ঢাকা ১১:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজের পূর্ণশক্তির দল নিয়ে উচ্ছ্বসিত শান্ত শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগের পথে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন রংপুরের কাউনিয়ায় বাঁশের সাঁকোয় ঝুঁকি নিয়ে পারাপার ৫০ হাজার মানুষের সাগরে লঘুচাপ, রোববার থেকে বৃষ্টির প্রবণতা বাড়ার পূর্বাভাস হামলা সত্ত্বেও দ্রুত সামরিক অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ করছে ইরান দিল্লির যন্তর মন্তরে সিজেপি বিক্ষোভে নজরদারিতে এফআরএস ক্যামেরা জনগণই সরকারের ক্ষমতার প্রকৃত উৎস: মাহদী আমিন মোদী সরকারকে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিল সিজেপি সাঁথিয়ায় মসজিদে ইমামতি নিয়ে বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীদের হাতাহাতি মো. সাহাবুদ্দিনকে গ্রেপ্তারের দাবি জানালো জাতীয় নাগরিক পার্টি

সাঁথিয়ায় মসজিদে ইমামতি নিয়ে বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীদের হাতাহাতি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২৪:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

পাবনার সাঁথিয়া পৌর এলাকার আফতাবনগর বাজার জামে মসজিদে জুমার নামাজে ইমামতি করা নিয়ে বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার জুমার নামাজ শুরুর আগে এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় বলে জানিয়েছেন সাঁথিয়া থানার ওসি আনিসুর রহমান।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পাবনা-১ আসনের সংসদ সদস্য নাজিবুর রহমান মোমেন, যিনি জামায়াতে ইসলামীর প্রয়াত আমির মতিউর রহমান নিজামীর ছেলে, দুপুরে মসজিদে পৌঁছান। খুতবার আগে তিনি মাইক্রোফোনে বক্তব্য প্রদান করেন এবং ইমামতি করার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন। এই ঘোষণার পরপরই মসজিদে উপস্থিত বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়, যা পরবর্তীতে হাতাহাতিতে রূপ নেয়। খবর পেয়ে সাঁথিয়া থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। শেষ পর্যন্ত মসজিদের ইমামের পেছনেই সবাই জুমার নামাজ আদায় করেন।

সাঁথিয়া পৌর বিএনপির সভাপতি মো. আব্দুল করিম অভিযোগ করেন, জামায়াতের সংসদ সদস্য দলীয় প্রভাব বিস্তারের উদ্দেশ্যে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছেন। তিনি দাবি করেন, এমপি হঠাৎ করেই ইমামের হাত থেকে মাইক্রোফোন কেড়ে নিয়ে বক্তব্য দেন এবং জোরপূর্বক ইমামতি করতে চেয়েছিলেন। এর প্রতিবাদ করলে জামায়াত-শিবির ও এনসিপি কর্মীরা উসকানিমূলক আচরণ এবং ধাক্কাধাক্কি শুরু করে।

অন্যদিকে, সংসদ সদস্য নাজিবুর রহমান মোমেন তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, “আমি ক্ষমতা প্রদর্শন বা জোর করে নামাজ পড়াতে যাইনি। স্থানীয়দের অনুরোধ ও আমন্ত্রণে সেখানে গিয়েছিলাম। খুতবার সময় বিএনপির নেতাকর্মীরা উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে সেখানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছেন।” তিনি আরও দাবি করেন, ঘটনার পর তার এক কর্মীর দোকানে হামলা, লুটপাট ও মারধর করা হয়েছে।

সাঁথিয়া থানার ওসি আনিসুর রহমান জানান, জুমার নামাজে অপ্রীতিকর ঘটনার আশঙ্কা থাকায় আগে থেকেই মসজিদে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন ছিল। পুলিশের তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

সাঁথিয়ায় মসজিদে ইমামতি নিয়ে বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীদের হাতাহাতি

আপডেট সময় : ১০:২৪:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
print news

পাবনার সাঁথিয়া পৌর এলাকার আফতাবনগর বাজার জামে মসজিদে জুমার নামাজে ইমামতি করা নিয়ে বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার জুমার নামাজ শুরুর আগে এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় বলে জানিয়েছেন সাঁথিয়া থানার ওসি আনিসুর রহমান।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পাবনা-১ আসনের সংসদ সদস্য নাজিবুর রহমান মোমেন, যিনি জামায়াতে ইসলামীর প্রয়াত আমির মতিউর রহমান নিজামীর ছেলে, দুপুরে মসজিদে পৌঁছান। খুতবার আগে তিনি মাইক্রোফোনে বক্তব্য প্রদান করেন এবং ইমামতি করার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন। এই ঘোষণার পরপরই মসজিদে উপস্থিত বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়, যা পরবর্তীতে হাতাহাতিতে রূপ নেয়। খবর পেয়ে সাঁথিয়া থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। শেষ পর্যন্ত মসজিদের ইমামের পেছনেই সবাই জুমার নামাজ আদায় করেন।

সাঁথিয়া পৌর বিএনপির সভাপতি মো. আব্দুল করিম অভিযোগ করেন, জামায়াতের সংসদ সদস্য দলীয় প্রভাব বিস্তারের উদ্দেশ্যে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছেন। তিনি দাবি করেন, এমপি হঠাৎ করেই ইমামের হাত থেকে মাইক্রোফোন কেড়ে নিয়ে বক্তব্য দেন এবং জোরপূর্বক ইমামতি করতে চেয়েছিলেন। এর প্রতিবাদ করলে জামায়াত-শিবির ও এনসিপি কর্মীরা উসকানিমূলক আচরণ এবং ধাক্কাধাক্কি শুরু করে।

অন্যদিকে, সংসদ সদস্য নাজিবুর রহমান মোমেন তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, “আমি ক্ষমতা প্রদর্শন বা জোর করে নামাজ পড়াতে যাইনি। স্থানীয়দের অনুরোধ ও আমন্ত্রণে সেখানে গিয়েছিলাম। খুতবার সময় বিএনপির নেতাকর্মীরা উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে সেখানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছেন।” তিনি আরও দাবি করেন, ঘটনার পর তার এক কর্মীর দোকানে হামলা, লুটপাট ও মারধর করা হয়েছে।

সাঁথিয়া থানার ওসি আনিসুর রহমান জানান, জুমার নামাজে অপ্রীতিকর ঘটনার আশঙ্কা থাকায় আগে থেকেই মসজিদে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন ছিল। পুলিশের তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh