ঢাকা ০৩:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পাঁচ জেলায় ছড়িয়েছে অ্যানথ্রাক্স, আক্রান্ত শতাধিক মানুষ জাতিসংঘে এরদোয়ানের শান্তির আহ্বানে বিশ্ব বিবেকের প্রতিধ্বনি: এমিনি পার্বতীপুরে ৫ কেজি গাঁজাসহ আটক ১ মাদক কারবারি পাসপোর্ট পুনরায় ইস্যুর নতুন নিয়ম, দ্বিতীয়বার হারালে ১০ হাজার টাকা জরিমানা এমপি-মন্ত্রীদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর প্রশ্নই ওঠে না: ডা. শফিকুর রহমান নারী রেফারিকে হেনস্তা ও লিঙ্গবৈষম্যমূলক মন্তব্যে বরখাস্ত হিগুয়েইন খেলাফতের দায়িত্ব পালনে প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই: মুহাম্মদ শাহজাহান বিএনপির কর্মকাণ্ডে ফ্যাসিবাদবিরোধী ঐক্যে ফাটল ধরেছে: শফিকুর রহমান বাসের নতুন ভাড়া নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি, কার্যকর ২২ সেপ্টেম্বর দেশের ৬ হাজার ৫৪৪ প্রতিষ্ঠানে সোলার প্যানেল বসাবে সরকার

সাঁথিয়ায় মসজিদে ইমামতি নিয়ে বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীদের হাতাহাতি

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১০:২৪:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬ ২৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



পাবনার সাঁথিয়া পৌর এলাকার আফতাবনগর বাজার জামে মসজিদে জুমার নামাজে ইমামতি করা নিয়ে বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার জুমার নামাজ শুরুর আগে এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় বলে জানিয়েছেন সাঁথিয়া থানার ওসি আনিসুর রহমান।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পাবনা-১ আসনের সংসদ সদস্য নাজিবুর রহমান মোমেন, যিনি জামায়াতে ইসলামীর প্রয়াত আমির মতিউর রহমান নিজামীর ছেলে, দুপুরে মসজিদে পৌঁছান। খুতবার আগে তিনি মাইক্রোফোনে বক্তব্য প্রদান করেন এবং ইমামতি করার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন। এই ঘোষণার পরপরই মসজিদে উপস্থিত বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়, যা পরবর্তীতে হাতাহাতিতে রূপ নেয়। খবর পেয়ে সাঁথিয়া থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। শেষ পর্যন্ত মসজিদের ইমামের পেছনেই সবাই জুমার নামাজ আদায় করেন।

সাঁথিয়া পৌর বিএনপির সভাপতি মো. আব্দুল করিম অভিযোগ করেন, জামায়াতের সংসদ সদস্য দলীয় প্রভাব বিস্তারের উদ্দেশ্যে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছেন। তিনি দাবি করেন, এমপি হঠাৎ করেই ইমামের হাত থেকে মাইক্রোফোন কেড়ে নিয়ে বক্তব্য দেন এবং জোরপূর্বক ইমামতি করতে চেয়েছিলেন। এর প্রতিবাদ করলে জামায়াত-শিবির ও এনসিপি কর্মীরা উসকানিমূলক আচরণ এবং ধাক্কাধাক্কি শুরু করে।

অন্যদিকে, সংসদ সদস্য নাজিবুর রহমান মোমেন তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, “আমি ক্ষমতা প্রদর্শন বা জোর করে নামাজ পড়াতে যাইনি। স্থানীয়দের অনুরোধ ও আমন্ত্রণে সেখানে গিয়েছিলাম। খুতবার সময় বিএনপির নেতাকর্মীরা উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে সেখানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছেন।” তিনি আরও দাবি করেন, ঘটনার পর তার এক কর্মীর দোকানে হামলা, লুটপাট ও মারধর করা হয়েছে।

সাঁথিয়া থানার ওসি আনিসুর রহমান জানান, জুমার নামাজে অপ্রীতিকর ঘটনার আশঙ্কা থাকায় আগে থেকেই মসজিদে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন ছিল। পুলিশের তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

সাঁথিয়ায় মসজিদে ইমামতি নিয়ে বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীদের হাতাহাতি

আপডেট সময় : ১০:২৪:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

পাবনার সাঁথিয়া পৌর এলাকার আফতাবনগর বাজার জামে মসজিদে জুমার নামাজে ইমামতি করা নিয়ে বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার জুমার নামাজ শুরুর আগে এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় বলে জানিয়েছেন সাঁথিয়া থানার ওসি আনিসুর রহমান।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পাবনা-১ আসনের সংসদ সদস্য নাজিবুর রহমান মোমেন, যিনি জামায়াতে ইসলামীর প্রয়াত আমির মতিউর রহমান নিজামীর ছেলে, দুপুরে মসজিদে পৌঁছান। খুতবার আগে তিনি মাইক্রোফোনে বক্তব্য প্রদান করেন এবং ইমামতি করার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন। এই ঘোষণার পরপরই মসজিদে উপস্থিত বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়, যা পরবর্তীতে হাতাহাতিতে রূপ নেয়। খবর পেয়ে সাঁথিয়া থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। শেষ পর্যন্ত মসজিদের ইমামের পেছনেই সবাই জুমার নামাজ আদায় করেন।

সাঁথিয়া পৌর বিএনপির সভাপতি মো. আব্দুল করিম অভিযোগ করেন, জামায়াতের সংসদ সদস্য দলীয় প্রভাব বিস্তারের উদ্দেশ্যে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছেন। তিনি দাবি করেন, এমপি হঠাৎ করেই ইমামের হাত থেকে মাইক্রোফোন কেড়ে নিয়ে বক্তব্য দেন এবং জোরপূর্বক ইমামতি করতে চেয়েছিলেন। এর প্রতিবাদ করলে জামায়াত-শিবির ও এনসিপি কর্মীরা উসকানিমূলক আচরণ এবং ধাক্কাধাক্কি শুরু করে।

অন্যদিকে, সংসদ সদস্য নাজিবুর রহমান মোমেন তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, “আমি ক্ষমতা প্রদর্শন বা জোর করে নামাজ পড়াতে যাইনি। স্থানীয়দের অনুরোধ ও আমন্ত্রণে সেখানে গিয়েছিলাম। খুতবার সময় বিএনপির নেতাকর্মীরা উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে সেখানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছেন।” তিনি আরও দাবি করেন, ঘটনার পর তার এক কর্মীর দোকানে হামলা, লুটপাট ও মারধর করা হয়েছে।

সাঁথিয়া থানার ওসি আনিসুর রহমান জানান, জুমার নামাজে অপ্রীতিকর ঘটনার আশঙ্কা থাকায় আগে থেকেই মসজিদে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন ছিল। পুলিশের তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh