি আরও বলেন, পরিচালনা পর্ষদ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে নিবিড় সমন্বয়ই এই সাফল্যের মূল কারণ। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সারাদেশের ফলাফলের তুলনায় তাদের প্রতিষ্ঠান এবারও দেশসেরা অবস্থানে থাকবে।

প্রধান শিক্ষক মো. ইমন হোসেন জানান, বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে সমন্বয় এবং আবদুল কাদির মোল্লার উদ্ভাবনী দিকনির্দেশনাই এই সাফল্যের মূলমন্ত্র।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Amader Shomoy

নিউজটি শেয়ার করুন

নরসিংদীর নাছিমা কাদির মোল্লা স্কুলের ৩৮২ শিক্ষার্থীর সবাই জিপিএ-৫

আপডেট সময় : ০২:২৪:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
print news

নরসিংদীর নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যান্ড হোমস এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে আবারও ঈর্ষণীয় সাফল্য অর্জন করেছে। এ বছর প্রতিষ্ঠানটি থেকে ৩৮২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে, যার প্রত্যেকেই জিপিএ-৫ পাওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। সোমবার দুপুরে অনলাইনে ফলাফল প্রকাশের পর বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আনন্দের জোয়ার বয়ে যায়।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এবার বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৩৭৬ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে ৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। শতভাগ পাসের পাশাপাশি সবার জিপিএ-৫ পাওয়ার এই ধারাবাহিক সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বিদ্যালয়ের সভাপতি আবদুল কাদির মোল্লা এবং প্রতিষ্ঠাতা মিসেস নাছিমা মোল্লা।

প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘদিনের সাফল্যের ধারাবাহিকতা পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ২০১৭, ২০২২ ও ২০২৫ সালে তারা শতভাগ পাসের পাশাপাশি শতভাগ জিপিএ-৫ পাওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করেছে। এছাড়া ২০২৪ সালে ২৯৪ জনের মধ্যে ২৯৩ জন, ২০২৩ সালে ২৭৮ জনের মধ্যে ২৭০ জন, ২০২১ সালে ২৪৭ জনের মধ্যে ২৩৭ জন এবং ২০২০ সালে ২১৪ জনের মধ্যে ২০০ জন জিপিএ-৫ পেয়েছিল। ২০১৯ সালে ১৭১ জনের মধ্যে ১৬৮ জন এবং ২০১৮ সালে ১৩৯ জনের মধ্যে ১৩৭ জন জিপিএ-৫ অর্জন করে।

বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী তাজরিয়ান হোসেন মুন জানান, তার এই সাফল্যের পেছনে বাবা-মা ও শিক্ষকদের পরিশ্রম রয়েছে। নিয়মিত ক্লাস করা এবং কোনো পরীক্ষা বা মডেল টেস্ট বাদ না দেওয়ায় চর্চাটা খুব ভালো হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও থার্মেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান আবদুল কাদির মোল্লা বলেন, মফস্বল শহরে মানসম্মত শিক্ষা প্রদানের অঙ্গীকার নিয়ে তারা এই প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলেন। তিনি আরও বলেন, পরিচালনা পর্ষদ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে নিবিড় সমন্বয়ই এই সাফল্যের মূল কারণ। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সারাদেশের ফলাফলের তুলনায় তাদের প্রতিষ্ঠান এবারও দেশসেরা অবস্থানে থাকবে।

প্রধান শিক্ষক মো. ইমন হোসেন জানান, বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে সমন্বয় এবং আবদুল কাদির মোল্লার উদ্ভাবনী দিকনির্দেশনাই এই সাফল্যের মূলমন্ত্র।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Amader Shomoy