ঢাকা ০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সোবহানার সেঞ্চুরি, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের রেকর্ড সংগ্রহ ৫ বছর পর ন্যান্সি ও জাহিদ নিরবের দ্বৈত গান ‘দিওয়ানা দিল’ তুরস্কে পর্যটকবাহী বাস ও টো ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত ১১, আহত ২৭ পিরোজপুরে ডেঙ্গু ও কিশোর গ্যাং দমনে প্রতিমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা জাতীয় ক্রিকেট লিগে একদিনে পাঁচ ব্যাটারের সেঞ্চুরি দিল্লির রাজপথে প্রতিবাদের ভূত যেভাবে মোদি সরকারকে তাড়া করছে দুর্গাপূজায় নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টা রুখতে সজাগ থাকার আহ্বান রিজভীর আয়াসসহ চারজনের বিরুদ্ধে যেসব ধারায় মামলা, রিমান্ডের আদেশ চাঁদপুরে জেলেদের ৫ টন চাল জব্দ, তদন্ত কমিটি গঠন নতুন রেকর্ডের হাতছানি হানসি ফ্লিকের বার্সেলোনার সামনে

বেরোবিতে সভাপতি ড. তুহিন ওয়াদুদ সভাপতিত্বে শেষ হলো ছয় দিনব্যাপী ‘সেইলর গুনগুন-রণন’ বইমেলা

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৬:৫৫:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ৩২৯ বার পড়া হয়েছে

বেরোবিতে সভাপতি ড. তুহিন ওয়াদুদ সভাপতিত্বে শেষ হলো ছয় দিনব্যাপী ‘সেইলর গুনগুন-রণন’ বইমেলা

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি




স্টাফ রিপোর্টার

বইপ্রেমীরা বছর জুড়ে অপেক্ষায় থাকে অমর একুশে গ্রন্থমেলার। নতুন-পুরাতন লেখকদের বই এবং লেখকদের হাত থেকে সরাসরি বই সংগ্রহের সুযোগ পায় বইপ্রেমীরা।

ঢাকার বাইরে এ সুযোগ অনেকটাই কম। তবে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) সপ্তমবারের মতো ছয় দিনব্যাপী ‘সেইলর গুনগুন-রণন’ বইমেলায় বইপ্রেমীদের সাধ কিছুটা হলেও মিটেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা স্মারক চত্বরে এ মেলার আয়োজন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন গুনগুন এবং রণন। প্রতিদিন দুপুর ২ টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলে বইমেলা। প্রতিদিন নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচনসহ বিকেলে মেলায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

ছয় দিনব্যাপী বইমেলা আয়োজনের ফ্যাশন ব্র্যান্ড সেইলর এর সহযোগীতায় গত ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া মেলার তৃতীয় দিন ফাল্গুন এবং বিশ্ব ভালোবাসা দিবস হওয়ায় যেন প্রাণের মেলায় পরিণত হয়।

শেষ দিন শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা স্মারক প্রাঙ্গণের আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজক সংগঠন গুনগুনের সভাপতি উমর ফারুকের সঞ্চালনায় সাংস্কৃতিক সংগঠন রণনের সভাপতি ড. তুহিন ওয়াদুদ সভাপতিত্ব করেন।

এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য অধ্যাপক ড. হাসিবুর রশীদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মন্ডল আসাদ, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. নিতাই কুমার ঘোষ, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরে পরিচালক ও সহযোগী অধ্যাপক আনোয়ারুল আজিম, শহিদ মুখতার ইলাহী হলের প্রভোস্ট ও সহযোগী অধ্যাপক শাহীনুর রহমান।

আয়োজক সংগঠন গুনগুনের সভাপতি উমর ফারুক জানান, শুরুর দিকে ছোটো পরিসরে মেলার আয়োজন করা হলেও সপ্তম বছরে মেলার ব্যাপ্তি অনেকটা বেড়েছে। এ বছর মেলায় ৪২টি স্টল অংশ নিয়েছে। এবারের মেলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের পাশাপাশি ঢাকা ও রংপুরের বিভিন্ন নামকরা প্রকাশনী এবং শিল্প-সাহিত্য বিষয়ক সংগঠনগুলো নেয়। মেলায় প্রতিদিনই বইপ্রেমীদের ব্যাপক সমাগম ছিল। বইয়ের সঙ্গে শিক্ষার্থীসহ সকলের নিবিড় সম্পর্ক তৈরি করতেই এ বইমেলার আয়োজন। আমরা চাই, প্রান্তিক পর্যায়ে ছড়িয়ে পড়ুক বই পড়ার অভ্যাস। বই হোক সবার নিকট বন্ধু, আগামী প্রজন্ম বইমুখী হোক এটাই প্রত্যাশা।

এতে অংশ নেয় ৪২টি স্টল। প্রতিটিতেই দেশবরেণ্য লেখকদের বইয়ের পাশাপাশি স্থানীয় কবি-সাহিত্যিকদের বইও ছিল উল্লেখযোগ্য। বিভিন্ন প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের বাইরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সংগঠন মেলায় অংশ নেয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

বেরোবিতে সভাপতি ড. তুহিন ওয়াদুদ সভাপতিত্বে শেষ হলো ছয় দিনব্যাপী ‘সেইলর গুনগুন-রণন’ বইমেলা

আপডেট সময় : ০৬:৫৫:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

স্টাফ রিপোর্টার

বইপ্রেমীরা বছর জুড়ে অপেক্ষায় থাকে অমর একুশে গ্রন্থমেলার। নতুন-পুরাতন লেখকদের বই এবং লেখকদের হাত থেকে সরাসরি বই সংগ্রহের সুযোগ পায় বইপ্রেমীরা।

ঢাকার বাইরে এ সুযোগ অনেকটাই কম। তবে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) সপ্তমবারের মতো ছয় দিনব্যাপী ‘সেইলর গুনগুন-রণন’ বইমেলায় বইপ্রেমীদের সাধ কিছুটা হলেও মিটেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা স্মারক চত্বরে এ মেলার আয়োজন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন গুনগুন এবং রণন। প্রতিদিন দুপুর ২ টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলে বইমেলা। প্রতিদিন নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচনসহ বিকেলে মেলায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

ছয় দিনব্যাপী বইমেলা আয়োজনের ফ্যাশন ব্র্যান্ড সেইলর এর সহযোগীতায় গত ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া মেলার তৃতীয় দিন ফাল্গুন এবং বিশ্ব ভালোবাসা দিবস হওয়ায় যেন প্রাণের মেলায় পরিণত হয়।

শেষ দিন শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা স্মারক প্রাঙ্গণের আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজক সংগঠন গুনগুনের সভাপতি উমর ফারুকের সঞ্চালনায় সাংস্কৃতিক সংগঠন রণনের সভাপতি ড. তুহিন ওয়াদুদ সভাপতিত্ব করেন।

এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য অধ্যাপক ড. হাসিবুর রশীদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মন্ডল আসাদ, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. নিতাই কুমার ঘোষ, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরে পরিচালক ও সহযোগী অধ্যাপক আনোয়ারুল আজিম, শহিদ মুখতার ইলাহী হলের প্রভোস্ট ও সহযোগী অধ্যাপক শাহীনুর রহমান।

আয়োজক সংগঠন গুনগুনের সভাপতি উমর ফারুক জানান, শুরুর দিকে ছোটো পরিসরে মেলার আয়োজন করা হলেও সপ্তম বছরে মেলার ব্যাপ্তি অনেকটা বেড়েছে। এ বছর মেলায় ৪২টি স্টল অংশ নিয়েছে। এবারের মেলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের পাশাপাশি ঢাকা ও রংপুরের বিভিন্ন নামকরা প্রকাশনী এবং শিল্প-সাহিত্য বিষয়ক সংগঠনগুলো নেয়। মেলায় প্রতিদিনই বইপ্রেমীদের ব্যাপক সমাগম ছিল। বইয়ের সঙ্গে শিক্ষার্থীসহ সকলের নিবিড় সম্পর্ক তৈরি করতেই এ বইমেলার আয়োজন। আমরা চাই, প্রান্তিক পর্যায়ে ছড়িয়ে পড়ুক বই পড়ার অভ্যাস। বই হোক সবার নিকট বন্ধু, আগামী প্রজন্ম বইমুখী হোক এটাই প্রত্যাশা।

এতে অংশ নেয় ৪২টি স্টল। প্রতিটিতেই দেশবরেণ্য লেখকদের বইয়ের পাশাপাশি স্থানীয় কবি-সাহিত্যিকদের বইও ছিল উল্লেখযোগ্য। বিভিন্ন প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের বাইরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সংগঠন মেলায় অংশ নেয়।