ঢাকা ০৬:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ক্লপ ও জাভির নতুন শুরুর ম্যাচে ড্র জার্মানি-নেদারল্যান্ডসের ছাতকে ক্যাম্পাসে হামলা ও ভাঙচুরের প্রতিবাদে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ ট্রাম্প-শি বৈঠক: বিশ্বমঞ্চে দুই পরাশক্তির নতুন সমীকরণ ন্যাটো দেশে রাশিয়ার ‘সীমিত’ হামলার সতর্কতা ডেনমার্কের এশিয়ান গেমসে জিন্নাতের ব্রোঞ্জ, ঘুচল বাংলাদেশের ৪০ বছরের অপেক্ষা বয়স লুকিয়ে পর্দায় অভিনয় করবেন না দীপা খন্দকার হাতিয়ায় এমপি হান্নান মাসউদের বক্তব্য ঘিরে এনসিপি ও ছাত্রদলের সংঘর্ষ পল্টন থেকে নর্থ সাউথ রোড পর্যন্ত মূল সড়ক হকারমুক্ত ঘোষণা করল ডিএসসিসি নেতানিয়াহু মঞ্চে উঠতেই জাতিসংঘে প্রতিনিধিদের গণ-ওয়াকআউট জাতিসংঘ মহাসচিব গুতেরেসের সঙ্গে বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা মোকাবিলায় জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ৪ প্রস্তাব

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০২:১৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিজনিত অস্তিত্বের সংকট মোকাবিলায় জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর পাশে দাঁড়ানোর জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতাবৃদ্ধি বিষয়ক এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অংশ নিয়ে তিনি এই সংকট মোকাবিলায় চারটি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব পেশ করেন।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশ একটি সক্রিয় বদ্বীপ এবং এর শতশত নদী সমুদ্রে গিয়ে মিশেছে। দেশের অধিকাংশ মানুষ পানির খুব কাছাকাছি বসবাস করায় তাদের উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ উপকূলের পরিস্থিতির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের ৪ শতাংশ ভূখণ্ড সমুদ্রে বিলীন হয়ে যেতে পারে। এর ফলে প্রায় এক কোটি মানুষ তাদের ঘরবাড়ি ও জীবিকা হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছেন।

স্বল্প সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ দুর্যোগপূর্ণ ভবিষ্যৎ মোকাবিলায় কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, আগামী ৫ বছরের মধ্যে জলবায়ু সহনশীলতা জোরদার করার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার উচ্চাভিলাষী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে যে চারটি জরুরি পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন তা হলো:

প্রথমত, বৈশ্বিক নিঃসরণ আরও দ্রুত, ব্যাপকভাবে এবং ন্যায়সংগতভাবে কমিয়ে ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস উষ্ণায়নের সীমা নাগালের মধ্যে রাখা। দ্বিতীয়ত, জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর অভিযোজন কার্যক্রমের জন্য পূর্বানুমেয় ও সহজলভ্য অর্থায়ন নিশ্চিত করা। তৃতীয়ত, ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় দেশগুলোর জন্য জলবায়ু-স্মার্ট প্রযুক্তি, তথ্য-উপাত্ত ও আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থায় প্রবেশাধিকার বাড়ানো। চতুর্থত, জলবায়ুজনিত বাস্তুচ্যুতি, ক্ষয়ক্ষতি ও লোকসান মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করা এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর জন্য মর্যাদাপূর্ণ পুনর্বাসন ও জীবনযাপনের সুযোগ নিশ্চিত করা।

বক্তব্যের শেষভাগে প্রধানমন্ত্রী গুরুত্বারোপ করে বলেন, বর্তমান ও পরবর্তী প্রজন্মের ভবিষ্যৎ রক্ষায় জলবায়ু-সংশ্লিষ্ট ইস্যুতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার কোনো বিকল্প নেই।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা মোকাবিলায় জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ৪ প্রস্তাব

আপডেট সময় : ০২:১৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিজনিত অস্তিত্বের সংকট মোকাবিলায় জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর পাশে দাঁড়ানোর জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতাবৃদ্ধি বিষয়ক এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অংশ নিয়ে তিনি এই সংকট মোকাবিলায় চারটি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব পেশ করেন।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশ একটি সক্রিয় বদ্বীপ এবং এর শতশত নদী সমুদ্রে গিয়ে মিশেছে। দেশের অধিকাংশ মানুষ পানির খুব কাছাকাছি বসবাস করায় তাদের উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ উপকূলের পরিস্থিতির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের ৪ শতাংশ ভূখণ্ড সমুদ্রে বিলীন হয়ে যেতে পারে। এর ফলে প্রায় এক কোটি মানুষ তাদের ঘরবাড়ি ও জীবিকা হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছেন।

স্বল্প সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ দুর্যোগপূর্ণ ভবিষ্যৎ মোকাবিলায় কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, আগামী ৫ বছরের মধ্যে জলবায়ু সহনশীলতা জোরদার করার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার উচ্চাভিলাষী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে যে চারটি জরুরি পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন তা হলো:

প্রথমত, বৈশ্বিক নিঃসরণ আরও দ্রুত, ব্যাপকভাবে এবং ন্যায়সংগতভাবে কমিয়ে ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস উষ্ণায়নের সীমা নাগালের মধ্যে রাখা। দ্বিতীয়ত, জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর অভিযোজন কার্যক্রমের জন্য পূর্বানুমেয় ও সহজলভ্য অর্থায়ন নিশ্চিত করা। তৃতীয়ত, ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় দেশগুলোর জন্য জলবায়ু-স্মার্ট প্রযুক্তি, তথ্য-উপাত্ত ও আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থায় প্রবেশাধিকার বাড়ানো। চতুর্থত, জলবায়ুজনিত বাস্তুচ্যুতি, ক্ষয়ক্ষতি ও লোকসান মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করা এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর জন্য মর্যাদাপূর্ণ পুনর্বাসন ও জীবনযাপনের সুযোগ নিশ্চিত করা।

বক্তব্যের শেষভাগে প্রধানমন্ত্রী গুরুত্বারোপ করে বলেন, বর্তমান ও পরবর্তী প্রজন্মের ভবিষ্যৎ রক্ষায় জলবায়ু-সংশ্লিষ্ট ইস্যুতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার কোনো বিকল্প নেই।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh