ঢাকা ০১:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফেসবুকে মন্তব্যের জেরে সৌদি আরবে শ্রীলঙ্কান তরুণের মৃত্যুদণ্ড রাফির সমাজসেবী হয়ে ওঠার গল্প: এক অনন্য দৃষ্টান্ত পাবনায় নিখোঁজের পরদিন হলুদ ক্ষেতে মিলল ব্যবসায়ীর ঝলসানো লাশ জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ: মন্ত্রিসভার অভিনন্দন প্রস্তাবের গেজেট প্রকাশ অর্থনৈতিক স্থায়িত্ব ফেরাতে দ্রুত সংস্কারের তাগিদ বিশ্বব্যাংকের নেতৃত্ব হারালেন সালমান, পাকিস্তানের নতুন টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক ফারহান সাবরেজিস্ট্রার বদলিতে স্বচ্ছতা আনতে লটারি পদ্ধতি চালু করল মন্ত্রণালয় প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য ভারত সফর: প্রাপ্তি ও প্রত্যাশার সমীকরণ এলপিজির দাম সমন্বয়ে সরকার বাধ্য হয়েছে: উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান যুদ্ধাপরাধ আদালতের ক্ষমতা কমানোর উদ্যোগে কসোভোয় পুলিশ-বিক্ষোভকারী সংঘর্ষ

শ্রীনগরে গ্রাহকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ব্যাংক কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৬:৫৮:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর বাজারের অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি শাখা থেকে গ্রাহকদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মো. শরিফুজ্জামান সোহাগ (৪৩) নামে এক ব্যাংক কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা পুলিশ। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকার মিরপুর মডেল থানাধীন মধ্য পাইকপাড়ার একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। শরিফুজ্জামান ২০১৯ সাল থেকে শ্রীনগর প্লাজার দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত ওই শাখায় অফিসার ক্যাশ হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

পুলিশের ভাষ্যমতে, অভিযুক্ত কর্মকর্তা বিভিন্ন গ্রাহককে ১১ থেকে ১২ শতাংশ অতিরিক্ত সুদ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করেছিলেন। গ্রাহকদের গচ্ছিত সেই টাকা আত্মসাতের জন্য তিনি ব্যক্তিগত সিল ও ব্যাংকের ভাউচার ব্যবহার করতেন। গত ২২ সেপ্টেম্বর থেকে শরিফুজ্জামান আত্মগোপনে ছিলেন। পরবর্তীতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তার বোনের বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে নগদ ১ লাখ ৪৫ হাজার ২০০ টাকা, তিনটি মোবাইল ফোন, দুটি এটিএম কার্ড, একটি চেকবই এবং একটি ব্যাংক লকারের চাবি উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত এই ব্যাংক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ২৩০ জন গ্রাহক লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি নিজের পরিচয় স্বীকার করলেও আত্মসাৎ করা অর্থের পরিমাণ বা অবস্থান সম্পর্কে কোনো সন্তোষজনক তথ্য দিতে পারেননি। বর্তমানে অগ্রণী ব্যাংকের প্রধান শাখা থেকে তিন সদস্যের একটি অডিট টিম গঠন করা হয়েছে, যারা আত্মসাৎ করা অর্থের প্রকৃত পরিমাণ নিরূপণের কাজ করছে। একইসঙ্গে ঘটনাটি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তফসিলভুক্ত অপরাধ হওয়ায় দুদকও বিষয়টি তদন্ত করছে। মুন্সীগঞ্জ পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম জানিয়েছেন, অর্থ আত্মসাতের এই ঘটনায় আর কেউ জড়িত আছে কি না, তা নিশ্চিত হতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। বর্তমানে তাকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

শ্রীনগরে গ্রাহকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ব্যাংক কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০৬:৫৮:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর বাজারের অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি শাখা থেকে গ্রাহকদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মো. শরিফুজ্জামান সোহাগ (৪৩) নামে এক ব্যাংক কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা পুলিশ। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকার মিরপুর মডেল থানাধীন মধ্য পাইকপাড়ার একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। শরিফুজ্জামান ২০১৯ সাল থেকে শ্রীনগর প্লাজার দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত ওই শাখায় অফিসার ক্যাশ হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

পুলিশের ভাষ্যমতে, অভিযুক্ত কর্মকর্তা বিভিন্ন গ্রাহককে ১১ থেকে ১২ শতাংশ অতিরিক্ত সুদ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করেছিলেন। গ্রাহকদের গচ্ছিত সেই টাকা আত্মসাতের জন্য তিনি ব্যক্তিগত সিল ও ব্যাংকের ভাউচার ব্যবহার করতেন। গত ২২ সেপ্টেম্বর থেকে শরিফুজ্জামান আত্মগোপনে ছিলেন। পরবর্তীতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তার বোনের বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে নগদ ১ লাখ ৪৫ হাজার ২০০ টাকা, তিনটি মোবাইল ফোন, দুটি এটিএম কার্ড, একটি চেকবই এবং একটি ব্যাংক লকারের চাবি উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত এই ব্যাংক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ২৩০ জন গ্রাহক লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি নিজের পরিচয় স্বীকার করলেও আত্মসাৎ করা অর্থের পরিমাণ বা অবস্থান সম্পর্কে কোনো সন্তোষজনক তথ্য দিতে পারেননি। বর্তমানে অগ্রণী ব্যাংকের প্রধান শাখা থেকে তিন সদস্যের একটি অডিট টিম গঠন করা হয়েছে, যারা আত্মসাৎ করা অর্থের প্রকৃত পরিমাণ নিরূপণের কাজ করছে। একইসঙ্গে ঘটনাটি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তফসিলভুক্ত অপরাধ হওয়ায় দুদকও বিষয়টি তদন্ত করছে। মুন্সীগঞ্জ পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম জানিয়েছেন, অর্থ আত্মসাতের এই ঘটনায় আর কেউ জড়িত আছে কি না, তা নিশ্চিত হতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। বর্তমানে তাকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh