
প্রকাশ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪: ১৭
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে চূড়ান্ত সুপারিশ পাওয়ার পরও সুনামগঞ্জের ১২০ জন প্রার্থী নিয়োগপত্র পাননি। এনএসআই ও ডিএসবি পুলিশ ভেরিফিকেশনের নামে তাদের বাদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে জেলায় শিক্ষক সংকটে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা এমনিতেই নাজুক অবস্থায় রয়েছে, এমন পরিস্থিতিতে মেধাবীদের বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তকে স্থানীয় সচেতন মহল আত্মঘাতী বলে মনে করছে।
নিয়োগবঞ্চিতদের একজন মহসিন মিয়া জানান, তিনি সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ থেকে অর্থনীতিতে অনার্স সম্পন্ন করেছেন। পিতামাতাহীন মহসিন টিউশনি করে নিজের ও পরিবারের খরচ বহন করেন। গোয়েন্দা প্রতিবেদনে নাম না থাকায় তিনি চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। শনিবার বঞ্চিত প্রার্থীরা জেলা প্রশাসকের বাংলোর সামনে জড়ো হয়ে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ পুনঃতদন্তের মাধ্যমে দ্রুত নিয়োগপত্র প্রদানের দাবি জানিয়েছেন।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহন লাল দাস জানিয়েছেন, জেলায় মোট ৬৩৫ জন শিক্ষক পদের জন্য চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ১২০ জনকে আপাতত নিয়োগপত্র দেওয়া হচ্ছে না। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে সিদ্ধান্ত পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মতিউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সুপারিশপ্রাপ্তদের অনেকের বাদ পড়ার বিষয়ে তারা অবগত আছেন। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে এ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে এবং তিনি বিষয়টি বিভাগীয় পর্যায়ে দেখছেন। চাকরিপ্রার্থীদের যৌক্তিক অধিকারের পক্ষে আইনি সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় (ঢাকা) : ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। আঞ্চলিক কার্যালয় (বগুড়া): টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২