ঢাকা ০৬:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পাবনায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস পালিত বোরকা পরে ছদ্মবেশে উত্তরখান ভূমি অফিস পরিদর্শনে ডিসি ফরিদা গোপনে আরব আমিরাত সফর করলেন নেতানিয়াহু, নেপথ্যে ইরান ও বিতর্ক সৈয়দপুরে ইএমই কোরের বার্ষিক অধিনায়ক সম্মেলন ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত নিখোঁজ শিশু জিসান উদ্ধার, পুলিশের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারে বাধা, রূপপুরের ইউরেনিয়াম আসা বিলম্বিত এশিয়ান গেমস থেকে ছিটকে গেলেন অসুস্থ নাজমুল হোসেন শান্ত ফুলবাড়িয়ায় তুচ্ছ ঘটনায় লাথিতে চাচা নিহত, গ্রেপ্তার ১ বাংলাদেশে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে আমিরাত রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আলোচনা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দায়িত্ব পালনকালে সিআইডি কর্মকর্তার মৃত্যু

নিখোঁজ শিশু জিসান উদ্ধার, পুলিশের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৪:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



রাজধানীর বংশাল এলাকা থেকে নিখোঁজ হওয়া ১১ বছরের মাদরাসাছাত্র জিসানকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। একইসঙ্গে পুলিশের বিরুদ্ধে একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত ‘অসহযোগিতার অভিযোগ’ সম্পর্কিত সংবাদকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অসত্য বলে দাবি করেছে বংশাল থানা। বংশাল থানা পুলিশ ও গাজীপুরের শ্রীপুর থানা পুলিশের যৌথ প্রচেষ্টায় শিশুটিকে উদ্ধার করে তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বংশাল থানা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় “মুক্তিপণ দেওয়ার পরও শিশুকে ছাড়েনি অপহরণকারীরা, পুলিশের অসহযোগিতার অভিযোগ” শিরোনামে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল, তা সঠিক নয়।

বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, গত ২১ সেপ্টেম্বর গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ১১ বছর বয়সী শিশু জিসান বংশাল থানাধীন সাতরওজা খাজে নেহাল জামে মসজিদের মাদরাসা থেকে নিখোঁজ হয়। মাদরাসার এক সহপাঠীর মোবাইল ফোন ও টাকা সরানোর অভিযোগে ধরা পড়ার ভয়ে জিসান নিজেই আত্মগোপনে চলে যায়। সে প্রথমে লঞ্চযোগে চাঁদপুর এবং পরবর্তীতে ঢাকার কেরানীগঞ্জের এক গ্যারেজ মেকানিকের সহায়তায় সেখানে অবস্থান করছিল।

এদিকে, জিসানের নিখোঁজ হওয়ার খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে একটি প্রতারক চক্র এই সুযোগ নেয়। চক্রটি ইমো অ্যাপের মাধ্যমে শিশুটির বাবার কাছে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে এবং জিসানকে অপহরণ করা হয়েছে বলে মিথ্যা দাবি জানিয়ে ১০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়।

জিডি হওয়ার পর থেকেই বংশাল থানার এসআই রাশেদুল ইসলাম তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে তৎপর ভূমিকা পালন করেন। তিনি সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করেন এবং প্রতারক চক্রের ব্যবহৃত বিকাশ নম্বরের সূত্র ধরে শ্রীপুর থানা পুলিশের সহায়তায় অনুসন্ধান চালান। পরবর্তীতে জিসানের খালার মাধ্যমে তার অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর গত ২৭ সেপ্টেম্বর এসআই রাশেদুল ইসলাম শিশুটিকে উদ্ধার করে তার অভিভাবকদের জিম্মায় বুঝিয়ে দেন।

বংশাল থানা আরও জানায়, বিভ্রান্তিকর সংবাদটিতে পুলিশের অসহযোগিতার যে দাবি করা হয়েছিল তা সত্য নয়। পুলিশ শুরু থেকেই গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত চালিয়ে নিখোঁজ শিশুকে উদ্ধার করেছে। একই সঙ্গে জিসানের বাবার কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়া অনলাইন প্রতারক চক্রটিকে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

নিখোঁজ শিশু জিসান উদ্ধার, পুলিশের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি

আপডেট সময় : ০৫:৩৪:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানীর বংশাল এলাকা থেকে নিখোঁজ হওয়া ১১ বছরের মাদরাসাছাত্র জিসানকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। একইসঙ্গে পুলিশের বিরুদ্ধে একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত ‘অসহযোগিতার অভিযোগ’ সম্পর্কিত সংবাদকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অসত্য বলে দাবি করেছে বংশাল থানা। বংশাল থানা পুলিশ ও গাজীপুরের শ্রীপুর থানা পুলিশের যৌথ প্রচেষ্টায় শিশুটিকে উদ্ধার করে তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বংশাল থানা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় “মুক্তিপণ দেওয়ার পরও শিশুকে ছাড়েনি অপহরণকারীরা, পুলিশের অসহযোগিতার অভিযোগ” শিরোনামে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল, তা সঠিক নয়।

বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, গত ২১ সেপ্টেম্বর গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ১১ বছর বয়সী শিশু জিসান বংশাল থানাধীন সাতরওজা খাজে নেহাল জামে মসজিদের মাদরাসা থেকে নিখোঁজ হয়। মাদরাসার এক সহপাঠীর মোবাইল ফোন ও টাকা সরানোর অভিযোগে ধরা পড়ার ভয়ে জিসান নিজেই আত্মগোপনে চলে যায়। সে প্রথমে লঞ্চযোগে চাঁদপুর এবং পরবর্তীতে ঢাকার কেরানীগঞ্জের এক গ্যারেজ মেকানিকের সহায়তায় সেখানে অবস্থান করছিল।

এদিকে, জিসানের নিখোঁজ হওয়ার খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে একটি প্রতারক চক্র এই সুযোগ নেয়। চক্রটি ইমো অ্যাপের মাধ্যমে শিশুটির বাবার কাছে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে এবং জিসানকে অপহরণ করা হয়েছে বলে মিথ্যা দাবি জানিয়ে ১০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়।

জিডি হওয়ার পর থেকেই বংশাল থানার এসআই রাশেদুল ইসলাম তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে তৎপর ভূমিকা পালন করেন। তিনি সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করেন এবং প্রতারক চক্রের ব্যবহৃত বিকাশ নম্বরের সূত্র ধরে শ্রীপুর থানা পুলিশের সহায়তায় অনুসন্ধান চালান। পরবর্তীতে জিসানের খালার মাধ্যমে তার অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর গত ২৭ সেপ্টেম্বর এসআই রাশেদুল ইসলাম শিশুটিকে উদ্ধার করে তার অভিভাবকদের জিম্মায় বুঝিয়ে দেন।

বংশাল থানা আরও জানায়, বিভ্রান্তিকর সংবাদটিতে পুলিশের অসহযোগিতার যে দাবি করা হয়েছিল তা সত্য নয়। পুলিশ শুরু থেকেই গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত চালিয়ে নিখোঁজ শিশুকে উদ্ধার করেছে। একই সঙ্গে জিসানের বাবার কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়া অনলাইন প্রতারক চক্রটিকে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh