ঢাকা ০৮:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সোবহানার সেঞ্চুরি, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের রেকর্ড সংগ্রহ ৫ বছর পর ন্যান্সি ও জাহিদ নিরবের দ্বৈত গান ‘দিওয়ানা দিল’ তুরস্কে পর্যটকবাহী বাস ও টো ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত ১১, আহত ২৭ পিরোজপুরে ডেঙ্গু ও কিশোর গ্যাং দমনে প্রতিমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা জাতীয় ক্রিকেট লিগে একদিনে পাঁচ ব্যাটারের সেঞ্চুরি দিল্লির রাজপথে প্রতিবাদের ভূত যেভাবে মোদি সরকারকে তাড়া করছে দুর্গাপূজায় নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টা রুখতে সজাগ থাকার আহ্বান রিজভীর আয়াসসহ চারজনের বিরুদ্ধে যেসব ধারায় মামলা, রিমান্ডের আদেশ চাঁদপুরে জেলেদের ৫ টন চাল জব্দ, তদন্ত কমিটি গঠন নতুন রেকর্ডের হাতছানি হানসি ফ্লিকের বার্সেলোনার সামনে

দুমকিতে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে অবাধে চলছে মা ইলিশ শিকার

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১০:১৪:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা ও প্রশাসনিক নজরদারিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে পায়রা নদীসহ বিভিন্ন পয়েন্টে অবাধে চলছে মা ইলিশ শিকার। নিষিদ্ধ সময়েও এক শ্রেণির অসাধু জেলেরা প্রতিদিন নির্বিঘ্নে ইলিশ ধরছেন। রবিবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার পাংগাশিয়ার হাজীর হাট ও রাজাগঞ্জ এলাকার মধ্যবর্তী পায়রা নদীতে সরেজমিনে এমন চিত্র দেখা গেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার পায়রা নদীর পাংগাশিয়া, আলগী, লেবুখালী, আংগারিয়া, মুরাদিয়া, লোহালিয়া এবং পান্ডব নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে এই অবৈধ কার্যক্রম চলছে। জেলেরা প্রায় ৩০-৩৫ টি মাছ ধরার নৌকা নিয়ে নদীতে জাল পেতে মা ইলিশ শিকার করছেন। তাদের মাছ ধরার ট্রলারগুলোতে অত্যাধুনিক ফাইটার ইঞ্জিন ব্যবহার করা হচ্ছে, যা দিয়ে তারা বেপরোয়াভাবে নদীতে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। অথচ মা ইলিশ রক্ষায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নদীতে কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “আমাদের টহল টিম একটু আগেই ওই এলাকা থেকে ঘুরে এসেছে। আমাদের লোকবল ও একটি মাত্র টহল টিম থাকার কারণে সব জায়গায় সমানভাবে নজরদারি করা কঠিন হচ্ছে। তবে আমরা টহল টিম বাড়ানোর চেষ্টা করছি।”

এদিকে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরী জানান, “আমি আজ সকাল থেকেই জেলা প্রশাসক মহোদয়ের কার্যালয়ে একটি মিটিংয়ে ব্যস্ত আছি। খোঁজ নিয়ে দ্রুত এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।”

নদীতীরবর্তী স্থানীয় সচেতন মহলের আশঙ্কা, এভাবে অবাধে মা ইলিশ ধ্বংস করা হলে আগামীতে ইলিশের বংশবিস্তার মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে এবং নদীতে কাঙ্ক্ষিত ইলিশ পাওয়া যাবে না। পাংগাশিয়া এলাকার বাসিন্দা মো. ফারুক বলেন, “এভাবে যদি নির্বিচারে মা ইলিশ ধরা হতে থাকে, তবে অচিরেই আমাদের নদীগুলো ইলিশ শূন্য হয়ে পড়বে এবং ভবিষ্যতে বাজারে ইলিশ মাছ আর পাওয়া যাবে না। অবিলম্বে প্রশাসনের কঠোর ও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা প্রয়োজন।”

নিউজটি শেয়ার করুন

দুমকিতে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে অবাধে চলছে মা ইলিশ শিকার

আপডেট সময় : ১০:১৪:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা ও প্রশাসনিক নজরদারিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে পায়রা নদীসহ বিভিন্ন পয়েন্টে অবাধে চলছে মা ইলিশ শিকার। নিষিদ্ধ সময়েও এক শ্রেণির অসাধু জেলেরা প্রতিদিন নির্বিঘ্নে ইলিশ ধরছেন। রবিবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার পাংগাশিয়ার হাজীর হাট ও রাজাগঞ্জ এলাকার মধ্যবর্তী পায়রা নদীতে সরেজমিনে এমন চিত্র দেখা গেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার পায়রা নদীর পাংগাশিয়া, আলগী, লেবুখালী, আংগারিয়া, মুরাদিয়া, লোহালিয়া এবং পান্ডব নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে এই অবৈধ কার্যক্রম চলছে। জেলেরা প্রায় ৩০-৩৫ টি মাছ ধরার নৌকা নিয়ে নদীতে জাল পেতে মা ইলিশ শিকার করছেন। তাদের মাছ ধরার ট্রলারগুলোতে অত্যাধুনিক ফাইটার ইঞ্জিন ব্যবহার করা হচ্ছে, যা দিয়ে তারা বেপরোয়াভাবে নদীতে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। অথচ মা ইলিশ রক্ষায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নদীতে কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “আমাদের টহল টিম একটু আগেই ওই এলাকা থেকে ঘুরে এসেছে। আমাদের লোকবল ও একটি মাত্র টহল টিম থাকার কারণে সব জায়গায় সমানভাবে নজরদারি করা কঠিন হচ্ছে। তবে আমরা টহল টিম বাড়ানোর চেষ্টা করছি।”

এদিকে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরী জানান, “আমি আজ সকাল থেকেই জেলা প্রশাসক মহোদয়ের কার্যালয়ে একটি মিটিংয়ে ব্যস্ত আছি। খোঁজ নিয়ে দ্রুত এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।”

নদীতীরবর্তী স্থানীয় সচেতন মহলের আশঙ্কা, এভাবে অবাধে মা ইলিশ ধ্বংস করা হলে আগামীতে ইলিশের বংশবিস্তার মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে এবং নদীতে কাঙ্ক্ষিত ইলিশ পাওয়া যাবে না। পাংগাশিয়া এলাকার বাসিন্দা মো. ফারুক বলেন, “এভাবে যদি নির্বিচারে মা ইলিশ ধরা হতে থাকে, তবে অচিরেই আমাদের নদীগুলো ইলিশ শূন্য হয়ে পড়বে এবং ভবিষ্যতে বাজারে ইলিশ মাছ আর পাওয়া যাবে না। অবিলম্বে প্রশাসনের কঠোর ও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা প্রয়োজন।”