ঢাকা ০৯:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সোবহানার সেঞ্চুরি, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের রেকর্ড সংগ্রহ ৫ বছর পর ন্যান্সি ও জাহিদ নিরবের দ্বৈত গান ‘দিওয়ানা দিল’ তুরস্কে পর্যটকবাহী বাস ও টো ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত ১১, আহত ২৭ পিরোজপুরে ডেঙ্গু ও কিশোর গ্যাং দমনে প্রতিমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা জাতীয় ক্রিকেট লিগে একদিনে পাঁচ ব্যাটারের সেঞ্চুরি দিল্লির রাজপথে প্রতিবাদের ভূত যেভাবে মোদি সরকারকে তাড়া করছে দুর্গাপূজায় নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টা রুখতে সজাগ থাকার আহ্বান রিজভীর আয়াসসহ চারজনের বিরুদ্ধে যেসব ধারায় মামলা, রিমান্ডের আদেশ চাঁদপুরে জেলেদের ৫ টন চাল জব্দ, তদন্ত কমিটি গঠন নতুন রেকর্ডের হাতছানি হানসি ফ্লিকের বার্সেলোনার সামনে

বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের নুরুজ্জামান

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১২:৩৪:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



আন্তর্জাতিক প্রকাশনা সংস্থা এলসেভিয়ার (Elsevier) কর্তৃক প্রকাশিত ২০২৬ সালের বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় টানা চতুর্থবারের মতো স্থান করে নিয়েছেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পপুলেশন সায়েন্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. নুরুজ্জামান খান। তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তালিকাভুক্ত একমাত্র গবেষক হিসেবে এই গৌরব অর্জন করেছেন। এর আগে ২০২৩, ২০২৪ ও ২০২৫ সালেও তিনি এই সম্মাননা পেয়েছিলেন।

চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ৩৪৭ জন গবেষক এই তালিকায় স্থান পেয়েছেন, যাদের মধ্যে ড. নুরুজ্জামান ৪৪তম অবস্থানে রয়েছেন। স্কোপাস (Scopus) ডেটাবেসের তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুতকৃত এই তালিকায় তাঁকে ক্লিনিক্যাল মেডিসিনের ‘পাবলিক হেলথ’ উপক্ষেত্রে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই উপক্ষেত্রে তাঁর বৈশ্বিক অবস্থান ৪২৬তম এবং সামগ্রিক বৈশ্বিক অবস্থান ৪৬,০১৭তম।

ড. নুরুজ্জামান খানের গবেষণার মূল ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে মা ও শিশুর স্বাস্থ্য, শরণার্থী ও অভিবাসী স্বাস্থ্য এবং শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধকতা। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করার পর অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব নিউক্যাসল থেকে ক্লিনিক্যাল এপিডেমিওলজি অ্যান্ড মেডিকেল স্ট্যাটিসটিকস বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

নিজের এই অর্জন প্রসঙ্গে ড. নুরুজ্জামান খান বলেন, জনস্বাস্থ্য ও মানুষের জীবনমানের সঙ্গে সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কাজ করা এবং গবেষণার ধারাবাহিকতা বজায় রাখাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য। এই স্বীকৃতি তাঁকে ভবিষ্যতে আরও দায়িত্বশীল ও অর্থবহ গবেষণায় অনুপ্রেরণা যোগাবে বলে তিনি জানান। পাশাপাশি তরুণ গবেষকদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, তাঁর গবেষণার অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান যদি তরুণদের এগিয়ে যেতে সহায়তা করে, তবে সেটিই হবে তাঁর কাজের অন্যতম বড় অর্জন।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের নুরুজ্জামান

আপডেট সময় : ১২:৩৪:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

আন্তর্জাতিক প্রকাশনা সংস্থা এলসেভিয়ার (Elsevier) কর্তৃক প্রকাশিত ২০২৬ সালের বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় টানা চতুর্থবারের মতো স্থান করে নিয়েছেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পপুলেশন সায়েন্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. নুরুজ্জামান খান। তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তালিকাভুক্ত একমাত্র গবেষক হিসেবে এই গৌরব অর্জন করেছেন। এর আগে ২০২৩, ২০২৪ ও ২০২৫ সালেও তিনি এই সম্মাননা পেয়েছিলেন।

চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ৩৪৭ জন গবেষক এই তালিকায় স্থান পেয়েছেন, যাদের মধ্যে ড. নুরুজ্জামান ৪৪তম অবস্থানে রয়েছেন। স্কোপাস (Scopus) ডেটাবেসের তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুতকৃত এই তালিকায় তাঁকে ক্লিনিক্যাল মেডিসিনের ‘পাবলিক হেলথ’ উপক্ষেত্রে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই উপক্ষেত্রে তাঁর বৈশ্বিক অবস্থান ৪২৬তম এবং সামগ্রিক বৈশ্বিক অবস্থান ৪৬,০১৭তম।

ড. নুরুজ্জামান খানের গবেষণার মূল ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে মা ও শিশুর স্বাস্থ্য, শরণার্থী ও অভিবাসী স্বাস্থ্য এবং শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধকতা। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করার পর অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব নিউক্যাসল থেকে ক্লিনিক্যাল এপিডেমিওলজি অ্যান্ড মেডিকেল স্ট্যাটিসটিকস বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

নিজের এই অর্জন প্রসঙ্গে ড. নুরুজ্জামান খান বলেন, জনস্বাস্থ্য ও মানুষের জীবনমানের সঙ্গে সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কাজ করা এবং গবেষণার ধারাবাহিকতা বজায় রাখাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য। এই স্বীকৃতি তাঁকে ভবিষ্যতে আরও দায়িত্বশীল ও অর্থবহ গবেষণায় অনুপ্রেরণা যোগাবে বলে তিনি জানান। পাশাপাশি তরুণ গবেষকদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, তাঁর গবেষণার অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান যদি তরুণদের এগিয়ে যেতে সহায়তা করে, তবে সেটিই হবে তাঁর কাজের অন্যতম বড় অর্জন।