ঢাকা ০৬:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সিগারেটের নতুন খুচরা মূল্য নির্ধারণ: ৬৫ থেকে ২১০ টাকা ভারতের উত্তর প্রদেশে বন্যা ও ভূমিধসে নিহত ৫৬ হাফপ্যান্ট পরায় অ্যাথলেট প্রশিক্ষককে মেট্রোস্টেশনে হেনস্তা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যা অগ্রহণযোগ্য, মন্তব্য রাশিয়ার ভালো কিংবা মন্দ, সরকারের পাঁচ বছরের ‘চুক্তি’ মেনেই ধৈর্য ধরার পরামর্শ প্রতিবাদ ও ‘আগের ১৪ বছর’ বিতর্ক: একটি সামাজিক বিশ্লেষণ রাড্ডা ক্লিনিকে হামলায় ওসির অবহেলার প্রমাণ, ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর শাহজালাল বিমানবন্দরে ২৮ লাখ টাকার সিরিঞ্জসহ নারী যাত্রী আটক জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৯ শিক্ষার্থী পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক ফৌজদারি বিচারব্যবস্থার আধুনিকায়নে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করলেন আইনমন্ত্রী

সুনামগঞ্জে পুলিশ ভেরিফিকেশনের জটিলতায় নিয়োগবঞ্চিত ১২০ মেধাবী শিক্ষক

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০২:৩৯:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



প্রকাশ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪: ১৭

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে চূড়ান্ত সুপারিশ পাওয়ার পরও সুনামগঞ্জের ১২০ জন প্রার্থী নিয়োগপত্র পাননি। এনএসআই ও ডিএসবি পুলিশ ভেরিফিকেশনের নামে তাদের বাদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে জেলায় শিক্ষক সংকটে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা এমনিতেই নাজুক অবস্থায় রয়েছে, এমন পরিস্থিতিতে মেধাবীদের বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তকে স্থানীয় সচেতন মহল আত্মঘাতী বলে মনে করছে।

নিয়োগবঞ্চিতদের একজন মহসিন মিয়া জানান, তিনি সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ থেকে অর্থনীতিতে অনার্স সম্পন্ন করেছেন। পিতামাতাহীন মহসিন টিউশনি করে নিজের ও পরিবারের খরচ বহন করেন। গোয়েন্দা প্রতিবেদনে নাম না থাকায় তিনি চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। শনিবার বঞ্চিত প্রার্থীরা জেলা প্রশাসকের বাংলোর সামনে জড়ো হয়ে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ পুনঃতদন্তের মাধ্যমে দ্রুত নিয়োগপত্র প্রদানের দাবি জানিয়েছেন।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহন লাল দাস জানিয়েছেন, জেলায় মোট ৬৩৫ জন শিক্ষক পদের জন্য চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ১২০ জনকে আপাতত নিয়োগপত্র দেওয়া হচ্ছে না। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে সিদ্ধান্ত পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মতিউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সুপারিশপ্রাপ্তদের অনেকের বাদ পড়ার বিষয়ে তারা অবগত আছেন। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে এ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে এবং তিনি বিষয়টি বিভাগীয় পর্যায়ে দেখছেন। চাকরিপ্রার্থীদের যৌক্তিক অধিকারের পক্ষে আইনি সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

সুনামগঞ্জে পুলিশ ভেরিফিকেশনের জটিলতায় নিয়োগবঞ্চিত ১২০ মেধাবী শিক্ষক

আপডেট সময় : ০২:৩৯:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রকাশ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪: ১৭

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে চূড়ান্ত সুপারিশ পাওয়ার পরও সুনামগঞ্জের ১২০ জন প্রার্থী নিয়োগপত্র পাননি। এনএসআই ও ডিএসবি পুলিশ ভেরিফিকেশনের নামে তাদের বাদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে জেলায় শিক্ষক সংকটে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা এমনিতেই নাজুক অবস্থায় রয়েছে, এমন পরিস্থিতিতে মেধাবীদের বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তকে স্থানীয় সচেতন মহল আত্মঘাতী বলে মনে করছে।

নিয়োগবঞ্চিতদের একজন মহসিন মিয়া জানান, তিনি সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ থেকে অর্থনীতিতে অনার্স সম্পন্ন করেছেন। পিতামাতাহীন মহসিন টিউশনি করে নিজের ও পরিবারের খরচ বহন করেন। গোয়েন্দা প্রতিবেদনে নাম না থাকায় তিনি চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। শনিবার বঞ্চিত প্রার্থীরা জেলা প্রশাসকের বাংলোর সামনে জড়ো হয়ে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ পুনঃতদন্তের মাধ্যমে দ্রুত নিয়োগপত্র প্রদানের দাবি জানিয়েছেন।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহন লাল দাস জানিয়েছেন, জেলায় মোট ৬৩৫ জন শিক্ষক পদের জন্য চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ১২০ জনকে আপাতত নিয়োগপত্র দেওয়া হচ্ছে না। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে সিদ্ধান্ত পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মতিউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সুপারিশপ্রাপ্তদের অনেকের বাদ পড়ার বিষয়ে তারা অবগত আছেন। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে এ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে এবং তিনি বিষয়টি বিভাগীয় পর্যায়ে দেখছেন। চাকরিপ্রার্থীদের যৌক্তিক অধিকারের পক্ষে আইনি সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh