ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের গাড়ি খাদে, পুলিশ ও আসামিসহ আহত ৫
- আপডেট সময় : ০৯:৩৩:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলায় পুলিশ সদস্যদের বহনকারী একটি পিকআপ ভ্যান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের খাদে পড়ে গেছে। এতে গাড়িটিতে থাকা তিন পুলিশ সদস্য এবং দুই আসামিসহ মোট পাঁচজন আহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার বিকেলে উপজেলার মনিপুর এলাকায় সিমনা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া সড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে। আহতদের উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
দুর্ঘটনায় আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন—কনস্টেবল মো. জুম্মান (৩০), মো. মোস্তফা (৩০) এবং পিকআপ ভ্যানের চালক নায়েক তোফায়েল আহমেদ (৪২)। আহত অন্য দুজন হলেন বিজয়নগর উপজেলার মোহন মিয়া (৪৫) ও একই উপজেলার রুজিনা বেগম (৩২)। পুলিশ জানিয়েছে, আহতদের মধ্যে মোহন একটি মাদক মামলায় রিমান্ডের আসামি এবং রুজিনা পারিবারিক একটি মামলার আসামি হিসেবে পুলিশ হেফাজতে ছিলেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আজ শুক্রবার বিকেলে বিজয়নগর থানা থেকে ওই দুই আসামিকে নিয়ে তিন পুলিশ কনস্টেবল ব্রাহ্মণবাড়িয়া চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের উদ্দেশে রওনা হন। গাড়িটি সদর, বিজয়নগর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরকে সংযোগকারী সিমনা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া সড়ক দিয়ে জেলা শহরের দিকে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে মনিপুর এলাকায় পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারান এবং পিকআপ ভ্যানটি রাস্তার পাশে খাদে পড়ে যায়। এতে গাড়িতে থাকা পাঁচজনই আহত হন।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন দ্রুত এগিয়ে এসে আহতদের উদ্ধার করেন। খবর পেয়ে বিজয়নগর থানা-পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাঁদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া শুরু হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম জানান, আহত তিন পুলিশ সদস্য ও দুই আসামি হাসপাতালের সার্জারি ও মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী তাঁদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ এবং জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) আরাফাতুল ইসলাম দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরাফাতুল ইসলাম জানান, চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তবে উন্নত চিকিৎসার জন্য কনস্টেবল জুম্মান ও মোস্তফাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।





























