ঢাকা ০২:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইরানে হামলার প্রস্তুতি নিতে মার্কিন বাহিনীকে পেন্টাগনের নির্দেশ সিরাজগঞ্জে বিস্ফোরক মামলায় পদচ্যুত ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার দুর্গাপুরে দুর্গাপূজা উপলক্ষে মতবিনিময় সভা, ২৩ মণ্ডপে সিসিটিভি বাধ্যতামূলক গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে ককটেল বিস্ফোরণ, আতঙ্ক ২০৫০ সালে বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল শহর হবে ঢাকা, প্রয়োজন পরিকল্পিত উদ্যোগ মা ইলিশ রক্ষা অভিযান: প্রথম রাতেই পটুয়াখালীতে তিনজনের কারাদণ্ড ফেসবুকে প্রেম ও মুঠোফোনে বিয়ে, পরে প্রবাসী জানলেন স্ত্রী আসলে তরুণ ‘আবরার হত্যার সময় শিবিরের অনেকে ছাত্রলীগ সেজে বেঁচেছিল’: রাশেদ খান ইসরাইল ছাড়ছেন ২০ বৃটিশ কূটনীতিক, জেরুজালেমে কনস্যুলেটের নাম বদল স্থানীয় নির্বাচনে শিক্ষকদের অংশগ্রহণে বাধা নেই: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

ঈশ্বরদীতে মোবাইল শোরুমে মারামারি: ছাত্রদল নেতাসহ থানায় উভয় পক্ষ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৪:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



পাবনার ঈশ্বরদীতে একটি মোবাইল শোরুমে ফোন দেখাকে কেন্দ্র করে কর্মচারীদের সঙ্গে এক ছাত্রদল নেতার মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ছাত্রদল নেতাসহ উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজনকে থানায় নিয়ে গেছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে পৌর শহরের পোস্ট অফিস মোড় এলাকার আরআরপি সেন্টারের তৃতীয় তলায় ‘অ্যাপেল জেড’ নামের একটি মোবাইল দোকানে এই ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ঈশ্বরদী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সহসভাপতি মেরিদুল ইসলাম ওই মোবাইল দোকানে যান। সেখানে একটি মোবাইল ফোন দেখানোকে কেন্দ্র করে শোরুমের কর্মচারীদের সঙ্গে তাঁর কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতি ও মারামারিতে রূপ নেয়।

এ সময় দোকানের কর্মচারী সুবেল ও রাহুলের সঙ্গে ছাত্রদল নেতা মেরিদুল ইসলামের ধস্তাধস্তি ও মারধরের ঘটনা ঘটে। উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তুলেছে। ঘটনার পর মেরিদুল ইসলাম মুঠোফোনে তাঁর পরিচিত কিছু বন্ধু ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ঘটনাস্থলে ডেকে পাঠান।

খবর পেয়ে ঈশ্বরদী থানা-পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দোকানের স্বত্বাধিকারী ইলিয়াস রতন, কর্মচারী সুবেল ও রাহুল এবং ছাত্রদল নেতা মেরিদুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কয়েকজনকে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। দোকানে ভাঙচুর ও মারধরের অভিযোগ থাকায় কর্মচারীদের মধ্যে তিনজনকে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে।

এ বিষয়ে ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশাদুর রহমান জানান, মোবাইল দোকানে মারামারির খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষের লোকজনকে থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি। বর্তমানে উভয় পক্ষের মধ্যে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে সমাধানের চেষ্টা চলছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

ঈশ্বরদীতে মোবাইল শোরুমে মারামারি: ছাত্রদল নেতাসহ থানায় উভয় পক্ষ

আপডেট সময় : ০৯:৪৪:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

পাবনার ঈশ্বরদীতে একটি মোবাইল শোরুমে ফোন দেখাকে কেন্দ্র করে কর্মচারীদের সঙ্গে এক ছাত্রদল নেতার মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ছাত্রদল নেতাসহ উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজনকে থানায় নিয়ে গেছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে পৌর শহরের পোস্ট অফিস মোড় এলাকার আরআরপি সেন্টারের তৃতীয় তলায় ‘অ্যাপেল জেড’ নামের একটি মোবাইল দোকানে এই ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ঈশ্বরদী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সহসভাপতি মেরিদুল ইসলাম ওই মোবাইল দোকানে যান। সেখানে একটি মোবাইল ফোন দেখানোকে কেন্দ্র করে শোরুমের কর্মচারীদের সঙ্গে তাঁর কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতি ও মারামারিতে রূপ নেয়।

এ সময় দোকানের কর্মচারী সুবেল ও রাহুলের সঙ্গে ছাত্রদল নেতা মেরিদুল ইসলামের ধস্তাধস্তি ও মারধরের ঘটনা ঘটে। উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তুলেছে। ঘটনার পর মেরিদুল ইসলাম মুঠোফোনে তাঁর পরিচিত কিছু বন্ধু ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ঘটনাস্থলে ডেকে পাঠান।

খবর পেয়ে ঈশ্বরদী থানা-পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দোকানের স্বত্বাধিকারী ইলিয়াস রতন, কর্মচারী সুবেল ও রাহুল এবং ছাত্রদল নেতা মেরিদুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কয়েকজনকে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। দোকানে ভাঙচুর ও মারধরের অভিযোগ থাকায় কর্মচারীদের মধ্যে তিনজনকে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে।

এ বিষয়ে ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশাদুর রহমান জানান, মোবাইল দোকানে মারামারির খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষের লোকজনকে থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি। বর্তমানে উভয় পক্ষের মধ্যে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে সমাধানের চেষ্টা চলছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin