মিরপুরে রাড্ডা হাসপাতাল গুঁড়িয়ে দখল, নাহিদ ইসলামের তীব্র ক্ষোভ
- আপডেট সময় : ০১:৪০:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত বেসরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র রাড্ডা এমসিএইচ–এফপি সেন্টার গুঁড়িয়ে দিয়ে দখলের ঘটনায় দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ফুটে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। শনিবার সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান। নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘রাতভর প্রতিষ্ঠানটিতে ভাঙচুর ও লুটপাট চললেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নীরব ও নির্বিকার ভূমিকা গভীর উদ্বেগের। এভাবে একটি দেশ চলতে পারে না।’
তিনি আরও বলেন, রাজধানীর বুকে চর দখলের মতো একটি হাসপাতাল গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় রাষ্ট্রের অস্তিত্ব নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এই ভাঙচুর ও দখলদারির পেছনে বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির এক প্রভাবশালী নেতার ইন্ধন রয়েছে। এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কার্যত নিষ্ক্রিয় ভূমিকাকে গোটা জাতির জন্য লজ্জাজনক বলে অভিহিত করেন তিনি।
নাহিদ ইসলাম এই ঘটনায় জড়িত প্রত্যেকের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি ঘটনার নেপথ্যে থাকা মূল হোতাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে মুখোশ পরা দুই শতাধিক ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মিরপুরের এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রটিতে হামলা চালায়। হামলাকারীরা নিরাপত্তাকর্মীদের জিম্মি ও হাত-পা বেঁধে মূল্যবান চিকিৎসা সরঞ্জাম, ওষুধ, ভ্যাকসিন ও নগদ অর্থ লুট করে। এরপর ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে একটি পাকা ও তিনটি আধা পাকা ভবনসহ পুরো স্থাপনাটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। ‘সমমনা দোকানদার সমবায় সমিতি লিমিটেড’ নামের একটি সংগঠনের ব্যানারে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক নাসরিন আখতার জানিয়েছেন, হামলায় এক কোটি টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তিনি বাদী হয়ে শাহ আলী থানায় মামলা করেছেন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। উল্লেখ্য, রাড্ডা এমসিএইচ–এফপি সেন্টারটি ৫০ বছর ধরে প্রসূতি মা ও শিশুদের সেবা এবং টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল।
একই সঙ্গে এই ঘটনার নেপথ্যে থাকা মূল হোতাদেরও চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে এবং দোষী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে মুখোশ পরা দুই শতাধিক ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মিরপুরের স্বাস্থ্যকেন্দ্রটিতে হামলা চালায়।




























