ঢাকা ০৫:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নিখোঁজ শিশু জিসান উদ্ধার, পুলিশের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারে বাধা, রূপপুরের ইউরেনিয়াম আসা বিলম্বিত এশিয়ান গেমস থেকে ছিটকে গেলেন অসুস্থ নাজমুল হোসেন শান্ত ফুলবাড়িয়ায় তুচ্ছ ঘটনায় লাথিতে চাচা নিহত, গ্রেপ্তার ১ বাংলাদেশে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে আমিরাত রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আলোচনা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দায়িত্ব পালনকালে সিআইডি কর্মকর্তার মৃত্যু জাতিসংঘ অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সার্থক হয়েছে: হুমায়ুন কবীর চরফ্যাশনে গরু ব্যবসায়ী আবুল বাশার হত্যায় স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার অসুস্থ যুবদল নেতা অলির হার্ট সার্জারির দায়িত্ব নিলেন সজিব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ, পদত্যাগের দাবি নাহিদ ইসলামের

নির্বাচনী প্রার্থীদের ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করতে হাইকোর্টের রুল

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:০৭:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং সব ধরনের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের জন্য ডোপ টেস্ট বা মাদক পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করার নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে, নির্বাচনী বিধিমালা ও আইন সংশোধন করে ডোপ টেস্টে পজিটিভ হওয়া বা পরীক্ষা দিতে অস্বীকৃতি জানানো ব্যক্তিদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার নির্দেশনা কেন দেওয়া হবে না, রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।

সোমবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইসরাত জাহান অনির দায়ের করা একটি জনস্বার্থমূলক রিট আবেদনের (পিআইএল) প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি শেখ তাহসিন আলীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল জারি করেন। আদালতে রিটকারী আইনজীবী অনি নিজেই শুনানি করেন।

শুনানি শেষে আইনজীবী সাংবাদিকদের জানান, বর্তমানে প্রচলিত নির্বাচনী আইন ও বিধিমালায় প্রার্থীদের মাদক পরীক্ষার কোনো স্পষ্ট বাধ্যবাধকতা নেই। অথচ পুলিশ সদস্য বা সরকারি চাকরিজীবীদের নিয়োগের ক্ষেত্রে ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক। তিনি বলেন, নাগরিকরা নিয়মিত কর প্রদান করেন, তাই তাদের প্রতিনিধি হিসেবে যারা নির্বাচিত হবেন—সংসদ সদস্য বা স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধি—তাদের অবশ্যই সুস্থ মানসিকতার ও মাদকমুক্ত হতে হবে। মাদকাসক্ত কোনো ব্যক্তি জনগণের সঠিক প্রতিনিধিত্ব করতে পারেন না বলে তিনি মন্তব্য করেন।

রিট আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মনোনয়নপত্রের সঙ্গে সরকারি স্বীকৃত হাসপাতাল বা ল্যাবরেটরি থেকে ডোপ টেস্টের সনদ জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা প্রয়োজন। আইনজীবী যুক্তি দেন, কোনো প্রার্থী যদি মাদকাসক্ত না হন, তবে ডোপ টেস্টে অংশ নিতে তার আত্মসম্মানে আঘাত লাগার কোনো কারণ নেই, বরং এটি গর্বের বিষয় হওয়া উচিত।

আদালতের জারিকৃত রুলে মন্ত্রীপরিষদ সচিব, আইন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, স্থানীয় সরকার সচিব, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি), নির্বাচন কমিশন সচিব এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ মোট ৭ জন বিবাদীকে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

নির্বাচনী প্রার্থীদের ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করতে হাইকোর্টের রুল

আপডেট সময় : ০৪:০৭:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং সব ধরনের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের জন্য ডোপ টেস্ট বা মাদক পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করার নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে, নির্বাচনী বিধিমালা ও আইন সংশোধন করে ডোপ টেস্টে পজিটিভ হওয়া বা পরীক্ষা দিতে অস্বীকৃতি জানানো ব্যক্তিদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার নির্দেশনা কেন দেওয়া হবে না, রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।

সোমবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইসরাত জাহান অনির দায়ের করা একটি জনস্বার্থমূলক রিট আবেদনের (পিআইএল) প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি শেখ তাহসিন আলীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল জারি করেন। আদালতে রিটকারী আইনজীবী অনি নিজেই শুনানি করেন।

শুনানি শেষে আইনজীবী সাংবাদিকদের জানান, বর্তমানে প্রচলিত নির্বাচনী আইন ও বিধিমালায় প্রার্থীদের মাদক পরীক্ষার কোনো স্পষ্ট বাধ্যবাধকতা নেই। অথচ পুলিশ সদস্য বা সরকারি চাকরিজীবীদের নিয়োগের ক্ষেত্রে ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক। তিনি বলেন, নাগরিকরা নিয়মিত কর প্রদান করেন, তাই তাদের প্রতিনিধি হিসেবে যারা নির্বাচিত হবেন—সংসদ সদস্য বা স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধি—তাদের অবশ্যই সুস্থ মানসিকতার ও মাদকমুক্ত হতে হবে। মাদকাসক্ত কোনো ব্যক্তি জনগণের সঠিক প্রতিনিধিত্ব করতে পারেন না বলে তিনি মন্তব্য করেন।

রিট আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মনোনয়নপত্রের সঙ্গে সরকারি স্বীকৃত হাসপাতাল বা ল্যাবরেটরি থেকে ডোপ টেস্টের সনদ জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা প্রয়োজন। আইনজীবী যুক্তি দেন, কোনো প্রার্থী যদি মাদকাসক্ত না হন, তবে ডোপ টেস্টে অংশ নিতে তার আত্মসম্মানে আঘাত লাগার কোনো কারণ নেই, বরং এটি গর্বের বিষয় হওয়া উচিত।

আদালতের জারিকৃত রুলে মন্ত্রীপরিষদ সচিব, আইন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, স্থানীয় সরকার সচিব, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি), নির্বাচন কমিশন সচিব এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ মোট ৭ জন বিবাদীকে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin