ব্রাজিল নির্বাচন: লুলা ও বলসোনারোর মধ্যে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস
- আপডেট সময় : ০৮:০০:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে

লাতিন আমেরিকার বৃহত্তম দেশ ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আজ রোববার রায় দেবেন দেশটির জনগণ। এই নির্বাচনের ফলাফলের মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে দেশটি রক্ষণশীল ধারার দিকে ঝুঁকবে, নাকি নিজের জন্য আলাদা কোনো পথ বেছে নেবে। এবারের নির্বাচনে মোট ১৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচনী নিয়ম অনুযায়ী, আজ প্রথম দফার ভোটে যদি কোনো প্রার্থী ৫০ শতাংশের কম ভোট পান, তবে নির্বাচন দ্বিতীয় দফায় গড়াবে। দ্বিতীয় দফার ভোট আগামী ২৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে।
বিভিন্ন জরিপ বলছে, বর্তমান প্রেসিডেন্ট লুই ইনাসিও লুলা দা সিলভা প্রথম দফার ভোটে সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে থাকবেন। তবে দ্বিতীয় দফার ভোট এড়াতে প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা তিনি হয়তো পাবেন না। যদি নির্বাচন দ্বিতীয় দফায় গড়ায়, তবে চতুর্থ মেয়াদের জন্য লড়তে থাকা লুলার মুখোমুখি হতে পারেন সাবেক প্রেসিডেন্ট জইর বলসোনারোর ছেলে সিনেটর ফ্লাভিও বলসোনারো।
কট্টর ডানপন্থী নেতা জইর বলসোনারো ২০২২ সালের নির্বাচনের ফল উল্টে দেওয়ার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে গত বছর সাজাপ্রাপ্ত হন। তার এই বিচারকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মন্তব্য করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ বিশ্বের অনেক রক্ষণশীল নেতা। এবারের নির্বাচনের প্রচারণার সময় লুলা বিদেশি হস্তক্ষেপ এবং ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে ব্রাজিলীয় পণ্যের ওপর নতুন করে শুল্ক আরোপের বিষয়ে সতর্কবার্তা দিয়ে এসেছেন। ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে লুলার শাসনামল বেশ উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে কেটেছে, যেখানে ট্রাম্প ব্রাজিলীয় পণ্যের ওপর একাধিক শুল্ক আরোপ করেছিলেন।
লুলার এই অবস্থানের বিপরীতে বলসোনারো পরিবার হোয়াইট হাউস সফর করে মার্কিন প্রেসিডেন্টের আস্থাভাজন হওয়ার চেষ্টা করেছে। পরামর্শক প্রতিষ্ঠান থিংক পলিসির সহপ্রতিষ্ঠাতা লিওনার্দো বারেতো বলেন, লুলা বিশ্বাস করেন যে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে চীনের সঙ্গে ভালো সম্পর্কের কারণে যুক্তরাষ্ট্র থেকে এই স্বাধীনতা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আরও বলেন, বলসোনারো পরিবার নির্বাচনের ময়দানে সমতা বজায় রাখতে ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাদের যোগাযোগকে কাজে লাগিয়েছে।





























