ঢাকা ১২:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেওয়ানগঞ্জে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে ভ্যান, চালক নিহত কল্কি-২: দীপিকার চরিত্রে নতুন কাউকে নেওয়া হচ্ছে না যুদ্ধ বন্ধে ইরানের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শ্রীরামপুরের জনসভা থেকে জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে মমতার কড়া হুঙ্কার ক্যানসার চিকিৎসায় পাঁচটি নতুন বায়োলজিকস আনবে এসকেএফ অষ্টগ্রামে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, সভাপতিকে কারণ দর্শানোর নোটিশ লিডার অব দ্য ইসলামিক ইকোনমি অ্যাওয়ার্ড পেলেন ড. মাসুম বিল্লাহ পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়ায় চেকপোস্টে আত্মঘাতী হামলায় ১১ নিহত ২০২৭ বিশ্বকাপই ভারতের হয়ে আমার শেষ আসর: বিরাট কোহলি বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমলে দেশেও কমানো হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঝালকাঠির রাজাপুরে বেহাল সড়ক সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১১:৩৪:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬ ২৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার সাতুরিয়া ইউনিয়নের আমতলা বাজার থেকে পাঙ্গাসিয়ার পাড় পর্যন্ত প্রায় ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটির বেহাল দশার কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয়রা। দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত এই সড়কটি দ্রুত নির্মাণ ও সংস্কারের দাবিতে রোববার সকাল ১১টার দিকে তারাবুনিয়া কদমতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও তারাবুনিয়া ওয়াহেদিয়া দাখিল মাদ্রাসার সামনে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচিতে স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা অংশ নেন।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা জানান, দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে সড়কটির বেহাল অবস্থার কারণে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, রোগী ও সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতাধীন এই সড়কের মাত্র ১ কিলোমিটার অংশে ২০০২ সালে ইটের সলিং দেওয়া হয়েছিল। অবশিষ্ট প্রায় ২ কিলোমিটার অংশ এখনো কাঁচা থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই কাদায় একাকার হয়ে যায় এবং বছরের অধিকাংশ সময় সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী থাকে।

বক্তারা আরও জানান, সড়কটিতে তিনটি সাঁকো এবং আটটি কালভার্ট রয়েছে, যার মধ্যে তিনটি কালভার্ট বর্তমানে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা। স্থানীয়দের তথ্যমতে, ৫ নম্বর কদমতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তারাবুনিয়া ওয়াহেদিয়া দাখিল মাদ্রাসা এবং ৮০ নম্বর দক্ষিণ তারাবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এই সড়ক ব্যবহার করে। প্রতিদিন প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার মানুষ এই পথ দিয়ে যাতায়াত করেন।

সড়কটির বেহাল অবস্থার কারণে কৃষিপণ্য বাজারজাত করতে স্থানীয় কৃষকদের অতিরিক্ত খরচ ও সময় ব্যয় করতে হয়। বর্ষা মৌসুমে অনেক সময় যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়া রাজাপুর উপজেলার পাশাপাশি সীমান্তবর্তী কাউখালী উপজেলার কয়েক হাজার মানুষও রাজাপুর ও ভান্ডারিয়া উপজেলায় যাতায়াতের জন্য এই সড়কের ওপর নির্ভরশীল। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সাতুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য হুমায়ুন কাজী, সাবেক ইউপি সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাচ্চু, বিএনপির সাবেক ৭ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি নুরুল ইসলাম, মাদরাসা সুপার মাওলানা আতিকুর রহমান, প্রধান শিক্ষক মিল্লাত হোসেন ও সমাজসেবক আব্দুল কুদ্দুস। বক্তারা অবিলম্বে সড়কটি পাকাকরণ ও ঝুঁকিপূর্ণ কালভার্ট পুনর্নির্মাণের দাবি জানান, অন্যথায় বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দেন। এ বিষয়ে উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী অভিজিৎ মণ্ডল জানান, উপজেলার বেশ কিছু সড়ক সংস্কার প্রয়োজন এবং বরাদ্দ পেলে পর্যায়ক্রমে সংস্কার কাজ শুরু করা হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

ঝালকাঠির রাজাপুরে বেহাল সড়ক সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন

আপডেট সময় : ১১:৩৪:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার সাতুরিয়া ইউনিয়নের আমতলা বাজার থেকে পাঙ্গাসিয়ার পাড় পর্যন্ত প্রায় ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটির বেহাল দশার কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয়রা। দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত এই সড়কটি দ্রুত নির্মাণ ও সংস্কারের দাবিতে রোববার সকাল ১১টার দিকে তারাবুনিয়া কদমতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও তারাবুনিয়া ওয়াহেদিয়া দাখিল মাদ্রাসার সামনে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচিতে স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা অংশ নেন।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা জানান, দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে সড়কটির বেহাল অবস্থার কারণে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, রোগী ও সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতাধীন এই সড়কের মাত্র ১ কিলোমিটার অংশে ২০০২ সালে ইটের সলিং দেওয়া হয়েছিল। অবশিষ্ট প্রায় ২ কিলোমিটার অংশ এখনো কাঁচা থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই কাদায় একাকার হয়ে যায় এবং বছরের অধিকাংশ সময় সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী থাকে।

বক্তারা আরও জানান, সড়কটিতে তিনটি সাঁকো এবং আটটি কালভার্ট রয়েছে, যার মধ্যে তিনটি কালভার্ট বর্তমানে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা। স্থানীয়দের তথ্যমতে, ৫ নম্বর কদমতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তারাবুনিয়া ওয়াহেদিয়া দাখিল মাদ্রাসা এবং ৮০ নম্বর দক্ষিণ তারাবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এই সড়ক ব্যবহার করে। প্রতিদিন প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার মানুষ এই পথ দিয়ে যাতায়াত করেন।

সড়কটির বেহাল অবস্থার কারণে কৃষিপণ্য বাজারজাত করতে স্থানীয় কৃষকদের অতিরিক্ত খরচ ও সময় ব্যয় করতে হয়। বর্ষা মৌসুমে অনেক সময় যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়া রাজাপুর উপজেলার পাশাপাশি সীমান্তবর্তী কাউখালী উপজেলার কয়েক হাজার মানুষও রাজাপুর ও ভান্ডারিয়া উপজেলায় যাতায়াতের জন্য এই সড়কের ওপর নির্ভরশীল। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সাতুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য হুমায়ুন কাজী, সাবেক ইউপি সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাচ্চু, বিএনপির সাবেক ৭ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি নুরুল ইসলাম, মাদরাসা সুপার মাওলানা আতিকুর রহমান, প্রধান শিক্ষক মিল্লাত হোসেন ও সমাজসেবক আব্দুল কুদ্দুস। বক্তারা অবিলম্বে সড়কটি পাকাকরণ ও ঝুঁকিপূর্ণ কালভার্ট পুনর্নির্মাণের দাবি জানান, অন্যথায় বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দেন। এ বিষয়ে উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী অভিজিৎ মণ্ডল জানান, উপজেলার বেশ কিছু সড়ক সংস্কার প্রয়োজন এবং বরাদ্দ পেলে পর্যায়ক্রমে সংস্কার কাজ শুরু করা হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh