ঢাকা ০২:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘে খলিলুর রহমানের সঙ্গে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক যশোরে দুর্গাপূজায় নিরাপত্তা জোরদার ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশ জবিতে ককটেল বিস্ফোরণের পরিকল্পনার অভিযোগ, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কর্মী আটক এশিয়ান গেমসের কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ মালয়েশিয়া লিটন নায়েব হত্যা: আসামিদের ফাঁসির দাবিতে দৌলতখানে মানববন্ধন নারায়ণগঞ্জে মাদরাসার ছাদে খেলার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ৫ শিক্ষার্থী দগ্ধ মিরপুরে রাড্ডা হাসপাতাল গুঁড়িয়ে দখল, নাহিদ ইসলামের তীব্র ক্ষোভ জাসদের কার্যালয়ে অভিযান, ২৮৯ জনকে আটক করল পুলিশ রাজধানীর তিতুমীর কলেজে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৪ ফিলিস্তিনের শাসন ফিলিস্তিনিদের হাতেই থাকবে: চীন

জ্বালানি তেলের প্রভাবে বাড়ছে সবজি ও মাছের দাম

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৫:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



গত রোববার সরকার দেশে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১১৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা করা হয়েছে। এছাড়া পেট্রলের নতুন দাম প্রতি লিটার ১৬০ টাকা এবং অকটেনের দাম ১৬৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে ট্রাকের ভাড়া বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদনস্থল থেকে পাইকারি বাজার এবং সেখান থেকে খুচরা বাজার পর্যন্ত প্রতিটি ধাপেই পণ্যের দাম কিছুটা বেড়েছে।

রাজধানীর আদাবর বাজার, মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট এবং টাউন হল বাজার ঘুরে এবং ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পর বেশ কয়েক ধরনের সবজির দাম কেজিতে ৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এর মধ্যে বেগুনের দাম সবচেয়ে বেশি বেড়েছে; চার দিন আগে যা ৮০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হতো, তা এখন ১০০ থেকে ১৬০ টাকায় কিনতে হচ্ছে। এছাড়া পটোল, কাঁকরোল ও বরবটির মতো সবজি আগে ৮০ টাকায় পাওয়া গেলেও বর্তমানে তা ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজারেও অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন প্রজাতির মাছের দাম কেজিতে ২০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। উদাহরণস্বরূপ, শিং মাছের দাম ৩০ থেকে ৫০ টাকা বেড়ে ৫০০ টাকার আশপাশে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া কই, পাবদা, চিংড়ি, তেলাপিয়া, পাঙাশ ও রুই মাছের দামও কিছুটা বেড়েছে।

এদিকে গত এক মাসে খোলা আটার দাম কেজিতে ৫ টাকা এবং ময়দার দাম ১০ টাকা বেড়েছে। বর্তমানে প্রতি কেজি খোলা আটা ৫০ টাকা এবং খোলা ময়দা ৬৫ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে বাজারে ব্রয়লার মুরগি ১৮০ থেকে ২০০ টাকা এবং প্রতি ডজন ডিম ১৫০ টাকায় কেনা যাচ্ছে। গত দেড় মাস ধরে এই দামেই মুরগি ও ডিম বিক্রি হচ্ছে, যদিও এর আগে দাম ২০ টাকার মতো কম ছিল।

বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ নিয়েও নতুন সংকট তৈরি হয়েছে। এক ও দুই লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেল কম পাওয়া যাচ্ছে এবং পাঁচ লিটারের বোতলের সরবরাহও কিছুটা কমেছে। চলতি মাসের শুরুতেই ভোজ্যতেল পরিশোধন ও উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলো বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৫ টাকা বাড়িয়ে ২০৪ টাকা নির্ধারণ করেছিল। খুচরা বিক্রেতারা জানিয়েছেন, সরবরাহকারীরা (ডিলার) তাঁদের জানিয়েছেন যে কোম্পানিগুলো বাজারে কম পরিমাণে তেল সরবরাহ করছে। কোম্পানিগুলো সয়াবিন তেলের দাম আরও কিছুটা বাড়াতে চায় বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে সব বাজারে বোতলজাত সয়াবিনের সরবরাহ সমানভাবে কমেনি।

যেমন শিং মাছ কেজিতে ৩০-৫০ টাকা বেড়ে ৫০০ টাকার আশপাশে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে ব্রয়লার মুরগি ১৮০-২০০ টাকা এবং প্রতি ডজন ডিম ১৫০ টাকায় কেনা যায়।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

জ্বালানি তেলের প্রভাবে বাড়ছে সবজি ও মাছের দাম

আপডেট সময় : ০৮:৪৫:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গত রোববার সরকার দেশে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১১৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা করা হয়েছে। এছাড়া পেট্রলের নতুন দাম প্রতি লিটার ১৬০ টাকা এবং অকটেনের দাম ১৬৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে ট্রাকের ভাড়া বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদনস্থল থেকে পাইকারি বাজার এবং সেখান থেকে খুচরা বাজার পর্যন্ত প্রতিটি ধাপেই পণ্যের দাম কিছুটা বেড়েছে।

রাজধানীর আদাবর বাজার, মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট এবং টাউন হল বাজার ঘুরে এবং ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পর বেশ কয়েক ধরনের সবজির দাম কেজিতে ৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এর মধ্যে বেগুনের দাম সবচেয়ে বেশি বেড়েছে; চার দিন আগে যা ৮০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হতো, তা এখন ১০০ থেকে ১৬০ টাকায় কিনতে হচ্ছে। এছাড়া পটোল, কাঁকরোল ও বরবটির মতো সবজি আগে ৮০ টাকায় পাওয়া গেলেও বর্তমানে তা ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজারেও অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন প্রজাতির মাছের দাম কেজিতে ২০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। উদাহরণস্বরূপ, শিং মাছের দাম ৩০ থেকে ৫০ টাকা বেড়ে ৫০০ টাকার আশপাশে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া কই, পাবদা, চিংড়ি, তেলাপিয়া, পাঙাশ ও রুই মাছের দামও কিছুটা বেড়েছে।

এদিকে গত এক মাসে খোলা আটার দাম কেজিতে ৫ টাকা এবং ময়দার দাম ১০ টাকা বেড়েছে। বর্তমানে প্রতি কেজি খোলা আটা ৫০ টাকা এবং খোলা ময়দা ৬৫ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে বাজারে ব্রয়লার মুরগি ১৮০ থেকে ২০০ টাকা এবং প্রতি ডজন ডিম ১৫০ টাকায় কেনা যাচ্ছে। গত দেড় মাস ধরে এই দামেই মুরগি ও ডিম বিক্রি হচ্ছে, যদিও এর আগে দাম ২০ টাকার মতো কম ছিল।

বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ নিয়েও নতুন সংকট তৈরি হয়েছে। এক ও দুই লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেল কম পাওয়া যাচ্ছে এবং পাঁচ লিটারের বোতলের সরবরাহও কিছুটা কমেছে। চলতি মাসের শুরুতেই ভোজ্যতেল পরিশোধন ও উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলো বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৫ টাকা বাড়িয়ে ২০৪ টাকা নির্ধারণ করেছিল। খুচরা বিক্রেতারা জানিয়েছেন, সরবরাহকারীরা (ডিলার) তাঁদের জানিয়েছেন যে কোম্পানিগুলো বাজারে কম পরিমাণে তেল সরবরাহ করছে। কোম্পানিগুলো সয়াবিন তেলের দাম আরও কিছুটা বাড়াতে চায় বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে সব বাজারে বোতলজাত সয়াবিনের সরবরাহ সমানভাবে কমেনি।

যেমন শিং মাছ কেজিতে ৩০-৫০ টাকা বেড়ে ৫০০ টাকার আশপাশে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে ব্রয়লার মুরগি ১৮০-২০০ টাকা এবং প্রতি ডজন ডিম ১৫০ টাকায় কেনা যায়।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo